ফেসবুক থেকে ইনকাম (Facebook Income) করার টিপস সমূহ

Facebook Income

সোসাল মিডিয়ার মধ্যে অন্যতম হলো ফেসবুক। ফেসবুক নাম শোনে নাই এমন মানুষ পাওয়া কঠিন। ফেসবুকে ছোট বড় সবাই অবাধ বিচরন করে থাকে। মোখরোচক ভাষায় ফেসবুককে টাইম কিলিং মেশিন বলা হয়ে থাকে। অর্থাৎ সময় ক্ষেপনের যন্ত্র বলা হয়ে থাকে। ফেসবুকে অযথা সময় নষ্ট না করে এই সময়কে কাজে লাগিয়ে ইনকাম করতে পারেন। ফেসবুক হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম। কিন্তু বর্তমানে ফেসবুক শুধু যোগাযোগ মাধ্যমই নয় ইনকামের উৎসও বটে। ফেসবুক থেকে বর্তমানে বিভিন্ন মাধ্যমে ইনকাম করা যায়। তাই আজকে আমরা আলোচনা করবো ফেসবুক থেকে ইনকাম (Facebook Income) করার টিপস সমূহ নিয়ে। কিভাবে ফেসবুক থেকে ইনকাম করা যায় তা বিস্তারিত জানবো।

ফেসবুক কি :

ফেসবুক হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। ফেসবুকের মাধ্যমে আত্মীয় স্বজন ,বন্ধু বান্ধব, পরিবার পরিজনের কাছে বর্তা পাঠানো যায়। চ্যাট, স্ট্যাটাস, ভয়েস কল, ভিডিও কল ইত্যাদির মাধ্যমে যোগাযোগ করা যায়। এই ফেসবুকের যাত্রা শুরু হয় ২০০৪ সালে। এর প্রতিষ্ঠাতা আমিরিকার মার্ক জাকারবার্গ। বর্তমানে এর মালিক ফেসবুক ইনক। ফেসবুকে বিনা মূল্যে সদস্য হওয়া যায়। যে কেউ রেজিষ্ট্রেশন করে এর সদস্য হতে পারে। বর্তমানে ফেসবুক ব্যাপক জনপ্রিয় মাধ্যম। এখন শুধু তথ্য আদান প্রদানই নয় ফেসবুক থেকে অর্থ ইনকাম করা যায়। আপনিও চাইলে ফেসবুক ব্যবহার করে বিভিন্ন পদ্ধতিতে অর্থ ইনকাম করতে পারেন।

ফেসবুক থেকে ইনকাম (Facebook Income) করার টিপস সমূহ :

বর্তমানে ফেসবুক মাধ্যমকে কাজে লাগিয়ে অনেকে লক্ষ লক্ষ টাকা ইনকাম করছে। ফেসবুক আইডি, ফেসবুক পেজ ও ফেসবুক গ্রুপ তৈরি করে তা প্রোপার ওয়েতে কাজে লাগিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা ইনকাম করছে। ইউটিউবের মতো ফেসবুকে ভিডিও আপলোড করে ইনকাম করছে। আপনিও চাইলে একটু মাথা খাটিয়ে পরিশ্রম করে ফেসবুক থেকে সহজে আয় করতে পারেন। ফেসবুক থেকে কি কি পদ্ধতিতে ইনকাম করা যায় সে বিষয় গুলো সম্পর্কে নিচে বিস্তারিত তুলে ধরার চেষ্টা করছি।

১. ফেসবুক প্রোফাইল বা আইডি

২. ফেসবুক পেজ

৩. ফেসবুক গ্রুপ

৪. ফেসবুকে ভিডিও আপলোড

৫. ফেসবুক মার্কেটপ্লেস

৬. ফেসবুক পেজে লাইক বৃদ্ধি করে

৭. ফেসবুক বিজ্ঞাপন

৮. ফেসবুক প্রোডাক্ট মার্কেটিং

৯. ফেসবুকে এফিলিয়েট মার্কেটিং

১০. ফেসবুকে ওয়েবসাইট বা ব্লগসাইটের লিংক প্রোমট করে

১. ফেসবুক প্রোফাইল বা আইডি :

