সোসাল মিডিয়া মার্কেটিং কি এবং কিভাবে Social Media Marketing করা হয়

Social Media Marketing

অনলাইন মার্কেটিং বলতে আমরা সোসাল মিডিয়া মার্কেটিংকে (Social Media Marketing) বুঝে থাকি। সোসাল মিডিয়া মার্কেটিং বর্তমানে বেশ জনপ্রিয় উঠেছে। সোসাল মিডিয়া গুলো প্রথমত: বন্ধু বান্ধবদের সাথে চ্যাটিং বা তথ্য আদান প্রদানের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও বর্তমানে ব্যবসা কেন্দ্রিক হয়ে দাড়িয়েছে। সোসাল মিডিয়ার মাধ্যমে জমজমাট ব্যবসা শুরু করা হয়েছে। কুরবানীর হাটের গরু বিক্রি থেকে শুরু করে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যসহ প্রায় সকল ধরনের পন্য সোসাল মিডিয়ায় মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে বেচা-কেনা করা হয়ে থাকে। তাই আজকে আমরা জানবো সোসাল মিডিয়া মার্কেটিং কি এবং কিভাবে সোসাল মিডিয়া মার্কেটিং করা হয়। আশা করি কিছু সময় নিয়ে আর্টিকেলটি মনোযোগ সাহকারে পড়ার চেষ্টা করবেন। যদি মনোযোগ সহকারে আর্টিকেলটি পড়েন তাহলে আমার বিশ্বাস কিভাবে সোসাল মিডিয়া মার্কেটিং করতে হয় তার গোপন কৌশল গুলো সম্পর্কে জানতে পারবেন।

সোসাল মিডিয়া কি :

সোসাল মিডিয়া শব্দের অর্থ হচ্ছে সামাজিক মাধ্যম। সামাজিক ভাবে তথ্য আদান-প্রদান, একে অপরের সাথে চ্যাটিং বা কথা বার্তা আদান প্রদান করাকে সোসাল মিডিয়া বলা হয়ে থাকে। সোসাল মিডিয়া এমন এক প্লাটফর্ম যার মাধ্যমে আপনার বন্ধু বান্ধবের সাথে চ্যাটিং, ম্যাসেজ, ভিডিও শেয়ারিং, ফটো শেয়ারিং, ভিডিও কল ইত্যাদি করতে পারবেন। এক সময় যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম ছিল চিঠি। চিঠির মাধ্যমে একে অপরের সাথে যোগাযোগ বা তথ্য আদান প্রদান করা হতো। কিন্তু বর্তমান যুগ ডিজিটাল যুগ বা অনলাইনের যুগ। তাই অনলাইনের মাধ্যমে তথ্য আদান প্রদাান করা হয়ে থাকে। আর অনলাইনের মাধ্যম গুলো হচ্ছে ফেসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রাম, লিংকদিন ইত্যদি। বর্তমানে এই প্লাটফর্ম গুলোর মাধ্যমে তথ্য আদান প্রদান করা হয়ে থাকে। তাই এদেরকে সোসাল মিডিয়া বলা হয়ে থাকে। সোসাল মিডিয়াকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বলা হয়ে থাকে।

সোসাল মিডিয়া মার্কেটিং (Social Media Marketing) কি :

অনলাইনে মার্কেটিং করতে হলে সোসাল মিডিয়া মার্কেটিংয়ের স্বরনাপন্ন হতে হবে। সোসাল মিডিয়া ছাড়া অনলাইনে মার্কেটিং করা সম্ভব না। প্রথমে জানতে হবে মার্কেটিং কি ? মার্কেটিং হচ্ছে কোন পন্যের বা সার্ভিসের প্রচার প্রচারনা করাকে মার্কেটিং বলা হয়ে থাকে। আর সোসাল মিডিয়া মার্কেটিং হচ্ছে সোসাল মিডিয়ার মাধ্যমে কোন পন্যের বা সার্ভিসের প্রচার প্রচারনা করাকে সোসাল মিডিয়া মার্কেটিং বলা হয়ে থকে। সোসাল প্লাটফর্ম গুলো হচ্ছে ফেসবুক, টুইটার, ইনিস্টাগ্রাম, পিন্টারেস্ট, লিংকদিন, ইউটিউব ইত্যাদি। এই সোসাল প্লাটফর্ম গুলোর মাধ্যমে মার্কেটিং করাকে সোসাল মিডিয়া মার্কেটিং বলা হয়ে থাকে। সোসাল প্লাটফর্ম গুলোর স্ট্রাটিজি একেকটার একেক রকম হয়ে থাকে। তাই আপনার ব্যবসার ধরন অনুযায়ী সোসাল প্লাটফর্ম চয়েজ করতে হবে। সেই প্লাটফমের স্ট্রাটিজি ফলো করে আপনাকে ব্যবসা পরিচালনা করতে হবে।

