ওয়েবসাইট অডিট কি এবং কিভাবে ওয়েবসাইট অডিট (Website Audit) করা হয়

Website Audit

ওয়েবসাইট অডিট (Website Audit) একটি গুরুত্বপূর্ন বিষয়। একটি ওয়েবসাইটের খুটি-নাটি বিষয় জানতে হলে ওয়েবসাইট অডিট করা প্রয়োজন। একটি ওয়েবসাইটের ডিজাইন বা স্ট্রাকচার ঠিক আছে কিনা, অনপেজ এস ই ও করা হয়েছে কিনা, অফপেজ এস ই ও করা হয়েছে কিনা, ডুপ্লেকেট কন্টেন্ট আছে কিনা, কন্টেন্ট রিডাবেলিটি কেমন ইত্যাদি বিষয় ওয়েবসাইট অডিটের মাধ্যমে জানা যায়। ওয়েবসাইট অডিট করে সঠিক ভাবে সমস্যা সমাধান করতে পারলে ওয়েবসাইটের র‌্যান্ক বৃদ্ধি পায় এবং ভিজিটর বৃদ্ধি পায়। তাই একটি ওয়েবসাইটকে সঠিক ভাবে অপটিমাইজ করতে হবে। আর সঠিক ভাবে অপটিমাইজ করা হয়েছে কিনা তা জানা যাবে ওয়েবসাইট অডিটের মাধ্যমে। আজকে আমাদের আলোচ্য বিষয় হচ্ছে ওয়েবসাইট অডিট কি এবং কিভাবে ওয়েবসাইট অডিট (Website Audit) করা হয়। ওয়েবসাইট অডিট সম্পর্কে আমার এই ক্ষুদ্র প্রায়াস আপনাদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করবো।

ওয়েবসাইট অডিট (Website Audit) কি :

অডিট শব্দের অর্থ নিরীক্ষা বা জরিপ করা। কোন ডিপার্টমেন্টের বা সাইটের হিসাব নিকাশ করাই হচ্ছে অডিট কারা। আর ওয়েবসাইটের নিরীক্ষা বা জরিপ করাই হচ্ছে ওয়েবসাইট অডিট করা। অর্থাৎ একটি ওয়েবসাইটের চুলচেরা বিশ্লেষন করে সকল তথ্যের লিস্ট তৈরি করা। ওয়েবসাইট অডিট করতে হলে সে ওয়েবসাইটের বডি স্ট্রাকচারের তথ্য ও এস ই ও তথ্য সম্পর্কিত যাবতীয় তথ্যের লিস্ট তৈরি করা। মোটকথা ওয়েবসাইট অডিট হচ্ছে একটি ওয়েবসাইটের যাবতীয় তথ্য খোজে বের করে লিস্ট তৈরি করাই হচ্ছে ওয়েবসাইট অডিট করা। একটি ওয়েবসাইটে কি কি তথ্য আছে আর কি কি তথ্য নেই তার একটি রিপোর্ট তৈরি করাই হচ্ছে ওয়েবসাইট অডিট করা। একজন এস ই ও এক্সপার্ট হতে হলে ওয়েবসাইট অডিট সম্পর্কে পরিপূর্ন ধারনা থাকা প্রয়োজন।

ওয়েবসাইট অডিট (Website Audit) রিপোর্ট :

কোন ওয়েবসাইট অডিট রিপোর্ট তৈরি করতে হলে সে ওয়েবসাইট সম্পর্কে গবেষনা করতে হবে। সে ওয়েবসাইট সম্পর্কে পূর্নাঙ্গ ধারনা নিতে হবে। তারপর পর্যাক্রমে সকল তথ্য খোজে বের করতে হবে। এই তথ্য গুলো একটি স্প্রেড শীটের মাধ্যমে উপস্থাপন করতে হবে। যাতে কোন ক্লাইন্ট বা যে কেউ সহজে সে ওয়েবসাইট সম্পর্কে সকল ধারনা লাভ করতে পারে। প্রথমে সাইটের নাম লিখুন তারপর নিম্ন লিখিত তথ্য গুলোর লিস্ট তৈরি করতে পারেন।

ওয়েবসাইটের ডিজাইন বা স্ট্রাকচার :

ওয়েবসাইটের ডিজাইন বা স্ট্রাকচার হচ্ছে ওয়েবসাইটের বাহ্যিক অবকাঠামো। যা সুন্দর ও আকর্ষনীয হওয়া উচিৎ। সাইটের ডিজাইন বা স্ট্রাকচার সঠিক ভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে হবে। সাইটের ডিজাইন বা স্ট্রাকচার সুন্দর হলে তা ভিজিটরদের আকর্ষন করে তাই ডিজাইনের উপর গুরুত্ব দিতে হবে। ডিজাইনের ভিতর নিম্ন লিখিত বিষয় গুলো আছে কিনা তা দেখুন।

