মেয়েদের অনলাইন ইনকাম (Girls Online Income) করার 10টি উপায়

Girls Online Income

কোন প্রকার ইনভেস্ট ছাড়া ঘরে বসে মেয়েরা অনলাইন ইনকাম (Girls Online Income) করতে পারেন। বর্তমান সমাজে মেয়েদের ঘরের বাহিরে যাওয়া অনেকে পছন্দ করেন না। তাই মেয়েরা ইচ্ছা করলে ঘরে বসে অনলাইন থেকে সহজে ইনকাম করতে পারেন। অনলাইনে ইনকাম করার হাজারো উপায় আছে। তার মধ্যে থেকে সেরা 10টি উপায় আপনাদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করছি। এই উপায় গুলো থেকে যদি 1টি মাত্র উপায় সঠিক ভাবে ইউটিলাইজ করতে পারেন তাহলে আপনি অনলাইন থেকে ইনকাম করতে পারবেন। অনলাইন থেকে ইনকাম করা কঠিন কোন বিষয় নয়। আপনিও ইচ্ছ করলে অনলাইন থেকে ইনকাম করতে পারবেন। চাই শুধু ইচ্ছা শক্তি ও অধ্যবসায়। আপনার যদি ইচ্ছা শক্তি থাকে আর সময় দিতে পারেন তাহলে আপনিও অনলাইন থেকে ইনকাম করতে পারবেন। বর্তমানে নারী জাগরনের ফলে নারীরা স্বাধীনতা চায়। নারীরা ঘরে বসে ইনকাম করতে চায়। নিজেকে স্বাবলন্বী করে গড়ে তুলতে চায়। তাই আপনার ইচ্ছ শক্তিকে জাগ্রত করুন এবং অনলাইন থেকে আয় করুন।

অনলাইন ইনকাম কাদের জন্য :

ভিউয়ার অনলাইন থেকে ইনকাম করতে সবাই চায়। কে না চায় আমার বাড়তি কিছু ইনকাম আসুক। কিন্তু সবাই কি পারে ? আবার আমার আপনার মতো কেউ না কেউ অনলাইন থেকে ইনকাম করছে। ধরুন, একটি ক্লাশে সবাই লেখা পড়া করে সবাই কি পাশ করতে পারে। অনেকে পাশ করে আবার কেউ ফেল করে। আবার অনেকে তো চাকুরীর জন্য চেষ্টা করে তদবির করে সবাই কি চাকুরী পায় ? আপনাকে ভাবতে হবে কেন পায় না। কারন তার মধ্যে সেই যোগ্যতা নেই। আপনাকে সঠিক যোগ্যতা অর্জন করে সঠিক কাজে এপ্লাই করতে হবে তবেই আপনি সেই কাজ বা চাকুরী পাবেন। অনলাইনে ইনকাম করতে হলেও আপনাকে সঠিক কাজের স্কীল অর্জন করতে হবে। অর্থাৎ যে কোন একটি কাজের যথেষ্ট স্কীল বা যোগ্যতা অর্জন করতে হবে। তাহলেই আপনি সফলকাম হতে পারবেন। অনলাইন ইনকাম কাদের জন্য –

  1. যারা লেখাপড়ার পাশাপশি বা সংসার করার পাশাপশি বাড়তি ইনকাম করতে চায়।
  2. যারা অনেক ধৈর্যশীল।
  3. যারা কঠোর পরিশ্রমী।

অনলাইন থেকে ইনকাম করার সেরা 10টি উপায় :

অনলাইন থেকে ইনকাম করার অনেক উপায় পাবেন। অনেকে বলেন গেম খেলে ইনকাম করুন। আবার অনেকে বলেন ভিডিও দেখে ইনকাম করুন। এই সব বাজে সাইটে সময় নষ্ট না করে নিচের 10টি কাজের মধ্যে থেকে যে কোন একটি কাজের স্কীল বা যোগ্যতা অর্জন করুন এবং কাজে নেমে পড়ুন। বিশেষ করে নিচের পদ্ধতি গুলো মেয়েদের অনলাইনে ইনকাম (Girls Online Income) করার পারফেক্ট ওয়ে।

1. ব্লগিং :