সোসাল মিডিয়ায় মার্কেটিং Social Media Marketing) পদ্ধতি :

সোসাল মিডিয়ায় মার্কেটিংয়ের বিভিন্ন পদ্ধতি রয়েছে। বিভিন্ন ধরনের স্ট্রাটিজি রয়েছে। আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে কোন স্ট্যাটিজি ফলো করলে অন্যদের থেকে এগিয়ে যাওয়া যাবে এবং ব্যবসায় সফলতা বয়ে আনা সম্ভব হবে। সোসাল মিডিয়ায় ব্যবসা করতে হলে আপনাকে সোসাল প্লাটফর্ম গুলোর স্ট্র্যাটিজি সম্পর্কে ভালো ভাবে জেনে নিতে হবে। তারপর আপনার ব্যবসার ধরন অনুযায়ী প্লাটফর্ম নির্বাচন করে ব্যবসায় অগ্রসর হতে হবে। তো চলুন জেনে নেয়া যাক কোন পদ্ধতিতে সোসাল মিডিয়ায় মার্কেটিং করলে সফলতা বয়ে আনা সম্ভব।

  1. সঠিক সোসাল মিডিয়া নির্বচন করা : প্রথমে আপনাকে সঠিক সোসাল প্লাটফর্ম নির্বাচন করতে হবে। আপনি কোন প্লাটফর্মে ব্যবসা পরিচালনা করতে চান। হতে পারে ফেসবুক মার্কেটি, হতে পারে টুইটার মার্কেটি, বা ইউটিউব মার্কেটিং। আপনার পন্যের ধরন অনুযায়ী প্লাটফর্ম নির্বাচন করা উচিত। আপনি যখন ব্যবসার জন্য প্লাটফর্ম নির্বাচন করবেন তখন নিজেকে প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করবেন। প্রশ্ন গুলো হলো – 1. আপনি কোন লোকেশন টার্গেট করবেন। 2. কোন সোসাল প্লাটফর্ম আপনার টার্গেটেট অডিয়েন্স বেশী ব্যবহার করে থাকে। 3. কোন সোসাল প্লাটফর্ম ব্যবহার করলে দ্রুত টার্গেটেড কাস্টমারের কাছে পৌছা যাবে। এই বিষয় গুলো মাথায় রেখে সঠিক সোসাল মিডিয়া নির্বাচন করতে হবে।
  2. সোসাল মিডিয়ার নিয়ম অনুসারে কাজ করা : প্রতিটি সোসাল প্লাটফর্মের কিছু নিয়ম কানুন রয়েছে। আপনি যখন কোন সোসাল প্লাটফর্ম নির্বাচন করবেন তখন তার নিয়ম অনুসরন করে কাজ করতে হবে। ধরুন, আপনি ব্যবসার জন্য ফেসবুক প্লাটফম নির্বাচন করলেন। তখন আপনাকে ব্যবসার জন্য একটি বিজনেস পেজ খুলতে হবে। পেজে লোগো সেট করতে হবে। কভার ফটো সেট করতে হবে এবং অন্যান্য তথ্য দিয়ে সেটাপ করতে হবে। এছাড়া ফেসবুক গ্রুপ খুলতে হবে। তাহলে আপনি সঠিক ভাবে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারবেন। আবার ধরুন, আপনি ইউটিউব প্লাটফর্ম নির্বাচন করলেন। তখন আপনাকে একটি ইউটিউব চ্যানেল খুলতে হবে। লোগো, চ্যানেল আর্ট সেটাপ করতে হবে। এছাড়া চ্যানেলকে সঠিক ভাবে এস ই ও করতে হবে। মোট কথা আপনি যে প্লাটফর্ম নির্বাচন করেন না কেন তার নিয়ম অনুসরন করে আপনাকে কাজ করতে হবে। তবেই আপনার ব্যবসায় সফলতা বয়ে আনতে পারবেন।
  3. প্রমোশন বা প্রচার করা : শুধু ব্যবসাকে দাড় করালেই হবে না। ব্যবসাকে সঠিক ভাবে প্রমোশন বা প্রচার করতে হবে। মনে রাখবেন প্রচারেই প্রসার। আর ব্যবসার যখন প্রসার ঘটবে তখন সেল বেশি হবে এবং সফলতা আসবে। তাই ব্যবসার সফলতা বয়ে আনতে হলে বেশি বেশি প্রচার করতে হবে। বিভিন্ন সোসাল মিডিয়াতে প্রচার বা শেয়ার করতে হবে। আপনার অডিয়েন্সের কাছে দ্রুত পৌছাতে বিজ্ঞাপন ব্যবহার করতে হবে এবং প্রয়োজনে পেইড প্রমোশন করতে হবে।

