ফেসবুক মার্কেটিং কি এবং কিভাবে Facebook Marketing এর জন্য পেজ তৈরি করবো

FACEBOOK MARKETING

ফেসবুক মার্কেটিং (Facebook Marketing) একটি বিশাল সেক্টর।ফেসবুকের সাথে জড়িত অসংখ্য মানুষ।বিশ্বের প্রায় ১.৫ বিলিয়ন মানুষ ফেসবুকের সাথে জড়িত।বাংলাদেশে প্রায় ৪ কৌটি মানুষ ফেসবুকের সাথে জড়িত। এক জরিপে জানা যায় প্রতিটি মানুষ গড়ে প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট ফেসবুকের জন্য সময় ব্যয় করে থাকে।তাই আপনার কোন প্রোডক্ট বা সার্ভিস প্রোভাইড করতে চাইলে ফেসবুক একটি অনন্য মাধ্যম।ফেসবুকের মাধ্যমে আপনি আপনার প্রোডাক্ট বা সার্ভিস বিক্রয় করে লাভবান হতে পারেন।এর জন্য আপনাকে কি করতে হবে ? আপনাকে তিনটি কাজ করতে হবে।কাজ গুলো হলো: ১ নং ফেসবুক পেজ তৈরি করতে হবে। ২ নং ফেসবুক গ্রুপ তৈরি করতে হবে। ৩ নং ফেসবুক এডস বা বিজ্ঞাপন দিতে হবে। এই তিনটি কাজ সঠিক ভাবে করতে পারলে আপনি ফেসবুক মার্কেটিং করতে পারবেন।নীচে আমি এই তিনটি কাজ সহজ ভাবে বুঝানোর জন্য চেষ্টা করবো।

মার্কেটিং কি :

ফেসবুক মার্কেটিং (Facebook Marketing) বুঝতে হলে আগে জানতে হবে মার্কেটিং কি ? মার্কেটিং হচ্ছে কোন প্রোডাক্ট বা সার্ভিসের প্রচার প্রচারন করা এবং লিড জেনেরেট করা হচ্ছে মার্কেটিং। মার্কেটিং এর মাধ্যমে মানুষ জানতে পারবে আপনার কোম্পানীতে কোন কোন প্রোডাক্ট বা সার্ভিস আছে।তার গুনা গুন কি ইত্যাদি সম্পর্কে জানতে পারবে।তবেই আপনার প্রোডাক্ট বা সার্ভিস সেল বা বিক্রয় হবে।অনলাইনে মার্কেটিংকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। এক, ক্লাসিক বা এনালগ মার্কেটিং। দুই, ডিজিটাল মার্কেটিং।ক্লাসিক বা এনালগ মার্কেটিং হচ্ছে আদিকাল থেকে মানুষ মার্কেটিংয়ের জন্য প্রচার প্রচারনা করে আসছে।তা হচ্ছে মাইকিং, পেপার-পত্রিকায় ‍বিজ্ঞাপন, টিভি এবং রেডিও এর মাধ্যমে প্রচার প্রচারনা করা। এ ধরনের প্রচার প্রচারনা করাকে ক্লাসিক বা এনালগ মার্কেটিং বলে।

আর ডিজিটাল মার্কেটিং হচ্ছে ডিজিটাল পদ্ধতিতে যে মার্কেটিং করা হয় তাকে ডিজিটাল মার্কেটিং বলে। ডিজিটাল পদ্ধতি কি ? ডিজিটাল পদ্ধতি হচ্ছে নেটওয়ার্কের মাধ্যমে যে প্রচার প্রচারনা চালানো হয় । অর্থাৎ মোবাইল, কম্পিউটার, টেলিযোগাযোগ, ফ্যাক্স ইত্যাদি মাধ্যমে ইন্টারনেট সংযোগে যে বিজ্ঞাপন প্রচার প্রচারনা করা হয় তাকে ডিজিটাল মার্কেটিং বলে।সহজ ভাবে বলা যায় ইলিক্ট্রনিকস ডিভাইস ব্যবহার করে ইন্টারনেটের মাধ্যমে যে পন্য বা সেবার প্রচার প্রচরনা করা হয় তাকে ডিজিটাল মার্কেটিং বলে।