ফেসবুক থেকে ইনকাম (Facebook Income) করতে চাইলে আপনার নিজের একটি প্রোফাইল বা আইডি থাকতে হবে। আপনার নাম, ঠিকানা, জিমেইল আইডি, পাসওয়ার্ড দিয়ে ফেসবুকে রেজিষ্ট্রেশন করে আপনার একটি ইউনিক প্রোফাইল বা আইডি তৈরি করতে হবে। আপনার প্রোফাইলে সঠিক তথ্য দিবেন ফেক আইডি দিয়ে ইনকাম করা যায় না। ফেসবুক সরাসরি ফেসবুক প্রোফাইল বা আইডি থেকে ইনকাম করার সুযোগ রাখে নাই। তবে ইনডাইরেক্ট ভাবে ফেসবুক থেকে ইনকাম করা যায়। সেটা কিভাবে ? সেটা হচ্ছে আপনার একটি ওয়েবসাইট বা ব্লগসাইট থাকতে হবে। সেই ওয়েবসাইট বা ব্লগসাইটের আর্টিকেল ফেসবুকে প্রচার করে এখান থেকে ভিজিটর বাড়িয়ে ওয়েবাসাইট বা ব্লগসাইট থেকে ইনকাম করতে পারেন। ফেসবুকে অসংখ্য মানুষের বিচরন ঘটে থাকে। এখানে আপনার কন্টেন্ট বা আর্টিকেল পোস্ট করলে অসংখ্য মানুষ তা দেখতে পাবে। তখন তারা আপনার ওয়েবসাইট বা ব্লগসাইটে যাবে। এভাবে ভিজিটর বাড়িয়ে আপনার ওয়েবসাইট বা ব্লগসাইট থেকে ইনকাম করতে পারবেন।

২. ফেসবুক পেজ তৈরি করা :

ফেসবুকের মূল ইনকাম আসে ফেসবুক পেজ থেকে। আপনাকে ফেসবুক আইডির আন্ডারে একটি ফেসবুক বিজনেস পেজ তৈরি করতে হবে। তাই আপনাকে ফেসবুকে একটি ফেসবুক বিজনেস পেজ বা ব্রান্ড পেজ তৈরি করে নিতে হবে। ফেসবুক বিজনেস পেজ তৈরি করা খুব একটি কঠিন কাজ নয়। আপনি ইউটিউবে একটু নাড়াচাড়া করলেই ফেসবুক বিজনেস পেজ তৈরি করার নিয়ম জানতে পারবেন। আর যদি সমস্যা মনে করেন তাহলে নিচের লিংকের মাধ্যমে একটি বিজনেস পেজ কিভাবে তৈরি করতে হয় জানতে পারবেন। বিজনেস পেজ তৈরি করতে হলে আপনাকে নিস সিলেক্ট করতে হবে। আপনি কোন বিষয়ে বিজনেস পেজ তৈরি করতে চান। সে বিষয় রিলেটেড নাম ও ক্যাটাগরি সিলেক্ট করে একটি ইউনিক ফেসবুক বিজনেস পেজ তৈরি করে নিবেন। তারপর পেজটাকে সুন্দর করে সাজাবেন। একটি লগো দিবেন, একটি ব্যানার দিবেন এবং অন্যান্য তথ্য দিয়ে সুন্দর করে বিজনেস পেজটি সাজাবেন। যাতে প্রফেশনাল লুক দেখায়। তারপর এই পেজে আর্টিকেল প্রোমোট করতে পারবেন, ভিডিও আপলোড করতে পারবেন, আপনার ব্যবসার প্রোডাক্ট সম্পর্কে প্রচার করতে পারবেন। তবে পেজে প্রচুর ফ্যান ফলোয়ার থাকতে হবে। মনে রাখবেন যত প্রচার ততো ইনকাম। নিচের লিংকের আর্টিকেলটি ভালো ভাবে পড়ে নিবেন তাহলে বিজনেস পেজ তৈরি করতে পারবেন।