ব্লগিং হচ্ছে লেখা লেখি করার কাজ। আপনার যদি কোন শখের বিষয়ে লেখালেখি করার অভ্যাস থাকে তাহলে আপনি ব্লগিং করে ইনকাম করতে পারেন। ধরুন আপনি রান্না করতে পছন্দ করেন। রান্নার রেসিপি নিয়ে লেখালেখি করতে পারেন। আপনার যদি ভ্রমন করতে ভালো লাগে। তাহলে ভ্রমনের উপর বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করতে পারেন। আপনার যে বিষয় ভালো লাগে সে বিষয়ে লেখালেখি করতে পারেন। ব্লগিং করতে হলে আপানাকে কি করতে হবে ? ব্লগিং করতে হলে আপনাকে একটি ব্লগ সাইট খুলতে হবে। ব্লগ সাইট খোলা একটি সহজ কাজ। প্রথমে ব্লগার ডট কমে যাবে এবং আপনার নাম ও পাসওয়ার্ড দিয়ে সাইন আপ করবেন। তারপর ক্রেয়েট বাটনে ক্লিক করে আপনার পছন্দ মতো নাম দিয়ে একটি ব্লগসাইট খোলবেন। যদি সমস্যা মনে করেন তাহলে নিচের আর্টিকেল পড়ুন সহজে একটি ব্লগসাইট খোলতে পারবেন।

অবশ্যই পড়ুন :

কিভাবে ফ্রি ব্লগ সাইট তৈরি করবেন

2. কন্টেন্ট রাইটিং :

কন্টেন্ট রাইটিং বলতে আমরা সাধারনত আর্টিকেল রাইটিংকে বুঝে থাকি। কিন্তু কন্টেন্ট হচ্ছে কোন লেখা, ভিডিও, অডিও, ইমেজ ইত্যাদি। এককথায় ওয়েবসাইটে আমরা যা কিছু উপস্থাপন করে থাকি তাহাই কন্টেন্ট। কন্টেন্ট রাইটিং একটি গুরুত্বপূর্ন পেশা। আপনি যদি কোন বিষয়ে দক্ষ হয়ে থাকেন তাহলে সে বিষয়ের উপর লেখালেখি করতে পারেন। কন্টেন্ট রাইটিং করে ভালো একটি পরিমান ইনকাম জেনারেট করতে পারেন। বর্তমানে কন্টেন্ট রাইটিংয়ের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। আপনি যে বিষয়ে কন্টেন্ট রাইটিং করেন না কেন কন্টেন্টকে হতে হবে এসইও ফ্রেন্ডলি। আপনি কিভাবে এস ই ও ফ্রেন্ডলি কন্টেন্ট রাইটিং করবেন তা জানতে নিচের আর্টিকেলটি পড়ুন।

কিভাবে এস ই ও ফ্রেন্ডলি কন্টেন্ট রাইটিং করবেন

3. এস ই ও স্পেশালিস্ট :

এস ই ও (SEO) হচ্ছে সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন। এস ই ও বা সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশনের মাধ্যমে কোন ওয়েবসাইট বা ব্লগসাইটকে গুগুলের প্রথম পেজে নিয়ে আসা য়ায়। এছাড়া কোন কন্টেন্টকে গুগুলের ফাস্ট পেজে নিয়ে আসা যায়। এস ই ও স্পেশালিস্ট হতে হলে আপনাকে অনপেজ এস ই ও, অফপেজ এস ই ও এবং টেকনিক্যাল এস ই ও সম্পর্কে ভালো ভাবে জানতে হবে। অনপেজ এস ই ও হচ্ছে ওয়েবসাইটের ভিতরে যে এস ই ও করা হয় তাকে অনপেজ এস ই ও করা বলা হয়ে থাকে। অফপেজ এস ই ও হচ্ছে ওয়েবসাইটের বাহিরে যে এস ই ও করা হয় তাকে অফপেজ এস ইও করা বলা হয়ে থাকে। আর টেকনিক্যাল এস ই ও হচ্ছে ওয়েবসাইটের বাহ্যিক অবকাঠামো তৈরি করার জন্য যে এস ই ও করা হয়ে থাকে তাকে টেকনিক্যাল এস ই ও করা বলা হয়ে থাকে। এ গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে হলে একটু সময় নিয়ে নিচের আর্টিকেল গুলো পড়ুন।

আপনাকে অবশ্যই পড়তে হবে :

কিভাবে অনপেজ এস ই ও করা হয়।

কিভাবে অফপেজ এস ই ও করা হয়।

কিভাবে টেকনিক্যাল এস ই ও করা হয়।

4. ইউটিউব চ্যানেল খোলা :