  1. নেভিগেশন বার : নেভিগেশন বার হচ্ছে ওয়েবসাইটের টপ বার। যেখানে কন্টাক্ট আস, এ্যাবউট আস সহ অন্যান্য তথ্য থাকে। এই নেভিগেশন বার আছে কিনা উল্লেখ করতে হবে।
  2. Fav-icon : ফেভিকোন বা ফেব আইকোন হচ্ছে সার্চ টেবে যে আইকোন বা লগো থাকে তাকে ফেভিকোন বা ফেব আইকোন বলে।সাচ টেবে আইকোন আছে কিনা তা উল্লেখ করতে হবে।
  3. ওজি প্রোপার্টি : ওজি প্রোপার্টি হচ্ছে বিভিন্ন সোসাল আইকোন। সাইটে বিভিন্ন সোসাল লিংক সম্বলিত আইকোন সেটাপ আছে কিনা্। তা উল্লেখ করতে হবে।
  4. আবশ্যকীয় পেজ : যে কোন ওয়েবসাইটে আবশ্যকীয় পেজ থাকে। যেমন: About Us, Contact Us, Privacy Policy ইত্যাদি পেজ থাকে। এই পেজ গুলো যে কোন ওয়েবসাইটে অবশ্যই থাকতে হয়। এই পেজ গুলো আছে কিনা উল্লেখ করতে হবে। থাকলে ভালো না থাকলে অডিটে উল্লেখ করতে হবে।

টেকনিক্যাল এস ই ও :

টেকনিক্যাল এস ই ও একটি সাইটের গুরুত্বপূর্ন বিষয়। টেকনিক্যাল বিষয় গুলো যথাযথ ভাবে করা হয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে হবে। টেকনিক্যাল বিষয় গুলো হচ্ছে :

  1. SSL সার্টিফেকেট : SSL সার্টিফেকেট হচ্ছে secure scat language. একটি সাইটের নিরাপত্তার জন্য SSL সার্টিফিকেট থাকা জরুরী। তাহলে সাইট দ্রুত র‌্যান্ক করবে। এই সার্টিফিকেট থাকলে আপনার সাইট হবে https. আর সার্টিফিকেট না থাকলে http হবে। আপনার সাইটে গুগুল এডসেন্স পেতে হলে SSL সার্টিফিকেট থাকতে হবে। SSL আছে কিনা ওয়েবসাইট অডিটে ‘Website Audit’ উল্লেখ করতে হবে।
  2. ব্রোকেন লিংক : ব্রোকেন লিংক হচ্ছে ডেথ লিংক। আপনার সাইটে রেফার করা কোন লিংক যখন কাজ করে না তখন তাকে ব্রোকেন লিংখ বলে। ব্রোকেন লিংক গুগুল র‌্যান্কের ক্ষেত্রে বাধার সৃষ্টি করে।
  3. রোবট টেক্সট ফাইল : রোবট টেক্সট ফাইল ওয়েবসাইটের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ন। আপনার সাইটে রোবট টেক্সট ফাইল সেটাপ করা থাকতে হবে। কোন পেজ ইনডেক্স করতে হবে আর কোন পেজ ইনডেক্স করতে হবে না তা রোবট বলে দেয়। সে অনুযায়ী ইনডেক্স করা হয়ে থাকে।
  4. Crawl error পেজ : ক্রাউল এ্যারোর হচ্চে কোন পেজ ইনডেক্স না হলে তাকে ক্রাউল এ্যারোর দেখায়। গুগুল বট পেজকে দেখতে না পারায় তা ইনডেক্স করতে পারে না। তাই দ্রুত সমাধানের ব্যবস্থা করতে হবে।
  5. মোবাইল ফ্রেন্ডলী : আপনার সাইট যদি মোবাইলে সঠিক ভাবে দেখা যায় তাহলে সাইটকে মোবাইল ফ্রেন্ডলী বলা হয়ে থাকে। আর যদি না দেখা যায় তবে মোবাইল ফ্রেন্ডলী নয়। তার সমাধান করতে হবে।
  6. 404 পেজ : 404 পেজ হচ্ছে কোন পেজ ভূল বশত বা অন্য কোন কারনে ডিলিট হয়ে যায়। কিন্তু তার লিংক যদি অন্য কোন পেজে দেওয়া থাকে।আর সে লিংকে ক্লিক করে যদি কেউ আপনার পেজে আসতে চায় তখন তাকে 404 পেজ বা Page not found দেখাবে। এই ধরনের পেজ সাইটের জন্য খুব ক্ষতিকর।
  7. পেজ লোডিং স্পীড : সাইট বা পেজের লোডিং স্পীড খুবই গুরুত্বপূর্ন বিষয়। সাইট বা পেজ যদি লোড হতে বেশি সময় নেয় তখন ভিজিটর হারানোর ভয় থাকে। তাই সাইটের লোডিং স্পীড বাড়াতে হবে। সাইট অডিটে উল্লেখ করতে হবে।
  8. থীন কন্টেন্ট : থীন কন্টেন্ট হচ্ছে খুব Poor কন্টেন্ট। কোন সাইটে যদি 500 শব্দের নিচে কোন কন্টেন্ট থাকে তখন তাকে থীন কন্টেন্ট বলে। থীন কন্টেন্ট সাইটের জন্য খুব খারাপ।
  9. ডুপ্লেকেট কন্টেন্ট : ডুপ্লেকেট কন্টেন্ট হচ্ছে একটি ওয়েবসাইটে একই ধরনের কন্টেন্ট দ্বিতীয়বার লিখা হয়েছে। যা গুগুলের কাছে কখনই গ্রহন যোগ্য না। ডুপ্লেকেট কন্টেন্ট সাইটের জন্য খুব ক্ষতিকর। তাই ডুপ্লেকেট কন্টেন্ট প্রত্যাহার করা উচিৎ।
  10. গুগুল এনালাইটিক : গুগুল এনালাইটিক একটি সাইটের জন্য খুবই উপকারী। গুগুল এনালাইটিকসের মাধ্যমে সাইটে কতজন ভিজিটর আসছে, কোন দেশ থেকে আসছে জানা যায়। তাছাড়া সাইটের বাউন্স রেট কত, সাইটে ভিজিটর কত সময় থাকছে ইত্যাদি তথ্য জানা যায়। সাইটে গুগুল এনালাইটিক যুক্ত করা হয়েছে কিনা অডিটে উল্লেথ করতে হবে।

