” ফ্রিল্যান্সিং গাইডলাইন ( Freelancing Guideline ) টিপস “

Freelancing Guideline

বর্তমান তরুন প্রজন্মের কাছে আলোচিত বিষয় হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং। কিন্তু ফ্রিল্যান্সিংয়ের গাইড (Freelancing Guideline) লাইনের অভাবে তারা ফ্রিল্যান্সিং করতে পারছে না। তাই সঠিক ফ্রিল্যান্সিং গাইডলাইন (Freelancing Guideline) দেওয়ার জন্য আজকের আর্টিকেল। ফ্রিল্যান্সিং করে ইনকাম করার প্রত্যাশীদের বলবো আপনি যদি ফ্রিল্যান্সিং করে আয় করতে চান তাহলে এই আর্টিকেলটি আপনার জন্য। আর্টিকেলটি একটু ধর্য্য সহকারে পড়ুন। আশা করি পূর্নাঙ্গ একটি গাইডলাইন পাবেন। যা অনুসরন করলে নিজেকে একজন ফ্রিল্যান্সার হিসাবে গড়ে তুলতে পারবেন। ফ্রিল্যান্সিং কি, ফ্রিল্যান্সিং করতে কি কি প্রয়োজন এবং কি পদ্ধতিতে ফ্রিল্যান্সিং করা যায় সে সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরার চেষ্টা করবো।

ফ্রিল্যান্সিং কি :

ফ্রিল্যান্সিং কি আমার আগের একটি আর্টিকেলে উল্লেখ করেছি। এখানে আপনাদের সুবিধার্থে কিছুটা তুলে ধরছি। ফ্রিল্যান্সিং হচ্ছে মুক্তপেশা বা স্বাধীন পেশা। অন্যের অধীনে না থেকে নিজের ইচ্ছামত স্বাধীন ভাবে কাজ করাকে ফ্রিল্যান্সিং বলে। সে হিসাবে বলা যায় একজন রিক্সাওয়ালা, একজন প্রাইভেট টিউটর ফ্রিল্যান্সিং করে। কারন তারা তাদের ইচ্ছা মতো সময়ে কাজ করে ইনকাম করে। এ গুলোও ফ্রিল্যান্সিং। এগুলো অফলাইনে ফ্রিল্যান্সিং করা বলে। কিন্তু আমরা অনলাইনের মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সিং করবো। অনলাইনে ফ্রিল্যান্সিং হচ্ছে ইন্টারনেট কানেকশনের মাধ্যমে কোন কোম্পানীর বা ক্লাইন্টের কাজ আমাদের ইচ্ছা মতো যে কোন সময়ে করে দিয়ে ইনকাম করাই হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং করা। আরো সহজ ভাবে বলা যায় কারো অধীনে না থেকে বা ধার বাধা নির্দিষ্ট টাইমের মধ্যে না খেকে স্বাধীন ভাবে যে কোন সময়ে কাজ করে ইনকাম করাকে ফ্রিল্যান্সিং বলে।

ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিংয়ের মধ্যে পার্থক্য :

ফ্রিল্যান্সিং হচ্ছে কারো অধীনে না থেকে স্বাধীন ভাবে কাজ করাকে ফ্রিল্যান্সিং বলে। যারা ফ্রিল্যান্সিং করে জীবিকা নির্বাহ করে তাদেরকে ফ্রিল্যান্সার বলে। আর আউটসোর্সিং হচ্ছে নিজের কাজ অন্য কারো দ্বারা করিয়ে নেয়াকে আউটসোর্সিং বলে। অর্থাৎ ইন্টারনেটের মাধ্যমে ফ্রিলান্সারদের দ্বারা কোনো কাজ করিয়ে নেওয়াকে আউটসোর্সিং বলে। একটি উদাহরনের মাধ্যমে বিষয়টি পরিস্কার করার চেষ্টা করছি। ধরুন রহিম সাহেবের একটি কোম্পানীর জন্য ওয়েবসাইটের প্রয়োজন। সে ওয়েবসাইট তৈরি করতে জানে না। তাই সে ইন্টারনেটে বা ফেসবুকে ঘোষনা দিল যে আমার একটি ওয়েবসাইট তৈরির প্রয়োজন। যে তৈরি করে দিবে তাকে ৫০ ডলার দেওয়া হবে। অপরদিকে করিম মিয়া ওয়েবসাইট তৈরি করতে জানে। করিম মিয়া তাকে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে দিল। রহিম সাহেব ওয়েবসাইটটি সঠিক ভাবে বুঝে পাওয়ার পর করিম মিয়াকে ৫০ ডলার পরিশোধ করলো। এখানে রহিম সাহেব অন্যের দ্বার কাজ করিয়ে নিল তাই সে আউটসোর্সিং করলো। আর করিম মিয়া ইচ্ছা স্বাধীন ভাবে কাজটি করিয়ে দিল তাই সে ফ্রিল্যান্সিং করলো। এবার বিষয়টি বুঝতে পেরেছেন তো।