ইউটিউব গুগুলের একটি প্রোডাক্ট। ইউটিউবে ভিডিও কন্টেন্ট আপলোড করা হয়। গুগুলে যখন কোন তথ্য সঠিক ভাবে বুঝতে না পারা যায় ইউটিউবের স্বরনাপন্ন হতে হয়। ইউটিউবের ভিডিও দেকে পরিস্কার বোঝা যায়। আপনি চাইলে ইউটিউবে যে কোন বিষয়ে ভিডিও আপলোড করে ইনকাম করতে পারেন। ইউটিউব থেকে ইনকাম করতে হলে একটি ইউটিউব চ্যানেল খোলতে হবে। ইউটিউবে ভিডিও আপলোড করতে হবে। ইউটিউব চ্যানেলকে এস ই ও করতে হবে। আপনার চ্যানেলে যখন 4000 ঘন্টা ওয়াচ টাইম এবং 1000 সাবস্ক্রাইবর হবে তখন মনিটাইজেশনের জন্য আবেদন করতে পারবেন। আপনার চ্যানেল মনিটাইজেশন পেলে তখন এডসেন্সের বিজ্ঞাপন সো হতে থাকবে। এই বিজ্ঞাপনে কেউ ক্লিক করলে আপনার একাউন্টে ডলার ইনাকম হতে থাকবে। প্রশ্ন হচ্ছে কিভাবে ইউটিউব চ্যানেল খোলবেন। ইউটিউব চ্যানেল খোলতে হলে নিচের আর্টিকেল পড়ুন।

কিভাবে ইউটিউব চ্যালেন খোলতে হয়।

5. ইমেইল মার্কেটিং :

অনলাইনে যারা বিচরন করি সবারই কমপক্ষে একটি করে ইমেইল আছে। ইমেইলের সাথে আমরা সবাই পরিচিত। ইমেইল মার্কেটিং হচ্ছে ইলেক্ট্রনিক মেইল মার্কেটিং করা। অর্থাৎ ইমেইলের মাধ্যমে কোন প্রোডাক্ট বা পন্যের প্রচার প্রচারনা করাই হচ্ছে ইমেইল মার্কেটিং করা। আমরা গতানুগতিক বিভিন্ন ধরনের মার্কেটিং করে থাকি। যেমন: ফেসবুক মার্কেটিং, ইনিস্টগ্রাম মার্কেটিং, টুইটার মার্কেটিং, ইউটিউব মার্কেটিং ইত্যাদি। এই সব মার্কেটিং করে পন্যের প্রচার করে সেল জেনারেট করে থাকি। এর সঙ্গে যদি ইমেইল মার্কেটিং করতে পারেন তাহলে পন্য আরো বেশি বিক্রি হওয়ার সম্ভবনা থাকে। ইমেইল মার্কেটিং হচ্ছে আপনার প্রোডাক্ট বা পন্যের গুনাগুনের বর্ননা দিয়ে কাস্টমারের কাছে ইমেইল করা। আপনার প্রোডাক্টের মান কেমন, টিকসই কেমন হয়, মুল্য কত, ডিসকাউন্ট কত ইত্যাদি বর্ননা দিয়ে ইমেইলের মাধ্যমে তথ্য পাঠানো। কাস্টমারের কাছে ইমেইল পাঠালে কাস্টমার উৎসাহ বোধ করে এবং প্রোডাক্ট ক্রয়ে আগ্রহী হয়। এতে আপনার প্রোডাক্ট বেশি বিক্রয় হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এই ইমেইল মার্কেটিং করে প্রোডাক্ট বিক্রি করে আপনি ইনকাম করতে পারেন।

6. ডিজিটাল মার্কেটিং :

ডিজিটাল মার্কেটিং হচ্ছে অনলাইনের মাধ্যমে যে মার্কেটিং করা হয় তাকে ডিজিটাল মার্কেটিং বলা হয়ে থাকে। ডিজিটাল মার্কেটিং বিভিন্ন উপায় করা হয়ে থাকে। ফেসবুকের মাধ্যমে, টুইটারের মাধ্যমে, ইউটিউবের মাধ্যমে ইত্যাদি মাধ্যমে ডিজিটাল মার্কেটিং করা হয়ে থাকে। এছাড়া ওয়েব ডিজাইন করা, এস ই ও করা, গ্রাফিক্স ডিজাইন, এফিলিয়েট মার্কেটিংও ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের অন্তর্ভূক্ত। তবে পূর্নঙ্গ কাজ শিখতে হয় না যতটুকু প্রয়োজন ততোটুকু কাজ শিখা দরকার। ডিজিটাল মার্কেটিং এক বিশাল সেক্টর। এখানে অনলাইনের প্রায় প্রতিটি শাখার কাজ জানতে হয়। মেয়েদের অনলাইন ইনকাম (Girls Online Income) করর জন্য ডিজিটাল মার্কেটিং কাজ শিখা ভালো। কিভাবে ডিজিটাল মার্কেটিং করবেন বিস্তারিত জানতে হলে নিচের আর্টিকেলটি পড়ুন।

