কনটেন্ট রাইটিং কি এবং কনটেন্ট রাইটিং (Content Writing) টিপস্ সম্পর্কে জানুন

Content Writing,2

এস ই ও ফ্রেন্ডলি কনটেন্ট রাইটিং (Content writing) অনপেজ এস ই ও এর একটি গুরুত্বপূর্ন অংশ। যা একটি ওয়েবসাইটের কনটেন্ট বা আর্টিকেলকে গুগুল সার্চ ইন্জিনে রেন্ক করানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করে থাকে। একজন কনটেন্ট রাইটিংয়ের কাজ হচেছ লেখালেখি করা। সে যে কোন বিষয়ে লেখালেখি করতে পারে। কিন্তু তা হতে হবে বাস্তবতা ভিত্তিক এবং মাধুর্য্য পূর্ন। যা থেকে যে কেউ জ্ঞানমূলক, শিক্ষামূলক, কল্যানমূলক কিছু পেতে পারে। আর এই লেখা তখনই স্বার্থক ও প্রানবন্ত হবে যখন তাকে এস ই ও করা হবে। কোনো কনটেন্টকে এস ই ও করতে হলে কিছু নিয়ম বা টিপস্ ফলো করতে হয়। তাই আজ আমরা জানবো কিভাবে এস ই ও ফ্রেন্ডলি কনটেন্ট রাইটিং করতে হয়। সে বিষয়ে কিছু টিপস আপনাদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করবো।

কনটেন্ট রাইটিং (Content Writing) কি :

কনটেন্ট রাইটিং সম্পর্কে জানার আগে আপনাকে জানতে হবে কনটেন্ট কি ? কনটেন্ট হচ্ছে কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও ইত্যাদি তৈরি করে যে বিষয় গুলো ব্লগসাইট বা ওয়েবসাইটে প্রকাশ করি তাই হচ্ছে কনটেন্ট। মোটকথা ব্লগসাইট বা ওয়েবসাইটে আমরা যা কিছু উপস্থাপন করে থাকি তাই হচ্ছে কনটেন্ট। আর কনটেন্ট রাইটিং হচ্ছে যখন কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে লেখালেখি করি তখন তাকে কনটেন্ট রাইটিং বলা হয়ে থাকে। সহজ কথায় বলা যায় যখন কোনো বিষয়ে মনের মাধুরী মিশিয়ে লেখালেখি করেন তখন তাকে কনটেন্ট রাইটিং (Content writing) বলা হয়ে থাকে। কনটেন্ট রাইটিংকে আর্টিকেল রাইটিংও বলা হয়ে থাকে।

কনটেন্ট কি কি ধরনের হয়ে থাকে :

কনটেন্টকে বলা হয়ে থকে King of website. অর্থাৎ কনটেন্ট হচ্ছে কোনো সাইটে রাজা। কনটেন্ট ছাড়া কোনো সাইট মুল্যহীন।কনটেন্ট সাধারত: চার ধরনের হয়ে থাকে। তা নিচে তুলে ধরার চেষ্টা করছি।

১. Text Content ( লেখা কনটেন্ট ) :

Text Content হচ্ছে লেখালেখি করার মাধ্যমে যে কনটেন্ট তৈরি করা হয়ে থাকে তাকে Text Content বলা হয়ে থাকে। যেমন : এই কনটেন্ট যে আমরা লিখছি, এটা হচ্ছে Text Content.