ফেসবুক মার্কেটিং কি :

ফেসবুক মার্কেটিং (Facebook Marketing) হচ্ছে ফেসবুকের মাধ্যমে যে পন্যের বা সেবার প্রচার প্রচরনা করা হয় তাকে ফেসবুক মার্কেটিং বলে।ফেসবুক হচ্ছে সোসাল মিডিয়া বা সোসাল নেটওয়ার্কিং সাইট।একে ডেটিং সাইটও বলা যায়। কারন এর মাধ্যমে আমরা একে অপরের সাথে বন্ধুত্ব গড়ে তুলতে পারি।এই ফেসবুককে কাজে লাগিয়ে কোন প্রোডাক্ট বা সার্ভিসের ক্যাম্পিইন পরিচালনা করাকে ফেসবুক মার্কেটিং বলে।ফেসবুকের মাধ্যমে ফেসবুক ব্যবহারকারির কাছে কোন কোম্পানীর পন্য বা সেবার প্রচার প্রচারনা করাকে ফেসবুক মার্কেটিং বা সোসাল মিডিয়া মার্কেটিংও বলা হয়ে থাকে।ফেসবুক মার্কেটিং আমরা দুই ভাবে করতে পারি। এক, ফ্রি ফেসবুক মার্কেটি। দুই, পেইড ফেসবুক মার্কেটিং।

১. ফ্রি ফেসবুক মার্কেটিং (Free Facebook Marketing) :

ফ্রি ফেসবুক মার্কেটিং হচ্ছে কোন কোম্পানীর নামে একটি ফেসবুক পেজ খুলে সেখানে কোম্পানীর পন্যের প্রচার প্রচারনা করাই হচ্ছে ফ্রি ফেসবুক মার্কেটিং।ফ্রি ফেসবুক মার্কেটিং ছোট কোম্পানী জন্য সুবিধা জনক।ফেসবুক পেজে প্রচুর পরিমানে ফ্যান ফলোয়ার বাড়াতে হবে।প্রচুর সংখ্যক ফলোয়ার থাকেলে আপনি ফ্রি ফেসবুক মার্কেটিং করতে পারবেন। ফ্রি ফেসবুক মার্কেটিং করতে গেলে বিভিন্ন গ্রুপে আপনাকে জয়েন থাকতে হবে।বিভিন্ন গ্রুপে আপনার প্রোডাক্ট সম্পর্কে পোস্ট দিতে হবে এবং শেয়ার করতে হবে।এছাড়া নিজের ফেসবুক প্রোফাইল ও ফেসবুক ম্যাসেন্জারের মাধ্যমে ফ্রি ফেসবুক মার্কেটিং করতে পারবেন।নিয়মিত বিভিন্ন ধরনের প্রোডাক্ট আপনার পেজে পোস্ট করতে হবে। পোস্ট করার সময় অবশ্যই প্রোডাক্টের ভালো দিক গুলো তুলে ধরতে হবে।বিভিন্ন অফার বা গিফটের মাধ্যমে ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে পারেন এবং বিভিন্ন ধরনের ডিসকাউন্টের সুযোগ দিতে হবে।তাহলে ফ্রি ফেসবুক মার্কেটিংয়ের সুফল লাভ করতে পারবেন।

২. পেইড ফেসবুক মার্কেটিং (Paid Facebook Marketing) :

ডলার বা টাকার বিনিময়ে যে বিজ্ঞাপন দেয়া হয় তাকে পেইড ফেসবুক মার্কেটিং বলে।যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন পেইড ফেসবুক মার্কেটে দেয়া যায়। পেইড ফেসবুক মার্কেটিং করতে গেলে ফেসবুকে আপনার বিজনেস বা ব্রান্ড পেজ থাকতে হবে।ফেসবুক প্রোফাইলের মাধ্যমে ফেসবুকে বিজ্ঞাপন দেয়া যায় না।সেই জন্য প্রথমে আপনাকে কোম্পানী বা প্রতিষ্ঠানের নামে বিজনেস পেজ খুলতে হবে।তারপর সেই পেজে আপনার কোম্পানীর বা প্রতিষ্ঠানের প্রোডাক্ট বা সেবার বিস্তারিত বিবরন দিয়ে বিজ্ঞাপন প্রচার করতে হবে।পেইড ফেসবুক মার্কেটিং অত্যন্ত ফলপ্রসু মার্কেটিং। যার মাধ্যমে সহজে কাণ্খিত কাস্টমারের কাছে পৌঁছা সম্ভব হয়।