কিভাবে ডিজিটাল মার্কেটিং করবেন

7. ওয়েব ডিজাইন :

ওয়েব ডিজাইন হচ্ছে ওয়েবসাইটের ট্রাকচার তৈরি করা বা বাহ্যিক অবয়ব তৈরি করা। আপনি ওয়েব ডিজাইন তৈরি করতে চাইলে ব্লগার ডট কম বা ওয়ার্ডপ্রেস ডট কম দ্বারা তৈরি করতে পারেন। ওয়েবসাইট তৈরি করার বিভিন্ন প্লাটফর্ম রয়েছে তার মধ্যে ব্লগার ডট কম এবং ওয়ার্ডপ্রেস ডট কম অন্যতম। আপনি যদি ব্লগসাইট তৈরি করতে চান তাহলে ব্লগার ডট কম দিয়ে সাইট তৈরি করুন। আর যদি ই-কমার্স সাইট তৈরি করতে চান তাহলে ওয়ার্ডপ্রোস ডট কম দ্বারা সাইট তৈরি করুন। বর্তমানে ওয়ার্ডপ্রেস ডট কম ওয়েবসাইট তৈরির জন্য বিশ্বে বেশ জনপ্রিয় প্লাটফর্ম হয়ে দাড়িয়েছে। এই সাইট দ্বারা প্রায় যে কোন ওয়েবসাইট তৈরি করা যায়। এই ওয়েব ডিজাইন কাজ শিখে আপনি অনলাইন থেকে হাজার হাজার টাকা ইনকাম করতে পারবেন। বর্তমানে অনেক মেয়ে উদ্দ্যোক্তা পরিলক্ষিত হয়। মেয়েদের অনলাইন ইনকাম (Girls Online Income) করতে হলে ওয়েব ডিজাইন কাজ শিখা ভালো। কারন একটি ওয়েবসাইট বা ই-কমার্স সাইট তৈরি করে আপনার পছন্দ মতো প্রোডাক্ট রিভিও দিয়ে অনয়াসে প্রোডাক্ট বিক্রি করে ইনকাম করতে পারেন।

8. গ্রাফিক্স ডিজাইন :

গ্রাফিক্স ডিজাইন হচ্ছে চিত্র আকাআকির কাজ। আপনি যদি লোগো, ব্যানার, পোস্টার, ভিজিটিং কার্ড, থাম্বনিল ইত্যদি তৈরি করতে চান তাহলে গ্রাফিক্স ডিজাইনের কাজ শিখতে হবে। যদি আপনি গ্রাফিক্স ডিজাইনের কাজ শিখতে পারেন তাহলে আপনার কাজের অভাব হবে না। বর্তমানে গ্রাফিক্স ডিজাইনারের প্রচুর চাহিদা। গ্রাফিক্স ডিজাইন করে প্রতি মাসে অনায়াসে 50 হাজার থেকে 1লক্ষ টাকা ইনকাম করতে পারবেন। গ্রাফিক্স ডিজাইনের কাজ শিখতে প্রচুর সময় দিতে হয়। এখানে বিভিন্ন ক্যাটাগরির কাজ শিখতে হয়। গ্রাফিক্স ডিজাইনের কাজ জানা থাকলে ফেসবুক পেজের লোগো, ব্যানার তৈরি করতে পারবেন। ইউটিউব চ্যানেল আর্ট তৈরি করতে পারবেন এবং ইউটিউবের থাম্বলিন তৈরি করতে পারবেন। গ্রাফিক্স ডিজাইনের কাজ অনলাইন এবং অফলাইনে দুই ভাবেই করা যায়। তাই গ্রাফিক্স ডিজাইনের কাজের চাহিদা প্রচুর। আপনার যদি ধৈর্যশক্তি থাকে তাহলে গ্রাফিক্স ডিজাইনের কাজ শিখতে পারেন। প্রচুর ইনকাম করতে পারবেন।

9. এফিলিয়েট মার্কেটিং :