পড়ুন :

ঘরে বসে অনলাইনে ইনকাম করুন

কিভাবে ডাটা এন্ট্রি করবেন

কিভাবে সোসাল মিডিয়া মার্কেটিং (Social Media Marketing) করা হয় :

অনলাইনে ব্যবসা পরিচালনা করার জন্য সোসাল মিডিয়ায় অনেক প্লাটফর্ম রয়েছে। যে গুলোর সাহায্যে সহজে ব্যবসা পরিচালনা করা যায়। শুধু আপনাকে সঠিক প্লাটফর্ম নির্বাচন করতে হবে। সেই প্লাটফর্মের নিয়ম অনুসরন করে সহজে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারবেন। অনলাইনে ব্যবসা পরিচালনা করার জন্য জনপ্রিয় 10টি সোসাল প্লাটফর্ম আপনাদের সামনে তোলে ধরার চেষ্টা করছি। এই প্লাটফর্ম গুলো ব্যবহার করে সহজে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারবেন।

1, ফেসবুক মার্কেটিং : https://www.facebook.com/

সোসাল মিডিয়ার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ফেসবুক। ফেসবুক চেনে না এমন মানুষ কমই পাওয়া যাবে। ফেসবুকে লক্ষ লক্ষ মানুষের আগমন ঘটে থাকে। এক জরিপ অনুযায়ী জানা যায় প্রতিদিন 1. 15 বিলিযন মানুষ ফেসবুকে বিচরন করে থাকে। ফেসবুক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হিসাবে আবিভূত হলেও বর্তমানে ব্যবসায়িক উদ্দ্যেশে পরিচালিত হচ্ছে। ফেসবুকের মাধ্যমে হাজার হাজার প্রতিষ্ঠান ব্যবসা পরিচালনা করে অর্থ ইনকাম করছে। আপনিও চাইলে ফেসবুকের মাধ্যমে ব্যবসা পরিচালনা করে অর্থ ইনকাম করতে পারেন। ফেসবুক মার্কেটিং করতে চাইলে আপনার একটি ফেসবুক আইডি থাকতে হবে। সেই আইডির অধীনে একটি ফেসবুক পেজ খুলতে হবে। পেজটাকে সুন্দর করে সাজাতে হবে। এছাড়া একটি ফেসবুক গ্রুপ খুলতে হবে। গ্রুপে ফ্যান ফলোয়ার বাড়াতে হবে। এই ফেসবুক পেজ ও গ্রুরুপের মাধ্যমে ব্যবসা পরিচালনা করে অর্থ ইনকাম করতে পারবেন। প্রথমে সঠিক প্রোডাক্ট নির্বাচন করতে হবে। তারপর ফেসবুকে আপনার নির্দিষ্ট কাষ্টমারকে লক্ষ করে প্রচার চালাতে হবে। ফেসবুকে ফ্রি সার্ভিস ও পেইড সার্ভিস দুই ভাবেই ব্যবসা পরিচালনা করতে পারবেন।

2. টুইটার মার্কেটিং : https://twitter.com

টুইটারের জনপ্রিয়তা সারা বিশ্ব জুড়ে রয়েছে। তবে ফেসবুকের পরই টুইটারের স্থান। টুইটার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। টুইটা্র 2006 সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। জ্যাক ডর্সি টুইটারের প্রতিষ্ঠাতা। টুইটারের ভক্ত তুলনামুলক ভাবে বাংলাদেশে কম। এই টুইটারের মাধ্যমে মার্কেটিং করে অর্থ ইনকাম করতে পারেন। টুইটারেও দুই ধরনের ভার্সন রয়েছে। ফ্রি ভার্সন রয়েছে আবার পেইড ভার্সন রয়েছে। টুইটার ব্যবহারকারীদের নিকট বিজ্ঞাপন পৌছে দেওয়ার নিয়মকে টুইটার মার্কেটিং বলে। টুইটারে অডিও, ভিডিও, ও টেক্সেটের মাধ্যমে প্রচার চালাতে পারবেন।