কিভাবে Facebook Marketing এর জন্য পেজ তৈরি করবো :

ফেসবুক মার্কেটিংয়ের জন্য পেজ তৈরি করতে গেলে আপনার নিজের একটি Facebook ID থাকতে হবে।অথার্ৎ আপনার নিজের ফেসবুক প্রোফাইল থাকতে হবে।ফেসবুক প্রোফাইল থেকে ফেসবুক বিজনেস বা ব্রান্ড পেজ খুলতে হবে।প্রথমে আপনার প্রোফাইল থেকে লগিন করুন।লগিন করার পর হোম পেজ আসবে।হোম পেজের উপর দিকে Create অথবা + চিহ্ন দেখতে পাচ্ছেন তাতে ক্লিক করুন।তারপর একটি ড্রপ ডাউন মেনুবার দেখতে পাবেন তাতে Page এ ক্লিক করুন।নিচের চিত্রে লাল গোল চিহ্ন গুলো লক্ষ্য করুন।এবার Page Information এর মধ্যে পেজ নেম এর জায়গায় কোম্পানীর নাম দিন। ক্যাটাগরি সিলেক্ট করুন। আপনার কোম্পানী কোন ক্যাটাগরির সে ক্যাটাগরি সিলেক্ট করুন।তারপর ডিসক্রিপসন বক্সে আপনার কোম্পানী সম্পর্কে কিছু লিখুন।তারপর Create Page এ ক্লিক করুন। বাছ হয়ে গেল আপনার ফেসবুক বিজনেস পেজ।

Facebook Page

ফেসবুক কোম্পানী কিছু দিন পর পর তার ইন্টারফেস চেন্জ করে থাকে। আপনার কম্পিউটারে যদি Create ক্লিক করার পর ইন্টারফেসে এক পাশে Business Or Brand আসে আরেক পাশে Community Or Public Fiqure আসে তাহলে Business Or Brand এ ক্লিক করুন।তারপর আপনার কোম্পানীর নাম, ক্যাটাগরি, ডিসক্রিপসন লিখে ক্রিয়েট পেজে ক্লিক করবেন।

তাহলে আপনার বিসনেস পেজ তৈরি হয়ে গেল। এবার আপনার পেজকে প্রফেশনাল আউটলুক দেয়ার জন্য কিছু কাজ করতে হবে।আপনার পেজে সুন্দর দেখে লোগো সেট করুন। তারপর সুন্দর একটি কভার ফটো বা ব্যানার সেট করুন।তারপর বিভিন্ন তথ্য দিয়ে আপনার পেজটাকে সুন্দর করে ফেলাপ করুন।যেমন: About এ গিয়ে আপনার ঠিকানা, আপনার ওয়েবসাইটের নাম, ইমেইল, মোবাইল নম্বার, আপনার কোম্পানী কয়টা থেকে কয়টা পর্যন্ত খোলা থাকে ইত্যাদি ইত্যাদি তথ্য দিয়ে পেজটাকে সুন্দর করে সাজাতে হবে। বিভিন্ন ক্যাটাগরি একটু নাড়া চাড়া করে দেখে নিয়ে তা ফিলাপ করুন।আপনার ওয়েবসাইটে কোন পোস্ট থাকলে তার লিংক দিয়ে ছবিসহ পোস্ট করুন। আপনার কোম্পানীর কোন প্রোডাক্ট থাকেলে তা ছবিসহ পোস্ট করুন। না থাকলে ইউটিউব থেকে সুন্দর সুন্দর কিছু ভিডিও এনে আপলোড দিন।যাতে আপনার কাস্টমাররা আপনার পেজে এসে আপনার সম্পর্কে এবং আপনার কোম্পানী সম্পর্কে সঠিক তথ্য পেয়ে যান।

