রাউটার (Router) কি এবং রাউটার কত প্রকার কি কি বিস্তারিত

Router

বর্তমান বিশ্ব ইন্টারনেট বিশ্ব। গোটা বিশ্বে ইন্টারনেটের ছড়াছড়ি। ইন্টারনেট ছাড়া বিশ্ব অচল। আমরা ইন্টারনেটের উপর নির্ভরশীল। আর এই ইন্টারনেটকে প্রভাইড করার জন্য প্রয়োজন রাউটার। রাউটারের মাধ্যমে সহজে ইন্টারনেটকে ব্যবহার করা যায়। রাউটারের মাধ্যমে ব্রডব্যান্ড লাইন থেকে ইন্টারনেট সংগ্রহ করে বিভিন্ন ডিভাইসে প্রভাইড করা যায়। রাউটার দিয়ে ইন্টারনেট একসেস করা হয়। রাউটার নির্দিষ্ট কেবলের মাধ্যমে ইন্টারনেট রিসিভ করে এবং তার বিহিন ভাবে বিভিন্ন ডিভাইসে ছড়িয়ে দিয়ে থাকে। আজকে আমরা আলোচনা করবো রাউটার (Router) কি এবং রাউটার কত প্রকার কি কি বিস্তারিত।

রাউটার (Router) কি :

রাউটার হচ্ছে একটি ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস। যা নেটওয়ার্কের কাজে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এক বা একাধিক কম্পিউটার বা ডিভাইসের সাথে সংযোগ করে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। তার বিহিন ভাবে ব্যবহার করা যায়। এক নেটওয়ার্ক থেকে আরেক নেটওয়ার্কে ডাটা প্রেরনকে বলা হয়ে থাকে রাউটিং। যে ডিভাইস রাউটিংয়ের কাজে ব্যবহার করা হয়ে থাকে তাকে রাউটার বলে। সহজ ভাবে বলা যায় এক নেটওয়ার্ক থেকে অন্য নেটওয়ার্কে সংযুক্ত করা এবং ডাটা প্যাকেট নেটওয়ার্ক থেকে অন্য নেটওয়ার্কে রাউট করার কাজে ব্যবহৃত ডিভাইসকে বলা হয়ে থাকে রাউটার।

রাউটার কত প্রকার কি কি :

রাইটার বিভিন্ন ডিভাইসকে সংযুক্ত করে থাকে। ব্রডব্যান্ড লাইন থেকে ইন্টারনেট সিগন্যাল ক্যাচ করে বিভিন্ন ডিভাইসে ছড়িয়ে দিয়ে থাকে। রাউটারের কাজ হচ্ছে তার বিহিন ভাবে এক নেটওয়ার্ক থেকে আরেক নেটওয়ার্কে ডাটা সংযুক্ত করা। যা একই সময়ে বিভিন্ন ডিভাইসে ছড়িয়ে থাকে। রাউটার বিভিন্ন প্রাকারের হয়ে থাকে। রাউটারের প্রকারভেদ নিচে তুলে ধরা হলো।

১. ব্রডব্যান্ড রাউটার ( Broadband ) :

ব্রডব্যান্ড রাউটার উচ্চ স্পীড সম্পূন্ন ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপন করে থাকে। অধিক পরিমান কম্পিউটার, ল্যাপটপ ও মোবাইলের সাথে সংযোগ স্থাপন করা যায়। ইহা সংযোগ করতে কেবল বা তারের প্রয়োজন হয়। এই রাউটার ব্যবহারের ফলে দ্রুত ইন্টারনেট সেবা প্রদান বা গ্রহন করা যায়।

২. ওয়ারলেস রাউটার ( Wireless ) :

ওয়ারলেস রাউটার কম্পিউটার, ল্যাপটপ, মোবাইলে তার বিহিন ভাবে ব্যবহার করা যায়। তবে নির্দিষ্ট এরিয়া নির্ধারন করা থাকে। নির্দিষ্ট এরিয়ার মধ্যে ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপন করা য়ায়। ব্রডব্যান্ডের চেয়ে ওয়ারলেস রাউটার সাধারনত বেশি ব্যবহার করা হয়ে থাকে। বাসা-বাড়ী, স্কুল-কলেজে সাধারনত এই ধরনের রাউটার ব্যবহার করা হয়ে থাকে। ওয়ারলেস রাউটারে পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা যায়। এতে ব্যবহারে অনেকটা নিরাপদ রাখা সম্ভব হয়।

৩. ক্রোড় রাউটার ( Core ) :

ক্রোড় রাউটার পাউয়ার ফূল রাউটার। অধিক ক্ষমতা সম্পূন্ন রাউটার। অনেক গুলো রাউটার এক সংগে যুক্ত করে ব্যবহার করা যায়। এই ধরনের রাউটার সাধারনত বড় বড় শিল্প প্রতিষ্ঠান গুলোতে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। একাধিক কম্পিউটারের মধ্যে সংযোগ দেওয়া হয়ে থাকে।

৪. ইন্টারনেট প্রভাইডার রাউটার ( Internet Provider Router ) :

এই ধরনের রাউটারের সাথে আই পি এস সংযোগ করে ব্যবহার করতে হয়। পরস্পরকে সংযুক্ত করার জন্য ইন্টারনেট প্রাভাইডার রাউটার ব্যবহার করা হয়ে থাকে। যা ব্যবহারের ক্ষেত্রে সুবিধাজনক হয়।

৫. ইডেগ রাউটার ( Edge Router ) :

এই রাউটার ইন্টারনেট পোরটোকলের সাথে bgb এর isp এর কনফিগার করা থাকে। এই রাউটারকে বিভিন্ন ইন্টারনেট সার্ভিসের পাশে রাখা হয়ে থাকে। ব্যবহার উপযোগী করে তোলার জন্য।

৬. পকেট রাউটার ( Pocket Router ) :

পকেট রাউটার সাধরনত ছোট বলে পকেটে রাখা যায়। যেখানে সেখানে বহন করা যায়। তাই একে পকেট রাউটার বলা হয়ে থাকে। পকেট রাউটার ব্যবহার করতে সিমের প্রয়োজন হয়। আপনি যে কোম্পানীর রাউটার ক্রয় করবেন সেই কোম্পানীর সিম সংযোগ করা থাকে। এই রাউটার ব্যবহার করতে ডাটা ব্যবহার করতে হবে।

পড়ুন :

কিভাবে আমাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং করবেন

শেষ কথা :

ইন্টারনেটের ব্যবহার আমরা কম বেশি সবাই করে থাকি। তাই রাউটারের (Router) সাথে আমরা বেশ পরিচিত। বাসা বাড়ি, অফিস আদালত, স্কুল কলেজ, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান প্রায় সব জায়গায় আমরা ইন্টারনেট ব্যবহার করে থাকি। আর এই ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য উপযুক্ত মাধ্যম হচ্ছে রাউটার। তাই রাউটার ক্রয় করতে দেখে শুনে, বুঝে শুনে উপযুক্ত রাউটার ক্রয় করতে হবে। যার সার্ভিস ভালো। অর্থাৎ নেটওয়ার্ক সার্ভিস ভালো দেয় এমন রাউটার ক্রয় করা উচিত।

Related posts

Leave a Comment