ডিজিটাল মার্কেটিং(Digital Marketing) কি এবং কিভাবে ডিজিটাল মার্কেটিং করা যায়

Digital Marketing

ডিজিটাল মার্কেটিং (Digital Marketing) কিওয়ার্ডটির সাথে আমরা সবাই কম বেশি পরিচিত।ডিজিটাল মার্কেটিং বর্তমান বিশ্বায়নের যুগে নব দিগন্তের সূচনা করেছে।বর্তমান যুগ ডিজিটাল যুগ।বর্তমানে গোটা বিশ্ব ডিজিটালাইজেশন হয়ে গেছে। সবাই ইন্টারনেটের উপর নির্ভর করে চলছি।ইন্টারনেট আমাদের জীবন চলার সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইন্টারনেট ছাড়া আমরা এক ধাপ চলতে পারি না। আগের যুগের মানুষের মতো পায়ে হেঁটে ১০/২০ মাইল পথ দুরে গিয়ে কোন কিছু করতে চাই না।ঘরে বসে সব কিছু পেতে চাই।তাই ডিজিটাল পৃথিবীতে ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের বিকল্প নাই।এখনকার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গুলো তাদের ব্যবসার কৌশল হিসাবে ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছে।বর্তমানে ডিজিটাল মার্কেটিং অন্যান্য মার্কেটিংয়ের চেয়ে অনেক ফাস্ট এবং বস্তবমূখী। ডিজিটাল মার্কেটিং একই সাথে ভোক্তা এবং বিপননকারী উভয়েরই উপকারে আসে। সুতরাং আসুন ডিজিটাল মার্কেটিং (Digital Marketing) কি এবং কিভাবে ডিজিটাল মার্কেটিং করা যায় সে বিষয়ে জেনে নেই।

মার্কেটিং কি :

ডিজিটাল মার্কেটিং (Digital Marketing) সম্পর্কে জানার আগে জানতে হবে মার্কেটিং কি ? মার্কেটিং হচ্ছে কোন পন্যের প্রচার প্রচারনা করা এবং লিড জেনারেট করাকে মার্কেটিং বলে। মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে মানুষ জানতে পারে আপনার কোম্পানীতে কোন ধরনের প্রোডাক্ট বা সার্ভিস আছে। তার গুনাগুন কি, তার মান কেমন ইত্যাদি সম্পর্কে জানতে পারে।তবেই আপনার কোম্পানী বা প্রতিষ্ঠানের প্রোডাক্ট সেল বা বিক্রয় হয়।তাই ব্যবসার মূল চাবিকাঠি হচ্ছে যথাযথ মার্কেটিং করা।

ডিজিটাল মার্কেটিং কি :

ডিজিটাল মার্কেটিং (Digital Marketing) হচ্ছে ইলেকট্রনিক মিডিয়ার মাধ্যমে পন্য বা ব্রান্ডের প্রচার প্রচারনা করাকে ডিজিটাল মার্কেটিং বলে। বিস্তার র্অথে কম্পিউটার, মোবাইল, টেলিযোগাযোগ, ফ্যাক্স ইত্যাদির মাধ্যমে ইন্টারনেট সংযোগের ভিত্তিতে যে প্রচার বা প্রচারনা করা হয় তাকে ডিজিটাল মার্কেটিং বলে। সনাতন পদ্ধতি থেকে ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে ভিন্নতা রয়েছে। সনাতন পদ্ধতি হচ্ছে পুরাতন পদ্ধতি আর ডিজিটাল পদ্ধতি হচ্ছে লেটেস্ট পদ্ধতি। ডিজিটাল মার্কেটিং হচ্ছে ইন্টারনেটের মাধ্যমে যে মার্কেটিং করা হয় তাকে ডিজিটাল মার্কেটিং বলে।

এনালগ মার্কেটিং ও ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের মধ্যে পার্থক্য :