কিভাবে ফেসবুক গ্রুপ তৈরি করবো :

এবার আসুন ফেসবুক গ্রুপ কিভাবে তৈরি করা যায়।ফেসবুক গ্রুপ তৈরি করতে হলে আবার আপনার হোম পেজে যেতে হবে। আগের মতো Create or + চিহ্নতে ক্লিক করুন।এবার ড্রপ ডাউন মেনুবার থেকে Group এ ক্লিক করুন।নতুন একটি ইন্টরফেস দেখতে পাবেন।তাতে Group name এর জায়গায় আপনার গ্রুপের একটা নাম দিন।তারপর Privacy এর জায়গায় Public সিলেক্ট করে দিন। Choose Friends এর জায়গায় বিভিন্ন ফ্রেন্ডকে চয়েস করুন। তারপর Create এ ক্লিক করুন। বাছ হয়ে গেল আপনার গ্রুপ।এবার বেশি বেশি করে ফ্রেন্ড লিস্ট থেকে ফ্রেন্ড চয়েস করুন। গ্রুপের ফেন্ড সংখ্যা যত বেশী বাড়াতে পারবেন তত আপনার লাভ। বিজনেস পেজের মতো গ্রুপ পেজকে সাজাতে হবে। এখানে আপনার ছবি দিন, ব্যানার সেট করুন। সেটিংসে গিয়ে পেজটাকে সুন্দর করে সাজান।মনে রাখবেন বেশি বেশি করে ফ্রেন্ডের সংখ্যা বাড়াতে হবে।

ফেসবুক পেজ এবং ফেসবুক গ্রুপের মধ্যে পার্থক্য :

ফেসবুক পেজ এবং গ্রুপের মধ্যে কিছু পার্থক্য রয়েছে।ফেসবুক পেজে এডমিন শুধু নিজেই পোস্ট করতে পারে। আর ফেসবুক গ্রুপে সবাই পোস্ট করতে পারে।ফেসবুক পেজে এডমিন তার প্রোডাক্ট বা সার্ভিস পোস্ট বা আপলোড করতে পারে এবং তা বুস্ট করতে পারে। ফেসবুকের মাধ্যমে ফ্রি এবং পেইড দুইভাবে তা কাস্টমারের কাছ পৌঁছাতে পারে।আর ফেসবুক গ্রুপ হচ্ছে ফোরামের মতোন।গ্রুপে যে কেউ তার পোস্টে তার মতামত শেয়ার করতে পারে এবং অন্যের পোস্টে কমেন্ট করে তার মতামত জানাতে পারেন।ফেসবুক পেজ প্রাইভেট করতে পারবেন না্। আর ফেসবুক গ্রুপ প্রাইভেট করতে পারবেন কারো পোস্ট এপ্রোভ করলে তা পাবলিস্ট হবে।এপ্রোভ না করলে তা পাবলিষ্ট হবে না। তবে ফেসবুক মার্কেটিং করতে গেলে দুটোরই প্রয়োজন আছে।

কিভাবে ফেসবুক এডস দিবেন :

ফেসবুক এডস হচ্ছে ফেসবুকে বিজ্ঞাপন দেওয়া।ফেসবুক এডস মূলত: পেইড প্রমোশন।অর্থাৎ ফেসবুকে বিজ্ঞাপন দিতে গেলে আপনাকে ডলার বা টাকা গুনতে হবে।ফেসবুক এডস বা ফেসবুক বিজ্ঞাপন দিতে যে ওয়ে গুলো আপনাকে ফলো করতে হবে তা নিচে আলোচনা করা হলো।

১. সরাসরি বুষ্ট করে :