পড়ুন :

কিভাবে ফেসবুক বিজনেস পেজ ও গ্রুপ তৈরি করবেন।

৩. ফেসবুক গ্রুপ তৈরি করা :

ফেসবুক গ্রুপের মাধ্যমে ইনাকম করা যায়। ফেসবুক গ্রুপ কিভাবে তৈরি করবেন উপরের লিংকের মাধ্যমে তৈরি করে নিতে পারবেন। ফেসবুক গ্রুপ তৈরি করা সহজ কাজ। গ্রুপে একটি সুন্দর ব্যানার সেট করুন। যাতে সবাইকে আকৃষ্ট করে। বার বার দেখতে আকর্ষন বোধ করে। সহজে একটি গ্রুপ তৈরি করে নিয়ে তাতে সদস্য বৃদ্ধি করুন। যত সদস্য বেশি হবে ততো আপনার প্রচার বৃদ্ধি পাবে। কথায় আছে না প্রচারে প্রসার। গ্রুপে আপনার প্রোডাক্টের ছবি সহ রিভিও পোস্ট করুন। এছাড়া বিভিন্ন Buy Sell গ্রুপ রয়েছে। বিভিন্ন Buy Sell গ্রুপে আপনার প্রোডাক্ট প্রোমট করে ইনকাম করতে পারেন। গ্রুপের মাধ্যমে আপনার প্রোডাক্ট সেল হওয়ার সম্ভবনা বেশি থাকে। গ্রুপের মাধ্যমে আপনার ব্যবসা প্রোমট করে সেল জেনারেট করে ইনকাম করতে পারেন।

৪. ফেসবুকে ভিডিও আপলোড করা :

ইউটিউবের মতো ফেসবুকে ভিডিও আপলোড করে ফেসবুক থেকে ইনকাম (Facebook Income) করা যায়। ফেসবুজ পেজে ভিডিও আপলোড করুন। তারপর ফেসবুক পেজ মনিটাইজেশন করুন। ফেসবুক পেজ মনিটাইজেশনের কিছু শর্ত রয়েছে। সে গুলো ফুলফিল করে মনিটাইজেশনের জন্য আবেদন করতে হবে। মনিটাইজেশন পেলে সেখান থেকে ইনকাম করতে পারবেন। ফেসবুক পেজ মনিটাইজেশনের শর্তাবলী হচ্ছে :

১. ফেসবুক পেজে ১০০০০ ফলোয়ার থাকতে হবে।

২. শেষ ৬০ দিনে আপনার ফেসবুক পেজের ভিডিওতে ৩০০০০ ভিউস থাকতে হবে। প্রতিটি ভিডিওতে কমপক্ষে ১ মিনিটের ভিউ থাকতে হবে।

৩. প্রতিটি ভিডিও কমপক্ষে ৩ মিনিটের হতে হবে। ফেসবুক ৩মিনিটের নিচে ভিডিও এলাও করে না। কারন ৩ মিনিটের ভিডিও লম্বা না হলে ফেসবুক বিজ্ঞাপন দেখায় না।

৪. আপনার বয়স কমপক্ষে অবশ্যই ১৮ বৎসর হতে হবে।

৫. ফেসবুক মনিটাইজেশন পলিসি মেনে আপনাকে ভিডিও তৈরি করতে হবে।

এছাড়া লাইভ ভিডিও করেও ফেসবুক থেকে আয় করতে পারেন। এর জন্য আপনাকে ৪ মিনিটের বেশি লম্বা ভিডিও তৈরি করতে হবে এবং কমপক্ষে ৩০০ জন দেখতে হবে।

৫. ফেসবুক মার্কেট প্লেস :