উপরোক্ত তথ্য গুলো ওয়েব সাইটের মধ্যে থাকলে ভালো। আর যদি না থাকে অডিট রিপোর্টে তা উল্লেখ করতে হবে যে এই এই তথ্য গুলো ওয়েবসাইটে নেই দ্রুত ফিকসেশন করুন।

অনপেজ এস ই ও :

অনপেজ এস ই ও হচ্ছে ওয়েব সাইটের ভিতরে যে এস ই ও করা হয় তাকে অনপেজ এস ই ও করা বলে। অনপেজ এস ই ও ছাড়া ওয়েবসাইট গুগুলে রেন্ক করবে না। তাই সাইট অডিট করতে হলে দেখতে হবে অনপেজ এস ই ও সঠিক ভাবে করা হয়েছে কিনা। অনপেজ এস ই ও গুলো হচ্ছে :

  1. ডোমেন ও হোস্টিং সেটাপ করা : ডোমেন হোস্টিং সম্পর্কে আমরা মোটামুটি সবাই জানি। ডোমেন হচ্ছে সাইটের নাম আর হোস্টিং হচ্ছে সাইটের যাবতীয় তথ্য যেখানে রাখা হয়। এই ডোমেন হোস্টিং সাইটে সঠিক ভাবে সেটাপ করতে হবে।
  2. কিওয়ার্ড রিসার্চ করা : কিওয়ার্ড হচ্ছে ব্রাউজারে আমরা যা লিখে সার্চ করি তাই হচ্ছে কিওয়ার্ড। সাইটের র‌্যান্ক করার ক্ষেত্রে কিওয়ার্ড রিসার্চ করা অত্যন্ত জরুরী। কোন কিওয়ার্ডের সার্চ ভলিউম ভালো। কোন কিওয়ার্ডের কম্পিটিশন কম ইত্যাদি দেখে কিওয়ার্ড নির্বাচন করতে হবে। তবেই ওয়েবসাইট বা কোন পেজ গুগুলে ইনডেক্স হবে এবং রেন্ক করবে।
  3. Search console ইন্ডেক্স করা : কোন সাইট তৈরি করার পর গুগুলে ইনডেক্স করতে চাইলে সার্চ কনসোলের মাধ্যমে ইনডেক্স করতে হবে। আপনার সাইট ইনডেক্স করা হয়েছে কিনা অডিটে উল্লেখ করতে হবে।
  4. সাইট ম্যাপ তৈরী করা : কোন সাইটের সাইট ম্যাপ তৈরি করা না থাকলে সাইটকে সহজে খোজে পাওয়া যাবে না। তাই সাইটকে সহজে খোজে পেতে হলে সার্চ কনসোলের মাধ্যমে সাইট ম্যাপ সাবমিট করতে হবে।
  5. ম্যাটা ট্যাগ সেটাপ : ম্যাটা ট্যাগ হচ্ছে আপনার সাইট কি সম্পর্কে সে সম্পর্কিত কিছু শব্দ সাইটে থিমের মধ্যে সেটাপ করে দেওয়া। তাহলে সে শব্দ গুলোর মাধ্যমে সহজে আপনার সাইটকে খোজে পাওয়া যাবে।
  6. ম্যাটা ডিসক্রিপশন : ম্যাটা ডিসক্রেপশন হচ্ছে আপনার সাইট কি সম্পর্কে তা কিছু শব্দের মাধ্যমে উপস্থাপন করা। যা পড়ে সবাই বুঝতে পারবে যে সাইটটি কি নিশের উপর তৈরি করা হয়েছে। ম্যাটা ডিসক্রেপশন থিমের মধ্যে সেটাপ করতে হবে।
  7. পারমালিংক সেটাপ করা : পারমালিংক হচ্ছে আপনার সাইটের পেজের Url. আপনার সাইটের পেজের ইউ আর এল কেমন হবে তা সেট করে দিতে হবে। Url যেন এস ই ও ফ্রেন্ডলী হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