ফেসবুক এডস দিতে হলে সরাসরি আপনার পেজে গিয়ে আপনার পোস্ট করা প্রোডাক্ট গুলোর নিচে দেখতে পাবেন Boost Post লিখা আছে।সেখানে ক্লিক করে আপনার টার্গেট কান্ট্রি বা টার্গেটকৃত লোকেশন, বাটন সিলেক্ট করে দিতে পারেন। অডিয়েনস থেকে আপনি কত বছরের বয়সীদের আপনার বিজ্ঞাপন দেখাতে চান তা সিলেক্ট করে দিতে পারেন। আপনি কত ডলার বুস্ট করতে চান সেটি চুজ করতে পারেন। তারপর আপনার ক্রেডিট কার্ড বা পেপাল এড করে দিতে হবে।এরপর আপনি কানেক্ট বা বুস্ট পোস্ট নাউ ক্লিক করে দিলেই কিছুক্ষন পর আপনার এড রানিং হতে থাকবে।

২. এড ম্যানেজারের মাধ্যমে :

এড ম্যানেজার হচ্ছে ফেসবুক বিজ্ঞাপন প্রচার করার অন্যতম মাধ্যম।এটার মাধ্যমে আপনার টার্গেটকৃত কাস্টমারের কাছে আপনার বিজ্ঞাপন পৌঁছাতে পারবেন।প্রথমে আপনার প্রোফাইল লগিন করে আপনার পেজে যেতে হবে।তারপর Ad Center এ ক্লিক করুন।তারপর All ad ক্লিক করলে Ad Manager দেখতে পাবেন। সেখানে ক্লিক করুন।তারপর একটা এন্টারফেস আসবে।সেখানে থেকে আপনার আইডি সিলেক্ট করে Create ক্লিক করে Campaign তৈরি করতে হবে।প্রথমে ক্যাম্পিইনের নাম দিন।তারপর Objective এ বিভিন্ন ক্যাটাগরি থেকে ক্যাটাগরি সিলেক্ট করুন।তারপর নেক্সটে যান আপনার প্রোডাক্টের ছবি আপলোড করুন, লোকেশান সেট করুন, বিজ্ঞাপনটি কাদের দেখাতে চান ছেলে না মেয়ে বা উভয়কে তা সিলেক্ট করে দিন, বয়স সিলেক্ট করে দিন।তারপর অন্যান্য তথ্য দিয়ে ক্রেডিট কার্ড বা পেপাল সেট করে দিয়ে পাবলিশ করুন।কিছুক্ষন পর আপনার বিজ্ঞাপন রান হতে থাকবে।

ঘরে বসে অনলাইন থেকে ইনকাম করতে চাইলে লিংকে ক্লিক করুন : https://www.ictcorner.com/online-income/

পরিশেষে বলা যায় উপরের তিনটি কাজ যদি সঠিক ভাবে করতে পারেন তাহলে আপনার বিজ্ঞাপন টার্গেটকৃত কাস্টমারের কাছে পৌঁছে যাবে। আপনার কান্খিত ফল লাভ করতে পারবেন।মনে রাখবেন ফেসবুক মার্কেটিং (Facebook Marketing) করতে হলে আপনার টার্গেটকৃত কাস্টমার ফেসবুকে আছে কিনা তা দেখে শুনে মার্কেটিং করতে হবে।আপনার টার্গেটকৃত কাস্টমার নিয়মিত যাতায়াত করলেই তবে আপনি সফলতা লাভ করবেন।ফেসবুক মার্কেটিংয়ের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ন কাজ হলো ফেসবুক এড ক্যাম্পেইন তৈরি করা।ফেসবুক এড ক্যাম্পিইন তৈরি করা খুব একটা কঠিন কাজ নয়। আপনি নিজে নিজে একটু চেষ্টা করলেই ফেসবুক এড ক্যাম্পিইন তৈরি করতে পারবেন।আর যদি বুঝতে কোন সমস্যা হয় কমেন্টে জানাবেন।এছাড়া ইউটিউবে অনেক ভিডিও পাবেন তা দেখে নিতে পারেন।পাশাপাশি এ র্আটিকেল ফলো করলে আশা করি অনেক উপকৃত হবেন।ধন্যবাদ।

Related posts

Leave a Comment