এনালগ মার্কেটিং হচ্ছে সনাতন পদ্ধতি বা পুরাতন পদ্ধতি। আর ডিজিটাল মার্কেটিং হচ্ছে লেটেস্ট পদ্ধতি বা ইলেক্ট্রনিক পদ্ধতি।এনালগ বা সনাতন মার্কেটিং হলো টেলিভিশন, রেডিও, পত্র-পত্রিকা, ফেস্টুন, লিফলেট, ব্যানার ইত্যাদির মাধ্যমে যে প্রচার প্রচারনা করা হয় তাকে এনালগ মার্কেটিং বলে। আর ডিজিটাল মার্কেটিং হলো কম্পিউটার, মোবাইল, টেলিযোগাযোগ, ফ্যাক্স ইত্যাদির মাধ্যমে ইন্টারনেট সংযোগের ভিত্তিতে যে মার্কেটিং করা হয় তাকে ডিজিটাল মার্কেটিং বলে।

১. এনালগ মার্কেটিংয়ে খরচের পরিমান অনেক বেশি এবং ফলাফল অনেক কম। পক্ষান্তরে ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে খরচের পরিমান তুলনামুলক কম এবং ফলাফলও অনেক বেশি।

২. এনালগ মার্কেটিংযে বিজ্ঞাপনের ফলাফলের কোন পরিপূর্ন ডাটা পাওয়া যায় না। পক্ষান্তরে ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে ফলাফলের সম্পূর্ন ডাটা পাওয়া যায়।

৩. এনালগ মার্কেটিংয়ে টার্গেটেড কাস্টমারের কাছে বিজ্ঞাপন প্রচার করা সম্ভব হয় না। পক্ষান্তরে ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে টার্গেটেড কাস্টমারের নিকট বিজ্ঞাপন প্রচার করা সম্ভব হয়।

৪. এনালগ মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে এর প্রচার একটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে সীমাবদ্ধ।যেমন টেলিভিশন, রেডিও, সংবাদ পত্রেরর মাধ্যমে এর প্রচার করা হয় তা শুধু দেশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে।পক্ষান্তরে ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে এর প্রচার প্রচারনা কোন নির্দিষ্ট সীমা নেই। এটা ইন্টারনেটের মাধ্যমে এটা দেশে এবং দেশের বাহিরে গোটা বিশ্ব ব্যাপী প্রচার করা যায়।

৫. এনালগ মার্কেটিংয়ের ব্যাপকতা কম। পক্ষান্তরে ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের ব্যাপকতা বেশি। এতে বিভিন্ন সিস্টেমে বিজ্ঞাপন প্রচার করা যায়। তাই আমরা দেখতে পাই এনালগ মার্কেটিংয়ের চেয়ে ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের সুবিধা অনেক বেশি।

কিভাবে ডিজিটাল মার্কেটিং করা যায় বা পদ্ধতি সমূহ :

ডিজিটাল মার্কেটিং করতে হলে কিছু পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে।সেই পদ্ধতি গুলোর সঠিক প্রয়োগ করতে পারলে ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে সফলতা বয়ে আনা সম্ভব।ডিজিটাল মার্কেটিং করার পদ্ধতি সমূহ নিচে উল্লেখ করা হলো।

১. ব্লগসাইট বা ওয়েবসাইট তৈরি করা :

ডিজিটাল মার্কেটিং করতে হলে প্রথমে একটি ব্লগসাইট বা ওয়েবসাইটি তৈরি করতে হবে।আপনি যদি নিজে পারেন তো ভাল কথা। আর যদি না পারেন তাহলে কোন পারফামারকে দিয়ে তৈরি করে নিবেন। ওয়েবসাইট তৈরি করার পর আপনার প্রোডাক্ট বা পন্য সম্পর্কে সুন্দর সুন্দর কন্টেন্ট বা রিভিও তৈরি করবেন।তখন ভিজিটর আপনার সাইটে আসবে এবং আপনার প্রোডাক্ট সম্পর্কে জানতে পারবে। আপনার প্রোডাক্টের গুনগত মান ভাল হলে কাস্টমাররা আপনার প্রোডাক্ট ক্রয় করবে।তখন আপনার ব্যবসার প্রসার ঘটবে এবং উন্নতি লাভ করতে থাকবে।