ফেসবুক মার্কেট প্লেস থেকে ইনকাম করা যায়। ফেসবুকের মার্কেট প্লেস ফেসবুকের একটি দারুন স্টেটিজি। এখানে আপনার প্রোডাক্টের লিংক, নাম, ছবি, মূল্য সহ বিস্তারিত বর্ননা দিয়ে আপলোড দিন। ফেসবুক অটোমেটিক আপনার পন্য সম্পর্কে প্রচার করতে থাকবে। যখান কোন কাস্টমার আপনার পন্য পছন্দ করবে তখন সে ক্রয় করতে পারে। এভাবে আপনি ফেসবুক মার্কেটপ্লেসের মাধ্যমে সেল জেনারেট করে ফেসবুক থেকে ইনকাম করতে পারেন।

৬. ফেসবুকে পেজের লাইক বৃদ্ধি :

ফেসবুক পেজে লাইক বৃদ্ধি করে ফেসবুক থেকে ইনকাম করা যায়। আপনার পেজে যদি এক লক্ষ লাইক থাকে তাহলে আপনার পেজের সেল জেনারেট বৃদ্ধি পাবে। সেল বেশি মানে ইনকাম বেশি। তাই আপনার পেজে লাইক বেশি হলে আপনার পেজ বিক্রি করে ইনকাম করতে পারবেন। পেজে লাইক বৃদ্ধির কিছু স্টেটেজি রয়েছে। তা হচ্ছে আপনি বড় বড় গ্রুপ গুলোতে লাইক দিয়ে আপনার পেজের নাম বসিয়ে লাইক দেওয়ার ইনভাইট করতে পারেন। এছাড়া আপনার পেজের মাধ্যমেও বিভিন্ন বন্ধুদের ইনভাইট করতে পারেন। তাই আপনার পেজে লাইক বৃদ্ধি করুন এবং বেশি বেশি সেল জেনারেট করে ইনকাম করুন।

৭. ফেসবুক বিজ্ঞাপন :

ফেসবুকে আপনার বিজ্ঞাপন প্রচার করে আয় করতে পারেন। কোনো প্রডাক্টের বিজ্ঞাপন দিতে চাইলে তা ফেসবুকে প্রচার করে ইনকাম করতে পারেন। ফেসবুকে হাজার হাজার দর্শকের আগমন ঘটে। তারা আপনার বিজ্ঞাপন দেখতে পেলে তা সহজে লুফে নিবে। অনলাইন বিজ্ঞাপন বা ডিজিটাল বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের ক্ষেত্রে ফেসবুক খুব জনপ্রিয়। আপনি চাইলে ফেসবুকে বিভিন্ন প্রোডাক্টের বিজ্ঞাপন দিয়ে সেল জেনারেট করে ইনকাম করতে পারেন।

৮. ফেসবুকে প্রোডাক্ট মার্কেটিং :

ফেসবুকে আপনার প্রোডাক্ট মার্কেটিং করে আয় করতে পারেন। ফেসবুক হচ্ছে জনপ্রিয় মাধ্যমে এখানে হাজার হাজার দর্শকের আগমন ঘটে। আপনার পেজে ফ্যান ফলোয়ার বৃদ্ধি করতে হবে। আপনার পেজে প্রোডাক্টে গুনাগুন বর্ননা দিয়ে ছবি সহ পোস্ট করুন। আপনার প্রোডাক্ট ভালো লাগলে অনেকে তা ক্রয় করতে পারে। এছাড়া আপনার প্রোডাক্ট বোস্ট করেও প্রোডাক্ট বিক্রি করে আয় করতে পারেন। বুশট করার মাধ্যমে সহজে সেল জেনারেট করা যায়। বুশট করতে হলে আপনাকে পে করতে হবে।

৯. ফেসবুকে এফিলিয়েট মার্কেটিং :