3. ইনিস্টাগ্রাম মার্কেটিং : https://www.instagram.com

বর্তমান সময়ের অন্যতম জনপ্রিয় ফটো শেয়ারিং সোসাল মার্কেটিং প্লেস হচ্ছে ইনিস্টাগ্রাম। ইন্টারনেট ব্যবহারকরীর মধ্যে প্রতিদিন 20% জনগন ইনিষ্টাগ্রাম প্লাটফর্ম ব্যবহার করে থাকে। প্রায় 400 মিলিয়ন মানুষ ইনিস্টগ্রাম ব্যবহার করে থাকে। এখানে আপনার প্রোডাক্টের ছবি শেয়ারিং করে মার্কেটিং করতে পারেন। আপনার প্রোডাক্ট রিলেটেড বিজ্ঞাপন তৈরি করে প্রচার করতে পারেন। ইনিস্টাগ্রাম মার্কেটিংয়ের কিছু পদ্ধতি রয়েছে সে গুলো ব্যবহার করে আপনাকে মার্কেটিং করতে হবে।

4. লিংকদিন মার্কেটিং : https://www.linkedin.com

লিংকদিন একটি প্রফেশনাল নেটওয়ার্কিং সাইট। এখানে প্রফেশনাল বায়ারের আগমন ঘটে। এখানে প্রফেশনাল একাউন্ট তৈরি ও কমিউনিটি তৈরি করতে পারবেন। লিংকদিন আপনার পন্যের ব্যান্ড ও আইডেন্টি তৈরি করা সুযোগ দিয়ে থাকে। তৈরিকৃত ব্যান্ডকে নিজের মতো করে সাজাতে পারবেন এবং ব্যান্ডের জন্য গ্রুপ তৈরি করতে পারবেন। লিংকদিনে প্রডাক্টের ধরন অনুযায়ী আপনার ক্রেতা খোজে নিতে পারবেন।

5. ইউটিউব মার্কেটিং : https://www.youtube.com/

ইউটিউ হচ্ছে বিশের সর্ব বৃহৎ ভিডিও শেয়ারিং প্লাটফর্ম । এখন ইউটিউব ব্যবহারকারীর সংখ্যা মাসিক 2 বিলিউন। গড়ে প্রতিদিন প্রত্যেক ব্যবহারকারী 40 মিনিট ইউটিউবে অবস্থান করে থাকে। ইউটিউব মার্কেটিং করতে হলে আপনার একটি ইউটিউব চ্যানেল থাকতে হবে। চ্যানেলটাকে সুন্দর করে সাজাতে হবে। তারপর আপনার প্রোডাক্ট সম্পর্কিত ভিডিও তৈরি করে আপলোড করতে হবে। ভিডিওতে সুন্দর থাম্বলিন দিতে হবে এবং ভিডিওকে এস ই ও করতে হবে। ভিডিও যত ইউনিক হবে ততো মানুষকে আকর্ষন করবে। মানুষকে যত আকর্ষন করবে ততো ভিউ এবং সাবম্ক্রইব বাড়বে। তখন আপনার চ্যানেলের প্রসার ঘটবে এবং প্রোডাক্ট সেল বৃদ্ধি হওয়ার সম্ভবানা বেড়ে যাবে।

কিভাবে ইউটিউব থেকে আয় করবেন

6. পিন্টারিস্ট মার্কেটিং : https://www.pinterest.com/

পিন্টারিস্ট একটি ভার্চুয়াল সোসাল সাইট। এখানে ইমেজের মাধ্যমে আপনার প্রোডাক্ট মার্কেটিং করতে হবে। পিন্টরিস্টে সোসাল মার্কেটিং করতে চাইলে প্রথমে একটি বোর্ড গঠন করতে হবে। তারপর পিন করতে হবে। এই নেটওয়ার্কে আপনার বিজনেস প্রোফাইল তৈরি করতে হবে। আপনার সোসাল প্রোফাইলের লিংক যুক্ত করতে হবে। পিন্টারিস্ট একটি দ্রুততম জিনপ্রিয় সোসাল সাইট।

7. কোরা মার্কেটি : https://www.quora.com/

কোরা একটি Question And Answer সাইট। এখানে বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন করা হয় এবং তার উত্তর দেওয়া হয়ে থাকে। আপনি যে কোন বিষয়ে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনার প্রশ্নে উত্তর বিভিন্ন বিশেষেজ্ঞরা দিয়ে থাকেন। আপনিও তাদের মনোনীত ব্যক্তি হলে আপনিও তাদের প্রশ্নে উত্তর দিতে পারবেন। আপনি এখানে মার্কেটিং করতে চাইলে এই সব প্রশ্নের উত্তর দিয়ে সেখানে আপনার প্রোডাক্টের লিংক বসিয়ে দিতে পারবেন। সেই লিংকের মাধ্যমে আপনার প্রোডাক্ট পেজে এসে আপনার পন্য ক্রয় করতে পারে।