২. কন্টেন্ট রাইটিং বা রিভিও তৈরি করা :

ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের অন্যতম বিষয় হলো কন্টেন্ট রাইটিং বা রিভিও তৈরি করা।কন্টেন্ট বা রিভিও তৈরি করা হচ্ছে আপনার প্রডাক্ট বা সার্ভিস সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ননা দিয়ে একটি র্আটিকেল লেখা।আপনার প্রোডাক্টের গুনাগুন কেমন, প্রোডাক্টের রং কেমন, প্রোডাক্টের টিকস্‌ই কেমন, প্রোডাক্টের মূল্য কত ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ননা দিয়ে সুন্দর করে কন্টেন্ট তৈরি করতে হবে। যা পড়ে কাস্টমাররা আপনার প্রোডাক্ট বা সার্ভিস সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবে।

৩. এস ই ও ( SEO ) করা :

এস ই ও (SEO) হচ্ছে সার্চ ইন্জিন অপটেমাইজেশন করা।এটা হচ্ছে গুগুলের একটি কৌশল। যার মাধ্যমে গুগুলে সার্চ করলে সহজে আপনার কন্টেন্ট খোঁজে পাওয়া সম্ভব হয়।অনলাইনে অনেক ব্রাউজার আছে যেমন গুগুল, বিং, ইয়াহু, ইয়াডেক্স ইত্যাদি সার্চ ইন্জিন রয়েছে। এ গুলোতে সার্চ করলে যেন আপনার কন্টেন্ট বা রিভিও সবার উপরে দেখা যায় তার জন্য এস ই ও করতে হয়। এস ই ও করার বিভিন্ন পদ্ধতি রয়েছে।এস ইও দুই ভাবে করতে হয়। এক, অনপেজ এস ই ও এবং দুই, অফপেজ এস ই ও। এস ই ও এর মাধ্যমে আপনার ব্রান্ড বা প্রোডাক্ট রিভিও গুগুল বা সার্চ ইন্জিনের প্রথম পেজে আসা সম্ভব।সঠিক ভাবে এস ই ও করতে পারলে আপনার ব্রান্ড গুগুলের প্র্রথম পেজে আসবে। গুগুলের প্রথম পেজে আসলে তা সবাই দেখতে পাবে।যার ফলে আপনার পন্যের সেল বা বিক্রি বেশি হবে। এস ই ও ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন বিষয় হলো সঠিক কিওয়ার্ড নির্বাচন করা।এই কিওয়ার্ডের উপর নির্ভর করে আপনার সার্চ ইন্জিনের সফলতা।তাই সঠিক কিওয়ার্ড নির্ববাচন করুন এবং সঠিক ভাবে এস ই ও করুন।এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চাইলে নিচের লিংকে ক্লিক করুন।লিংকটি হলো : https://www.ictcorner.com/on-page-seo/

৪. ফেসবুক বিজনেস পেজ তৈরি করা :

ডিজিটাল মার্কেটিং করতে চাইলে ফেসবুকে একটি ফ্যানপেজ বা বিজনেস পেজ থাকেতে হবে। ফেসবুক বিজনেস পেজ প্রমোট করে আপনার ব্যবসাকে সম্প্রসারিত করতে হবে। তাই আপনার ফেসবুক আইডি থেকে সুন্দর একটি বিজনেস পেজ তৈরি করুন। ফেসবুক বিজনেস পেজ তৈরি কঠিন কোন কাজ না।আপনি নিজেই চেষ্টা করলে একটি সুন্দর পেজ তৈরি করতে পারবেন। প্রথমে আপনার আইডি থেকে Create page এ ক্লিক করুন। তারপর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে সুন্দর একটি নাম চুজ করুন। তারপর ক্যাটাগরি সিলেক্ট করুন।তারপর আপনার প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে কিছু বর্ননা দিয়ে ক্রেয়িট করুন। তারপর পেজটাকে সুন্দর একটা লুক দিন।আপনার ব্রান্ডের লগো দিন, কভার ফটো দিন এবং About পেজ সুন্দর ভাবে ফিলাপ করুন।তারপর আপনার পেজে আপনার প্রডাক্ট প্রোমট করা শুরু করে দিন।ফেসবুক পেজ ফ্রিতেও প্রমোট করতে পারবেন। আবার পেইড ভাবে প্রমোট করতে পারবেন। ফেসবুকের মাধ্যমে প্রচুর কাস্টমার পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