ফ্রিল্যান্সিং করতে কি কি প্রয়োজন :

ফ্রিল্যান্সিং করতে হলে আপনার কিছু আনুসাঙ্গিক জিনিস প্রয়োজন হয়। সে গুলোর মাধ্যমে আপনাকে ফ্রিল্যান্সিং করতে হবে। Freelancing Guideline এর মাধ্যমে সে গুলো তুলে ধরা হলো।

  • কম্পিউটর বা ল্যাপটপ : ফ্রিল্যান্সিং করতে হলে আপনার একটি কম্পিউটর বা ল্যাপটপ থাকতে হবে। কম্পিউটর বা ল্যাপটপের কনফিগার কত হতে হবে তা নির্ভর করবে আপনার কাজের উপর ভিত্তি করে। আপনি যদি সাধারন ভাবে লেখা লেখি বা ওয়েব ডিজাইন করে থাকেন তাহলে সাধারন করফিগারের হলেই চলবে। আর যদি গ্রাফিক্স ডিজাইনের কাজ করতে চান তাহলে হাই লেভেলের কনফিগার যুক্ত হতে হবে।
  • ইন্টারনেট কানেকশন : ফ্রিল্যান্সিং করতে হলে আপনার কম্পিউটরে বা ল্যাপটপে ইন্টারনেট কানেকশন থাকতে হবে। ইন্টারনেট ব্রডব্যান্ড হতে পারে বা মডেমও হতে পারে। তবে ব্রডব্যান্ড ব্যবহার করতে পারলে ভালো।
  • মোবাইল : ফ্রিল্যান্সিং করতে হলে একটি মোবাইল থাকা প্রয়োজন। কারন কম্পিউটার বা ল্যাপটপ সব সময় সঙ্গে করে নিয়ে চলা যায় না। বিভিন্ন সময়ে কাজের প্রয়োজন বাহিরে যেতে হয়। বায়ার যে কোনো সময়ে নক করতে পারে। বায়ার যদি নক করে তখন তার রিপলাই দেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। তখন মোবাইলের প্রয়োজন পড়তে পারে। মোবাইল হতে হবে স্কীনটাচ যুক্ত এন্ড্রয়েড ফোন।

ফ্রিল্যান্সিং করার পদ্ধতি বা Freelancing Guideline :

ফ্রিল্যান্সিং করতে হলে আপনাকে বিভিন্ন বিষয়ে ব্যাসিক পারদর্শী হতে হবে। আর যে কোনো একটি বিষয়ে 100% পারদর্শী হতে হবে। যদি একটি বিষয়ে সঠিক স্কীল অর্জন করতে পারেন তাহলে আপানর জন্য ফ্রিল্যান্সিং। আসুন ফ্রিল্যান্সিং করতে হলে আপনাকে Freelancing Guideline অনুসারে কি কি জানতে হবে বা কিভাবে করবেন সে বিষয়ে আলোচনা করা হোক।

১. প্রফেশনাল স্কীল :

অনলাইন জগতে হাজারো রকমের কাজ রয়েছে। আপনাকে যে কোনো একটি বিষয়ে প্রফেশনাল মানের এক্সপার্ট হতে হবে। একটি বিষয়ে সঠিক ভাবে দক্ষতা অর্জন করতে হবে। কাজ গুলো হচ্ছে ডিজিটাল মার্কেটিং, গ্রাফিক্স ডিজাইন, ওয়েব ডিজাইন এন্ড ডিভোলপমেন্ট, আর্টিকেল রাইটিং, এস ই ও, ভিডিও এডিটিং, প্রোগ্রামিং ইত্যাদি বিষয় গুলোর মধ্যে যে কোন একটি বিষয়ে প্রফেশনাল মানের স্কীল অর্জন করতে হবে। তাহলে আপনি ফ্রিল্যান্সিং করতে পারবেন। নতুনদের জন্য প্রাথমিক ভাবে সহজ কাজ গুলো শিখে নিয়ে কাজ শুরু করতে পারেন। সহজ কাজ গুলো হচ্ছে ফেসবুক মার্কেটিং, ইউটিউব মার্কেটিং, এস ই ও, লিং বিল্ডিং, বুকমার্কিং, ক্লাসিফাইড এড পোস্টিং ইত্যাদি কাজ গুলো শিখে নিয়ে কাজ শুরু করতে পারেন। প্রাথমিক ভাবে আয় ‍শুরু হলে পরে উপরের বড় বড় কাজ গুলো শিখে নিয়ে প্রফেশনাল মানের একজন ফ্রিল্যান্সার হতে পারবেন।