8. হোয়াটসঅ্যাপ মার্কেটিং : https://www.whatsapp.com/

হোয়াট্অ্যাপ এমনি একটি ম্যাসেজিং আ্যাপ যা প্রত্যেকের মোবাইলে ইনস্টল করা আছে। এই আ্যাপসের বিশ্বে আলাদা পরিচিতি রয়েছে। যা সবার নিকট পরিচিতি বহন করে। হোয়াটসআ্যাপ তার ইউজারদের ভিডিও শেয়ার, ফটো শেয়ার, লোকেশন শেয়ার, ভিডিও কল, অডিও কল ইত্যাদি ফিচার গুলো প্রদান করে থাকে। হোয়াটস আ্যপের মাধ্যমে সবসময় আপনার পরিবার পরিজন এবং বন্ধুদের সাথে কাছে থাকোর সুয়োগ তৈরি হয়ে থাকে। এই হোটস আ্যাপের মাধ্যমে আপনার পন্য ভিডিও শেয়ারিং ও ভিডিও কলের মাধ্যমে সেল করতে পারেন।

9. রেডিট মার্কেটিং : https://www.reddit.com/

রেডিট একটি আমেরিকান সোসাল সাইট। এটি আমেরিকার জনগন বেশি ব্যবহার করে থাকে। এই রেডিটের মাধ্যমে খবর, তথ্য ও বিনোদন ইত্যাদি প্রদান করা হয়ে থাকে। রিডেট আপভোট ও ডাউন ভোটের মাধ্যমে আপনার পরিচিতি বহন করে। এখানেও আপনার পন্য ও সার্ভিস শেয়ার করতে পারেন। রেডিটের কিছু নিয়ম কানুন রয়েছে যার মাধ্যমে আপনাকে মার্কেটিং করতে হবে।

10. স্নাপচ্যাট মার্কেটিং : https://www.snapchat.com/

স্নাপচ্যাট একটি ফটো শেয়ারিং সাইট। এই আ্যাপটি শুধু বন্ধুদের মাঝে ফটো শেয়ারিং সাইট নয় বরং মার্কেটিং সাইটও বটে। ব্যবসার ক্ষেত্রে একটি উপযোগী সাইট। ব্যবসার জন্য মার্কেটিং করতে পারবেন। স্নাপচ্যাটে দৈনিক 100 মিলিয়ন মানুষের আগমন ঘটে। স্লাপচ্যাট একটি বহুল প্রচলিত আ্যাপ। যা সহজে ডাউনলোড করে ব্যবহার করতে পারবেন। স্নাপচ্যাটের কিছু সুনির্দিস্ট পদ্ধতি রয়েছে যার মাধ্যমে মার্কেটি করতে হবে।

পড়ুন :

কিভাবে ফেসবুক মার্কেটিং করবেন

কিভাবে ডিজিটাল মার্কেটিং করবেন

শেষ কথা :

পরিশেষে কথা হচ্ছে সোসাল মিডিয়া মার্কেটি (Social Media Marketing) করতে হলে সোসাল সাইট গুলো সম্পর্কে সঠিক ধারনা থাকতে হবে। কিভাবে ফেসবুক মার্কেটিং করতে হবে। কিভেবে টুইটার মার্কেটিং করতে হবে। কিভাবে ইউটিউব মার্কেটি করতে হবে। এই সাইট গুলোর নির্দিষ্ট নিয়ম কানুন ফলো করে আপনাকে মার্কেটিং করতে হবে। অন্যথায় আপনার আইডি ব্যান্ড করে দিতে পারে। তাই সঠিক ভাবে আই ডি খুলতে হবে এবং আইডি ভেরিফাই করতে হবে। তারপর আপনার প্রোডাক্ট প্রোমোশন করে মার্কেটিং করতে হবে। সর্বোপরি কথা হচ্ছে আপনি যে সাইটে মার্কেটিং করবেন সে সাইট সম্পর্কে জেনে বুঝে সঠিক ভাবে মার্কেটিং করবেন। তবেই আপনি কাঙ্খিত সফতা বয়ে আনতে পারবেন।

Related posts

One Thought to “সোসাল মিডিয়া মার্কেটিং কি এবং কিভাবে Social Media Marketing করা হয়”

  1. Hello my family member! I wish to say that this article is awesome, great written and include approximately all significant infos. I would like to peer extra posts like this .

Leave a Comment