৫. সোসাল মিডিয়া মার্কেটিং করা :

সোসাল মিডিয়া ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের জন্য অন্যতম মাধ্যম। সোসাল মিডিয়া মার্কেটিং হলো এমন একটি ওয়ে যেখানে বিভিন্ন সাইট যেমন: ফেসবুক, টুইটার, ইনিস্টাগ্রাম, পিন্টারিস্ট, লিংকদিন ইত্যাদি সাইট গুলোর মাধ্যমে আপনার ব্যবসার পন্যের প্রচার, প্রসার এবং বিপনন করতে পারবেন। যা আপনার ব্যবসার প্রচার এবং বিক্রয়ে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। আপনি অতি সহজে কোন খরচ ছাড়াই এই মাধ্যম গুলোতে প্রচার চালাতে পারবেন। সোসাল মিডিয়া গুলোতে একাউন্ট খুলে আপনার বিজ্ঞাপন গুলো প্রচার করতে পারবেন। এই মিডিয়া গুলোতে একটিভ থাকুন, কুমিউনিটি তৈরি করুন, আপনার ব্যবসার প্রচার সহ পাশাপাশি উপকারি পোস্ট করুন। এতে আপনার কাস্টমার বৃদ্ধি পাবে।

৬. ভিডিও মার্কেটিং করা :

ভিডিও মার্কেটিং বর্তমানে একটি জনপ্রিয় মাধ্যম।ভিডিও আমরা সবাই কম বেশি দেখে থাকি। ভিডিও দেখতে সাচ্ছন্দ বোধ করি।তাই ইউটিউবে ভিডিও বানিয়ে আপলোড করে আপনার বিজনিস বা ব্রান্ড সম্পর্কে প্রচার করতে পারেন। ইউটিউবের স্থান গুগুলের পরেই। ইউটিউবে প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ লোক ভিডিও দেখে। প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ ভিডিও আপলোড হচ্ছে। আপনিও আপনার ব্রান্ড বা প্রতিষ্ঠানের প্রোডাক্ট সম্পর্কে ভিডিও বানিয়ে আপলোড করুন।এতে প্রচুর কাস্টমার পাবেন। এছাড়া ভিডিও আপলোডের বিভিন্ন সাইট রয়েছে যেমন: ইউটিউব, ভিমো, ডেলিমোশন, রেভের ইত্যাদি। এই সাইট গুলোতে ভিডিও বানিয়ে আপলোড করে আপনার ব্যবসার প্রচার ও প্রোমোট করতে পারেন।

৭. ইমেইল মার্কেটিং করা :

ইমেইল মার্কেটিংয়ের মাধ্যমেও আপনি ডিজিটাল মার্কেটিং করতে পারেন। ইমেইল মার্কেটিং করতে হলে প্রথমে আপনাকে একটি ইমেইল আইডি খোলতে হবে।এই ইমেইলের মাধ্যমে মুহুর্তের মধ্যে আপনার পন্য এব্ং সেবা হাজার হাজার গ্রাহকের কাছে তুলে ধরতে পারবেন।ইমেইল মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে ক্রেতাদের কাছে পন্যের তথ্য সহজে পৌঁছানো সম্ভব।ইহা অত্যন্ত কার্যকরি পদ্ধতি।এই পদ্ধতিতে ডিজিটাল মার্কেটিং করতে পারলে স্বয়ংক্রিয় ভাবে আপনার পন্য অধিক পরিমানে বিক্রি হতে থাকবে।তাই আপনাকে একটি একটিভ জিমেইল একাউন্ট বা ইমেইল আইডি থাকতে হবে।আপনার ইমেইল আইডি থাকলে ভালো কথা।আর যদি ইমেইল আইডি না থেকে থাকে তাহলে এই লিংকে ক্লিক করে ইমেইল আইডি খুলে নিতে পারেন। লিংক : https://www.ictcorner.com/email/