2. Image Content (ছবি কনটেন্ট ) :

Image Content হচ্ছে ছবি বা কোন চিত্রের মাধ্যমে যখন কোনো কনটেন্ট তৈরি করা হয়ে থাকে তখন তাকে Image Content বলা হয়ে থাকে। যেমন : গ্রাফিক্স এলিমেন্টস, ছবির মাধ্যমে কোন দৃশ্য ফুটিয়ে তোলা ইত্যাদি।

3. Audio Content ( অডিও কনটেন্ট ) :

অডিও কনটেন্ট হচ্ছে যখন কোনো সাউন্ড বা শব্দের ভিত্তিতে কনটেন্ট তৈরি করা হবে তখন তাকে Audio Content বলা হয়ে থাকে। যেমন : মিউজিক কনটেন্ট, টিউটরিয়াল কনটেন্ট ইত্যাদি।

4. Video Content ( ভিডিও কনটেন্ট ) :

ভিডিও কনটেন্ট হচ্ছে ভিডিও তৈরির মাধ্যমে যে কনটেন্ট তৈরি করা হয়ে তাকে তখন তাকে Video Content বলা হয়ে থাকে। যেমন : ইউটিউবে আমার যে ভিডিও গুলো দেখে থাকি এ গুলো এক একটা ভিডিও কনটেন্ট।

কনটেন্ট রাইটিং (Content Writing) টিপস্ :

কনটেন্ট রাইটিং (Content Writing) হচ্ছে একটি ব্লগসাইট বা ওয়েবসাইটের জন্য খবুই গুরুত্বপূর্ন। তবে সে কনটেন্ট হতে হবে এস ই ও ফ্রেন্ডলি। অর্থাৎ কনটেন্ট হতে হবে সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজ কৃত। সার্চ ইন্জিনের মাধ্যমে একটি সাইটকে বা কনটেন্টকে সহজে খুজে পাওয়া সম্ভব। একটি উদাহরনের মাধ্যমে আপনাদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করছি। ধরুন আপনি একজন বিক্রেতা আপনার কাছে ১০০ টি ডিম রয়েছে। তার মধ্যে বয়লার মুরগীর ৩০ টি, দেশি মুরগীর ৩০ টি এবং হাঁসের ৪০টি ডিম রয়েছে। এগুলো যদি ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকে তখন কাস্টমারকে খোজে দিতে নিশ্চয় কষ্টকর হবে। আর যদি সাজিয়ে রেখে দেন যে ”ক” গ্যালারীতে বয়লার মুরগীর ডিম, ”খ” গ্যালারীতে দেশি মুরগীর ডিম, “গ” গ্যালারীতে হাঁসের ডিম। তাহলে সহজেই তা খোজে কাস্টমারকে দিতে সহজ হবে তাই না। তেমলি কোন কনটেন্টকে যদি এস ই ও বা সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন করা হয়ে থাকে তখন গুগুল সহজে তা ইউজারের নিকট পোঁছে দিতে সক্ষম হয়ে থাকে। তাই কোন সাইট বা কনটেন্টকে এস ই ও করা আশু প্রয়োজন। একটি কনটেন্টকে কিভাবে এস ই ও ফ্রেন্ডলি করবেন তা নিচে তুলে ধরা হলো।

১. কিওয়ার্ড রিসার্চ করা :

কিওয়াড রিসার্চ হচ্ছে কোন কিওয়ার্ডের সার্চ ভলিয়ম কত, মাসে কত বার সার্চ হয়ে থাকে। তার একটি তথ্য উপাত্য সম্পর্কে ধারনা লাভ করা। আপনি যদি গুগুল থেকে অর্গানিক ভিজিটর পেতে চান তাহলে কিওয়ার্ড রিসার্চ করা প্রয়োজন। আর এটা আপনি ফ্রিতে কিওয়ার্ড প্লানারের সাহায্যে করতে পারেন। আপনি যে টপিকের উপর কনটেন্ট লিখবেন সে কিওয়ার্ড সম্পর্কে কিওয়ার্ড রিসার্চ করে জেনে নেওয়া প্রয়োজন। নতুবা বোকামী হবে, আপনি অন্ধকারের মধ্যে পড়ে থাকবেন। আপনাকে জানতে হবে তার সার্চ ভলিয়ম কত, কম্পিশন কত। তার সার্চ ভলিয়ম ভালো থাকতে হবে, কম্পিটিশন কম থাকতে হবে। তাহলে গুগুলে রেন্ক করাতে সহজ হবে এবং কাংখিত ভিজিটর পেয়ে থাকবেন। মনে রাখবেন ভিজিটর আপনার সাইটের প্রান। তাই ভিজিটর পেতে হলে সঠিক কিওয়ার্ড নির্বাচন করতে হবে।