উপরের সকল তথ্য গুলো ওয়েবসাইট অডিট (Website Audit) রিপোর্টে উল্লেখ করতে হবে।ওয়েবসাইটের মধ্যে উপরোক্ত তথ্য গুলো থাকলে ভালো। না থাকলে উল্লেখ করতে হবে যে এই এই তথ্য গুলো আপনার সাইটে নেই। বিষয় গুলো সঠিক ভাবে ফিকসেশন করতে হবে।

অফপেজ এস ই ও করা :

ওয়েবসাইটের বাহিরে যে এস ই ও করা হয় তাকে অফপেজ এস ই ও বলে। ওয়েবসাইটে অফপেজ এস ই ও মানে আমরা ব্যাকলিংককে বুঝে থাকি। ওয়েবসাইটে ব্যাকলিংক আছে কিনা ? থাকলে কতটি ব্যাকলিংক আছে তার তথ্য দিন।

  1. ডু-ফলো ব্যাকলিংক : ডু-ফলো ব্যাকলিংক ওয়েবসাইটের জন্য কার্যকরি ব্যাকলিংক। ডু-ফলো ব্যাকলিংক লিংক জুস পাস করে, র‌্যান্ক বৃদ্ধি করে এবং ভিজিটর বৃদ্ধিতে ব্যাপক সহায়তা করে থাকে। তাই সব সময় ডু-ফলো ব্যাকলিংক দেওয়ার চেষ্টা করবেন। অডিট রিপোর্টে ডু-ফলো ব্যাকলিংক কতটি তার সংখ্যা উল্লেখ করবেন।
  2. নো-ফলো ব্যাকলিংক : নো-ফলো ব্যাকলিংক খুব একটা ইফেক্টিভ না। তবে ভিজিটর বৃদ্ধিতে সহায়তা করে থাকে। অডিটে নো-ফলো ব্যাকলিংক কতটি আছে তাও উল্লেখ করতে হবে।

কন্টেন্ট এস ই ও করা :

কন্টেন্ট হচ্ছে আমরা ওয়েবসাইটে যা কিছু উপস্থাপন করে থাকি তাই হচ্ছে কন্টেন্ট। আর্টিকেল, ইমেজ, ভিডিও ইত্যাদি এক একটি কন্টেন্ট। এই কন্টেন্ট এস ই ও অপটিমাইজ কিনা তার সকল তথ্যের লিস্ট ওয়েবসাইট অডিট (Website Audit) রিপোর্টে উপস্থাপন করতে হবে।