৮. মোবাইল মার্কেটিং করা :

ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের (Digital Marketing) ক্ষেত্রে মোবাইল মার্কেটিং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন।মোবাইল মার্কেটিং হলো SMS মার্কেটিং, MMS মার্কেটিং, ব্লুটুথ মার্কেটিং, ম্যাসেন্জার মার্কেটিং ইত্যাদির মাধ্যমে মার্কেটিং করা। এছাড়া মোবাইলে কল করে সরাসরি কথা আদান প্রদানের মাধ্যমে ব্যবসা বা পন্যের প্রচারনা বা বিপনন করা হয়ে থাকে। এই মার্কেটিং পদ্ধতিটি খুবই ফ্লেক্সিবল। এটিকে টাকা তৈরি করার টুল হিসাবে ব্যবহৃত করা হয়।তাই মোবাইল মার্কেটিং অত্যন্ত কার্যকরি পদ্ধতি।

৯. এ্যফিলিয়েট মার্কেটিং করা :

এ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হচ্ছে (Digital Marketing) ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের পার্ট।এ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হচ্ছে কোন কোম্পানীর পন্য বিক্রির বিনিময়ে যে কমিশন দেওয়া হয় বা পান তাকে এ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং বলা হয়ে থাকে।এ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করতে হলে নিজের কোন ব্লগসাইট বা ওয়েবসাইট বা ইউটিউব চ্যানেল থাকতে হবে।তবেই এ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করতে পারবেন। এ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং একটি বৈধ প্রক্রিয়া। বিশ্বে বড় বড় প্রতিষ্ঠান এ্যাফিলিয়েট মার্কিটিং করছে।আমাজান , ক্লিক ব্যাংক, শেয়ারসেল, দারাজ, বিডি সপ প্রভৃতি প্রতিষ্ঠান এ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করছেন।

১০. সি পি এ মার্কেটিং করা :

সি পি এ মার্কেটিংও ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের অংশ। CPA এভরিভিশন হচ্ছে Cost Per Action. সি পি এ মার্কেটিংয়ে ছোট কাজ করতে হয়। যেমন: জিপকোড সাবমিট, ইমেইল কালেকশন, সাইন আপ, ভিডিও ডাউনলোড করা ইত্যাদি কাজ করতে হয়। এছাড়াও বড় বড় প্রডাক্ট বিক্রি করে আয় করা যায়। সি পি এ দুই ভাবে করা যায়। এক, ফ্রিতে করা যায় দুই, পেইড ভাবে করা যায়। এখানে প্রতি লিডে গড়ে ১ ডলার থেকে ৪ ডলার পর্যন্ত পাওয়া যায়। এটা বিগিনারদের জন্য কার্যকরি পদ্ধতি। বিভিন্ন সি পি এ মার্কেট প্লেস আছে সে গুলোতে একাউন্ট করে মার্কেটিং করতে পারেন।যেমন: CPA Gripe. CPA Lead, ইত্যাদি সাইট গুলোতে মার্কেটিং করা যায়।

পরিশেষে বলা যায় ডিজিটাল মার্কেটিং (Digital Marketing ) হচ্ছে ডিজিটাল পদ্ধতিতে যে মার্কেটিং করা হয় তাই ডিজিটাল মার্কেটিং।বর্তমানে ব্যবসা করতে চাইলে এনালগ বা পুরাতন ধ্যান ধারনা বাদ দিয়ে ডিজিটাল পদ্ধিতিতে মার্কেটিং করুন।তার আগে আপনাকে জেনে নিতে হবে ডিজিটাল মার্কেটিং কি এবং কিভাবে ডিজিটাল মার্কেটিং করা যায়।সঠিক ভাবে ডিজিটাল মার্কেটিং করতে পারলে আপনার ব্যবসার সাফল্য অনিবার্য।ব্যবসার সাফল্য আসবেই ইনশাল্লাহ।

Related posts

Leave a Comment