২. এস ই ও ফ্রেন্ডলি টাইটেল :

আপনার কনটেন্টের টাইটেল হতে হবে এটার্কটিভ বা আকর্ষনীয়। যা আপনার ভিজিটরকে আকর্ষন করবে। তার জন্য আপনাকে কি করতে হবে। আপনার কনটেন্টের টাইটেলকে এস ই ও ফ্রেন্ডলি করতে হবে। কিভাবে করবেন ? আপনার কনটেন্টের টাইটেল ৫৫ থেকে ৬০ ক্যারেক্টারের মধ্যে হতে হবে। টাইটেলে মিন কিওয়ার্ড থাকতে হবে। অর্থাৎ ফোকাস কিওয়ার্ড থাকতে হবে।

৩. কিওয়ার্ড ডেনসিটি :

আপনার কনটেন্টে কিওয়ার্ড ডেনসিটি ঠিক থাকতে হবে। কিওয়ার্ড বেশি হলে প্লান্টি খাওয়ার ভয় থাকে, আবার কিওয়ার্ড কম থাকেলে রেন্ক হারানোর ভয় থাকে। প্রশ্ন হচ্ছে কিওয়ার্ড ডেনসিটি কি ? কিওয়ার্ড ডেনসিটি হচ্ছে আপনার কনটেন্টের মধ্যে কতবার ফোকাস কিওয়ার্ড রয়েছে। বেশি হওয়া যাবে না এবং কম হওয়াও যাবে না। অনেকের মতে ৩% মিন কিওয়ার্ড রাখা যাবে। আমার মতে ১০০০ কিওয়ার্ডের জন্য ৫/৬ বার মিন কিওয়ার্ড রাখা উচিত।

৪. সাব হেডিং বা হেডার টেগ :

সাব হেডিং বা হেডার টেগ হচ্ছে আপনার কনটেন্টের মধ্যে বিভিন্ন প্যারার উপর হেডিং দিতে হবে। আর এই হেডিং টেগ গুলো ৬ ধরনের হয়ে থাকে। যেমন : H1, H2, H3, H4, H5, H6. একটি কনটেন্টে একবারই হেডিং ওয়ান টেগ থাকে। তা হচ্ছে মেন টাইটেল। আর অন্য গুলোতে বিভিন্ন টেগ দেওয়া যেতে পারে। তা হতে হবে প্রয়োজন অনুযায়ী। অন্যথায় দেওয়া ঠিক হবে না। তাই সঠিক ভাবে হেডার টেগ প্রয়োগ করতে হবে।

৫. ছোট ছোট প্যারা :

আপনার কনটেন্টের মধ্যে শ্রেনিভেদে বিভিন্ন প্যারা থাকতে হবে। আর প্যারা গুলো ছোট ছোট হতে হবে। যাতে পাঠকের সহজে বোধগম্য হয়। আপনার কনটেন্টকে সহজ , সরল, প্রান্জল ভাষায় উপস্থাপন করতে হবে। যা ভিজিটরকে আকর্ষন করবে। তবেই ভিজিটররা বার বার ফিরে আসবে।

৬. ইনবাউন্ট লিংক :

ইনবাউন্ট লিংক হচ্ছে আপনার কন্টেন্টের মধ্যে আপনার নিজেরে লেখা অন্য কোনো কন্টেন্টের লিংক যুক্ত করে দেওয়া। যাতে এই কনটেন্ট থেকে আপনার ভিজিটর আপনার আরেক কনটেন্টে যায়। যাতে ভিজিটরকে আপনার সাইটে বেশি সময় ধরে রাখা যায়। যা গুগুলের কাছে পছন্দনীয়। উদাহরন হিসাবে আমি এই লেখার সাথে একটি ইনবাউন্ট লিংক যুক্ত করে দিলাম। যা নীল কালার যুক্ত দেখতে পাচ্ছেন। ইনবাউন্ট লিংককে ইন্টারনাল লিংকও বলা হয়ে থাকে।