এফিলিয়েট মার্কেটিং হচ্ছে কোন কোম্পানীর পন্য বিক্রি করে দেওয়ার বিনিময়ে যে কমিশন পাওয়া যায় তাকে এফিলিযেট মার্কেটিং করা বলে। আপনি কোনো কোম্পানীর একাউন্ট খুলে সেখান থেকে প্রোডাক্টের লিংক সংগ্রহ করে ফেসবুকে প্রচার করে বিক্রি করে আয় করতে পারেন। অনলাইনে দুই ধরনের প্রোডাক্ট বিক্রি করা যায়। ডিজিটাল প্রোডাক্ট ও ফিজিক্যাল প্রোডাক্ট। ডিজিটাল প্রোডক্ট হচ্ছে যে গুলো ছোয়া যায় না ফিজিক্যাল প্রোডাক্টের চেয়ে ডিজিটাল প্রোডাক্টে কমিশন বেশি পাওয়া যায়। দারাজ, ইভেলি, আমাজন, বিডি শপ ইত্যাদি কোম্পানী থেকে প্রোডাক্ট নিয়ে ফেসবুকে প্রমোট করে এফিলিয়েট ইনকাম করতে পারেন।

১০. ওয়েবসাইট বা ব্লগসাইটের লিংক প্রোমোট করে ইনকাম :

ফেসবুজ পেজে আপনার ওয়েবসাইট বা ব্লগসাইটের লিংক প্রোমোট করে ইনকাম করতে পারেন। ফেসবুকে লিংক প্রচার করে আপনার সাইটে ভিজিটর বৃদ্ধি করতে পারেন। আপনার সাইটে ভিজিটর বৃদ্ধি হলে আপনার সাইট গুগুল টপে আসবে। গুগুল টপে আসলে সবাই তা দেখতে পাবে। বর্তমানে ব্লগসাইট গুলোতে এডসেন্সের বিজ্ঞাপন বেশি প্রচার করা হয়ে থাকে। আপনার সাইট গুগুল টপে আসলে তা সবার নজরে আসবে। তখন বেশির ভাগ দর্শক আপনার সাইটে প্রবেশ করবে। ফলে তারা এডসেন্স বিজ্ঞাপনে ক্লিক বেশি করবে এবং ইনকাম বেশি হবে।

পড়ুন :

কিভাবে ডাটা এন্ট্রি করা যায়

ঘরে বসে কিভাবে অনলাইন ইনকাম করবেন

শেষ কথা :

পরিশেষে কথা হচ্ছে ফেসবুকে ইনকাম (Facebook Income) করতে চাইলে আপনার ফেসবুকের আইডির মাধ্যমে একটি বিজনেস পেজ এবং গ্রুপ থাকতে হবে। এই বিজনেস পেজ এবং গ্রুপে ফ্যান ফলোয়ার বৃদ্ধি করতে হবে। ফ্যান ফলোয়ার বৃদ্ধি পেলে সেখানে আপনার প্রোডাক্ট এবং সার্ভিস প্রোমোট করে ইনকাম করতে পারেন। বর্তমানে ভিডিও শেয়ারিংয়ের ক্ষেত্রে ফেসবুকের জনপ্রিয়তা যে হারে বাড়ছে তা একদিন ইউটিউবকে ছাড়িয়ে যাবে। কারন ইউটিউবে শুধু মাত্র ভিডিও প্রচার করা হয়ে থাকে। আর ফেসবুকে আটিকেল, ছবি ও ভিডিও শেয়ারিং করা হয়ে থাকে। উপরে ফেসবুকে ইনকামের (Facebook Income) বিভিন্ন পদ্ধতির কথা উল্লেখ করা হলো। আপনি ইচ্ছা করলে পদ্ধতি গুলো অনুসরন করে ফেসবুক থেকে ইনকাম করতে পারেন। মনে রাখবেন পৃথিবীতে কোনো কাজই সহজ নয়। তবে কাজ করতে করতে তা সহজ হয়ে যায়। আপনি যদি ফেসবুক থেকে ইনকামের ইচ্ছা পোষন করে থাকেন তাহলে আজই কাজ শুরু করে দিন।

Related posts

2 Thoughts to “ফেসবুক থেকে ইনকাম (Facebook Income) করার টিপস সমূহ”

  1. Thanks for the good article, I hope you continue to work as well.Спаситель на продажу

Leave a Comment