  1. টাইটেল অপটিমাইজ করা : কন্টেন্টের টাইটেল অপটিমাইজ করতে হবে। কন্টেন্টের টাইটেল 50 থেকে 60 ক্যারেকটারের মধ্যে হওয়া উচিৎ।
  2. HTML ট্যাগ : HTML ট্যাগ হচ্ছে হেডার ট্যাগ। আপনার কন্টেন্টের মধ্যে H1 ট্যাগ থেকে শুরু করে H6 পর্যন্ত ট্যাগ থাকতে পারবে।যা বিভিন্ন হিডিংয়ে ব্যবহার করতে পারবেন।
  3. ইমেজ অল্টার ট্যাগ : ইমেজ একটি সাইটের পরিচিতি বৃদ্ধি করে। তাই ইমেজে অল্টার ট্যাগ থাকা আবশ্যক। ইমেজ অল্টার ট্যাগ হচ্ছে ইমেজের নাম বা ক্যাপশন ব্যবহার করা। তাই ইমেজ রিলেটেড ক্যাপশন ব্যবহার করতে হবে। যাকে ইমেজ অল্টার ট্যাগ বলা হয়ে থাকে।
  4. ইন্টারনাল লিংক : ইন্টারনাল লিংক হচ্ছে কন্টেন্টের মধ্যে আপনার নিজের ওয়েব সাইটের অন্য একটি পেজের লিংক ব্যবহার করা। যাতে এই লিংকের মাধ্যমে আপনার সাইটের অন্যপেজে ভিজিটর যেতে পারে। তাতে আপনার ওয়েব সাইটের বাউন্স রেট কমে যাবে।
  5. আউটবাউন্ট লিংক : আউটবাউন্ট লিংক হচ্ছে আপনার সাইটে আপনার সাইট সমজাতীয় অন্য কোন সাইটের লিংক সেটাপ করে দেওয়া। যাতে এক সাইট থেকে আরেক সাইটে জুস পাস হতে পারে। এতে আপনার সাইটের ভিজিটর বৃদ্ধি পেতে পারে।
  6. কিওয়ার্ড ডেন্সিটি : কিওয়ার্ড ডেন্সিটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন। আপনার আর্টিকেলে কতটি শব্দ রয়েছে সে অনুপাতে ফোকাস কিওয়ার্ড থাকতে হবে। শতকরা 3% ফোকাস কিওয়ার্ড থাকতে পারে।
  7. ফোকাস কিওয়ার্ড : ফোকাস কিওয়ার্ড একটি সাইটকে র‌্যান্ক পেতে সহায়তা করে থাকে। তাই সঠিক ফোকাস কিওয়ার্ড সেট করা উচিৎ। ফোকাস কিওয়ার্ড টাইটেলে অবশ্যই থাকতে হবে। এছাড়া প্রথম প্যারা এবং শেষ প্যারাতেও থাকা উচিৎ।
  8. রিডাবিলিটি : কন্টেন্টে রিডাবিলিটি ঠিক রাখা উচিৎ। বাক্যের ল্যান্থ 25% শব্দের বেশি হওয়া উচিৎ না। প্যারাগ্রাফ 300 শব্দের হওয়া উচিৎ। বাক্যটি যেন প্যাসিভ ভয়েস হয় সে দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। কন্টেন্টের রিডাবিলিটি ঠিক রাখতে পারলে দ্রুত ইনডেক্স হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

অডিট রিপোর্টে উপরোক্ত তথ্য গুলোর লিস্ট তৈরি করে অডিট করা উচিৎ। এছাড়া্ও আপনি অতিরিক্ত তথ্যও যোগ করতে পারেন। আবার কোন তথ্য বিয়োগ করতে চাইলে তাও করতে পারেন।

পড়ুন :

কিভাবে অনপেজ এস ই ও করবেন

লোকাল এস ই ও কিভাবে করবেন

শেষ কথা :

পরিশেষে কথা হচ্ছে ওয়েবসাইট অডিট (Website Audit) করার ধরা বাধা কোন নিয়ম নেই। তবে একটি ওয়েবসাইটে অত্যাবশ্যকীয় বিষয়ের তালিকা তৈরি করে রিপোর্ট প্রদান করাই হচ্ছে ওয়েবসাইট অডিটের মুখ্য বিষয়। একটি ওয়েবসাইটের র‌্যান্ক করার ক্ষেত্রে যে যে বিষয় গুলো ভুমিকা পালন করে থাকে সে গুলোকে চিহ্নিত করে তালিকা প্রনয়ন করা। যাতে সে গুলো সঠিক ভাবে সমাধান করলে একটি ওয়েব সাইট গুগুলে র‌্যান্ক করে এবং অসংখ্য ভিজিটর ওয়েবসাইটে আসে। ভিজিটর হচ্ছে ওয়েবসাইটে প্রান। একটি ওয়েবসাইটে ভিজিটর পেতে এবং গুগুলে র‌্যান্ক পেতে যে বিষয় গুলো সলভট করার প্রয়োজন তার একটি তালিকা প্রনয়ন করাই হচ্ছে ওয়েবসাইট অডিট করা।

Related posts

Leave a Comment