পড়ুন :

ফ্রিল্যান্সিংয়ের সহজ কাজ ৫টি

২. ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস :

সঠিক স্কীল অর্জনের পর ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস গুলোতে একাউন্ট খুলতে হবে। অনলাইন আয়ের অন্যতাম মার্কেটপ্লেস গুলো হলো 1. Fiver.com 2. Up work.com 3. Freelancer.com 4. Peopleperhour.com 5. Guru.com ইত্যাদি। এই মার্কেট প্লেস গুলোতে আইডি খুলে বিড করতে হবে, গিগ তৈরি করে সাবমিট করতে হবে। এই মার্কেট প্লেস গুলোতে অসংখ্য কাজ পাওয়া যায়। ফ্রিল্যান্সিংয়ের যত কাজ আছে এই মার্কেট প্লেস গুলোতে পাবেন। হাজার হাজার বায়ার এই মার্কেট প্লেস গুলোতে আছে। তারা কাজ দিয়ে থাকে। তাদের মাধ্যমে কাজ করে জমা দিয়ে ইনকাম করতে পারবেন।

৩. রয়ালিটি সেলিং :

রয়ালিটি সেলিং হচ্ছে কোন কাজ করে অনলাইন মার্কেট প্লেস গুলোতে জমা দেওয়া। যখন সেখান থেকে আপনার কোনো কাজ বিক্রি হবে তা থেকে আয় আসবে। রয়ালিটি সেলিং মার্কেটপ্লেস গুলো হচ্ছে Envato market, Shutterstok, Freepic.com ইত্যাদি। এই মার্কেটপ্লেস গুলোতে আপনার কাজ জমা দিয়ে এখান থেকে ভালো পরিমান আয় করতে পারেন। আপনার যদি থিম তৈরির অভিজ্ঞতা থাকে তাহলে ইনভেটো মার্কেট প্লেসে জমা দিতে পারেন। আপনার যদি গ্রাফিক্স ডিজাইনের কাজ জানা থাকে তাহলে সুটারস্টক মার্কেট প্লেসে জমা দিয়ে রাখতে পারেন। এখান থেকে প্রচুর কাজ সেল হয়। যদি আপানার কোন প্রোডাক্ট তাদের চয়েস হয় তা বার বার বিক্রি হতে থাকবে। যতবার বিক্রি হবে ততো বার আপনি সেখান থেকে ইনকাম করতে পারবেন।

৪. সোসাল মিডিয়া সাইট :

সোসাল মিডিয়া সম্পর্কে আমাদের কম বেশি সবার ধারনা রয়েছে। সোসাল মিডিয়ায় আমরা চ্যাট করে, লাইক করে, কমেন্ট করে অযথা সময় নষ্ট করে থাকি। সোসাল মিডিয়াকে যদি সঠিক কাজে লাগাতে পারেন তাহলে আপনার ইনকামের সোর্স হিসাবে পরিগনিত হবে। সোসাল মিডিয়া গুলোর মধ্যে অন্যতম হলো ফেসবুক মার্কেটিং, ইউটিউব মার্কেটিং, বিহেন্স মার্কেটিং, লিংকদিন, টুইটার ইত্যাদি।

ফেসবুক মার্কেটিং : ফেসবুক মার্কেটিং করে আপনি আয় করতে পারেন। এর জন্য কি করতে হবে। প্রথমত: আপনার একটি ফেসবুক আইডি থাকতে হবে। এই আইডির অধীনে একটি ফেসবুক পেজ তৈরি করতে হবে। এছাড়া একটি ফেসবুক গ্রুপ খুলতে হবে। এই ফেসবুক পেজের মাধ্যমে এবং গ্রুপের মাধ্যমে যে কোন প্রোডাক্ট মার্কেটিং করে আয় করতে পারবেন। ফেসবুক মার্কেটি কিভাবে করবেন জানতে হলে এই লিংকে ক্লিক করে দেখ নিতে পারেন। লিংকটি হলো – https://www.ictcorner.com/facebook-marketing/

ইউটিউব মার্কেটিং : গুগুলের পরই ইউটিউবের স্থান। অনেকে গুগুলে কোন তথ্য সঠিক ভাবে বুঝতে না পেলে ইউটিউবের স্মরনাপন্ন হয়ে থাকেন। ইউটিউব থেকে আমরা ভিডিওর মাধ্যমে আমাদের কাখ্ঙিত তথ্য সম্পর্কে জানতে পারি। তাই ইউটিউব হচ্ছে প্রোডাক্ট মার্কেটিংয়ে অন্যতম মার্কেট প্লেস। ইউটিউবে আপনি যে কোন প্রোডাক্ট মার্কেটিং করে আয় করতে পারেন। বা ইউটিউব চ্যানেল মনিটাইজ করে এডসেন্সের বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে আয় করতে পারেন। ইউটিউব মার্কেটিং সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে হলে এই লিংকে অনুসরন করতে পারেন। লিংকটিতে ক্লিক করুন – কিভাবে ইউটিউব মার্কেটি করবেন।