এফিলিয়েট মার্কেটিং হচ্ছে কোন কোম্পানীর প্রোডাক্ট বিক্রি করে দেওয়ার বিনিময়ে যে কমিশন পাওয়া যায় তাকে এফিলিয়েট মার্কেটিং করা বলা হয়ে থাকে। আপনি যদি এফিলিয়েট মার্কেটিং করতে চান তাহলে বিভিন্ন এফিলেয়েট সাইটে রেজিষ্ট্রেশন করে তাদের প্রোডাক্ট লিংক নিয়ে বিভিন্ন সোসাল মিডিয়াতে শেয়ার করতে হবে। এফিলিয়েট সাইট গুলো হচ্ছে আমাজান, আলীবাবা, ক্লিকব্যাংক, ইবে, দারাজ, বিডি শপ ইত্যাদি। এই সাইট গুলোতে রেজিষ্ট্রেশন করে তাদের প্রোডাক্টের লিংক ফেসবুক, টুইটার, ইনিস্টাগ্রাম, পিন্টারিস্ট ইত্যাদি সাইটে পোস্ট করতে হবে। এই সাইট গুলোতে পোস্ট করার ফলে কোন প্রোডাক্ট বিক্রি হলে সেখান থেকে নির্দিষ্ট পরিমান কমিশন পাবেন। এভাবে এফিলিয়েট মার্কেটিং করে অনলাইন থেকে ইনকাম করতে পারেন। এফিলিয়েট মার্কেটিং সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে হলে নিচের আর্টিকেলটি পড়ুন।

কিভাবে এফিলিয়েট মার্কেটিং করবেন।

10. প্রসাধনী রিভিও করে আয় :

মেয়েদের অনলাইন ইনকামের (Girls Online Income) জন্য প্রসাধনীকে বেছে নিতে পারেন। কারন মেয়েদের অন্যতম প্রিয় প্রোডাক্ট হচ্ছে প্রসাধনী। আপনি যদি প্রসাধনী পছন্দ করে থাকেন বা ত্বকের যত্ন নিতে ভালবাসেন। তাহলে মেয়েদের প্রসাধনী প্রোডাক্ট বিক্রি করে ইনকাম করতে পারেন। মেয়েরা সাজু গুজু করতে পছন্দ করে থাকে এবং ত্বকের প্রতি যত্নশীল। তারা অহরহ প্রসাধনী সমগ্রী ক্রয় করে থাকে। তাই আপনি একটি ব্লগসাইট খোলে প্রসাধনী প্রোডাক্ট সম্পর্কে রিভিও লিখতে পারেন। এই রিভিও গুলো বিভিন্ন সোসাল মিডিয়াতে পোস্ট করে ইনকাম জেনারেট করতে পারেন। ফেসবুক, টুইটার, ইনিস্টাগ্রাম, লিংকদিন বিভিন্ন সোসাল মিডিয়াতে পেজ খোলে আপনার প্রোডাক্টের রিভিও দিয়ে প্রচার করুন। ফেসবুক পেজ খুলুন, ফেসবুক গ্রুপ খুলুন। সে গুলোতে ‍প্রতিনিয়ত পোস্ট করতে থাকুন। দেখবেন একসময় আপনার প্রসাধনী প্রোডাক্টের উপর ভালো পরিমান রেভিনিও জেনারেট করতে পারবেন।

পরিশেষে কথা হচ্ছে অনলাইনে ইনকাম করার প্রচুর ওয়ে বা পথ রয়েছে। তার মধ্যে থেকে আমি 10টি পদ্ধতি আপনাদের সামনে তুলে ধরলাম। এই পদ্ধতি গুলোর মধ্যে থেকে যদি একটি কাজও শিখে সঠিক ভাবে প্রয়োগ করতে পারেন তাহলে আপনি অনলাইন থেকে ইনকাম করতে পারবেন। আজকের আর্টিকেলটি লেখার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে মেয়েদের জন্য। কারন মেয়েরা ঘরে বসে থাকে নানা প্রতিবন্ধকতার জন্য তার বাহিরে যেতে পারে না। মেয়েরা ইনকাম করতে চায় কিন্তু সঠিক পথ তাদের জানা নেই। তাই কিছু দিক নির্দেশনা দেওয়ার জন্য আপনাদের সামনে আর্টিকেলটি তুলে ধরলাম। আর একটি কথা মেয়েদের অনলাইনে ইনকাম (Girls Online Income) করতে চাইলে গুগুল থেকে সার্চ করে বিভিন্ন আর্টিকেল পড়ুন ও ইউটিউবে কাজ রিলেটেড বিভিন্ন ভিডিও দেখে কাজ শিখুন। তারপর বিভিন্ন প্লাটফর্মে কাজ শুরু করুন। আর্টিকেলটি পড়ে ভালো লাগলে বন্ধু-বান্ধবদের মাঝে শেয়ার করুন। ধন্যবাদ।

Related posts

Leave a Comment