বিহেন্স মার্কেটিং : বিহেন্স ডট নেটে গ্রাফিক্স ডিজাইনের কাজ আপলোড করে ইনকাম করতে পারেন। এখানে আপনার গ্রাফিক্স রিলেটেড কাজ গুলো জমা দেওয়া হয়ে থাকে। যেমন লোগ ডিজাইন, ব্যানার, বিজনেস কার্ড ইত্যাদি কাজ জমা দিয়ে এখান থেকে ইনকাম করতে পারেন।

লিংকদিন মার্কেটিং : লিংকদিন মার্কেটিং করতে হলে আপনার একটি লিংকদিন আইডি থাকতে হবে। এখানেও পেজ খুলে আপনার প্রোডাক্ট মার্কেটিং করতে পারেন। লিংদিন কে বায়ারের খুনি বলা হয়ে থাকে। এখানে অসংখ্য বায়ারে আগমন ঘটে। এখানে জব মার্কেট প্লেস রয়েছে। এখান থেকে জব খোজে অনলাইনে বিভিন্ন কোম্পানিতে চা্করি করতে পারবেন।

টুইটার মার্কেটিং : টুইটার মার্কেটিংয়ে বিশ্বের উন্নত দেশের লোকের আগমন ঘটে থাকে। সাধারনত ইউ এস এ, ইউ কে, কানাডা সহ বড় বড় ওয়েস্টার্ন কান্ট্রির লোকজন টুইটারে দেখা যায়। এখানেও আইডি খুলে আপনার প্রোডাক্ট বা সার্ভিস মাকেটিং করতে পারেন।

৫. নিজস্ব ওয়েবসাইট বা ব্লগসাইট :

নিজস্ব ওয়েবসাইট বা ব্লগসাইট আপনার পরিচিতি বৃদ্ধি করে। আপনার একটি প্রোটফলিও হিসাবে কাজ করে। আপনি ওয়েবসাইট বা ব্লগসাইটের মাধ্যমে ব্লগিং করে আয় করতে পারেন। আপনার কোন প্রোডাক্ট মার্কেটিং করে আয় করতে পারেন। আপনার সাইট থেকে এফিলিয়েট মার্কেটিং করেও আয় করতে পারেন। একটি ব্লগ সাইট তৈরি করা তেমন কোন কঠিন কোন কাজ নয়। আপনি ডোমেন হোস্টিং ক্রয় করে ব্লগসাইট তৈরি করতে পারেন। আবার ইচ্ছা করলে ব্লগার ডট কম থেকে ফ্রি ব্লগ সাইট তৈরি করতে পারেন। কিভাবে ব্লগার ডট কম দিয়ে ফ্রি ব্লগসাইট তৈরি করবেন। এই লিংকে ক্লিক করে জেনে নিতে পারেন। লিংকটি হলো – কিভাবে ফ্রি ব্লগসাইট তৈরি করবেন

পড়ুন :

কিভাবে ডাটা এন্ট্রি কাজ করবেন

শেষ কথা :

ফ্রিল্যান্সিং করে আয় করতে চাইলে আপনার কাজের স্কীল অর্জন করতে হবে। প্রথমত উপরে আলোচিত সহজ কাজ গুলো শিখে নিয়ে কাজ শুরু করতে পারেন। আপনি যদি ফেসবুক মার্কেটি বা ইউটিউব মার্কেটিং সঠিক ভবে শিখতে পারেন তাহলেও প্রচুর পরিমানে আয় করতে পারবেন। আমি বলবো আপনি ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করে ভিডিও আপলোড করতে থাকুন। আপনি মোবাইল দিয়েও ভিডিও তৈরি করতে পারবেন। মোবাইল দিয়ে ভিডিও তৈরি করে আপলোড করা শুরু করে দিন। আগে শুরুটা করেন আয় আসবেই। ফ্রিল্যান্সিং ক্ষেত্রে ধর্যের পরিক্ষা দিতে হবে। পাশাপশি অধ্যাবসায় চালিয়ে যান। সফলতা আসবেই ইনশাল্লাহ। আজকের (Freelancing Guideline) ফ্রিল্যান্সিং গাইডলাইন আলোচনায় বুঝতে কোনো সমস্যা হলে কমেন্টে জানতে ভুলবেন না। কমেন্ট করবেন আশা করি উত্তর পাবেন।

Related posts

Leave a Comment