৭. আউটবাউন্ট লিংক :

আপনার নিজের ওয়েবসাইটের কনটেন্টের মধ্যে অন্য কোনো ওয়েবসাইটের লিংক যুক্ত করে দেওয়াকে আউটবাউন্ট লিংক বলা হয়ে থাকে। এতে আপনার ওয়েবসাইটের সাথে অন্য কোনো ওয়েবসাইটের জুস পাস হবে। অর্থাৎ আপনার ওয়েবসাইটের সাথে অন্য ওযেবসাইটের ভিজিটরদের সংযোগ স্থাপন হবে। এতে উভয়েরই ভিজিটর বৃদ্ধি হতে পারে। উদাহরন হিসাবে এখানে একটি আউটবাউন্ট লিংক দিলাম। এই নীল কালারের উপর ক্লিক করলে অন্য কোন ওয়েবসাইটে নিয়ে যাবে। আউটবাউন্ট লিংকে এক্সটারনাল লিংকও বলা হয়ে থাকে।

৮. ইমেজ অপটিমাইজ করা :

ইমেজ বা কোন ছবি ভিজিটরদের আকর্ষন করে থাকে। এই ইমেজের মাধ্যমে আপনার সাইটে অনেক ভিজিটর আসতে পারে। তাই ইমেজকে সঠিক ভবে অপটিমাইজ করা প্রয়োজন। ইমেজ অপটিমাইজ করতে হলে ইমেজের টাইটেল দিতে হবে, ইমেজের অলটার ট্যাগ দিতে হবে। প্রয়োজনে ইমেজের ডিসক্রেপশন লেখতে হবে। তাহলে গুগুলের ইমেজ গ্যালারীতে আপনার ছবি দেখা যাবে। এছাড়া ব্রাউজারে সার্চ রেজাল্টেও আপনার ছবি দেখা যাওয়ার সম্ভবনা থাকে।

৯. ম্যাটা ট্যাগ :

ম্যাটা ট্যাগ স্থাপন করতে হবে। ম্যাটা ট্যাগ হচ্ছে আপনার কন্টেন্টের একটি সামারী। এই ম্যাটা ট্যাগ গুগুলে সার্চ করলে টাইটেলের নিচেই দেখতে পাবেন। ম্যাটা ট্যাগ ডিসক্রেপশন লেনথ ১৫০ ক্যারেক্টারের মধ্যে হওয়া উচিত। ম্যাটা ট্যাগে মিন কিওয়ার্ড থাকতে হবে। ম্যাটা ট্যাগ বা ম্যাটা ডিসক্রেপশন আপনার কনন্টের পরিচিত তুলে ধরতে সাহায্য করে থাকে।

১০. পারমালিংক সেট করা :

পারমালিংক হচ্ছে আপনার কন্টেন্টের ইউ আর এল। আপনার কন্টেন্টের ইউ আর এল সংক্ষিপ্ত হওয়া উচিত। তাই আপনার ইউ আর এল কে কাস্টমাইজ করতে হবে। আপনার কন্টেন্টের ইউ আর এলের মধ্যে যেন আপনার কনন্টের মিন কিওয়ার্ড থাকে। সে দিকে অবশ্যই দৃষ্টি দিতে হবে। ইউ আর এলে তারিখ না থাকায় ভালো। তাই সঠিক পারমালিংক কাস্টমাইজ করা উচিত।

১১. ফাস্ট প্যারা ও লাস্ট প্যারায় ফোকাস কিওয়ার্ড রাখা :

ফোকাস কিওয়ার্ডকে হাইলাইট করতে ফাস্ট প্যারা ও লাস্ট প্যারায় ফোসাক কিওয়ার্ড রাখা প্রয়োজন। ফোকাস কিওয়ার্ড আপনার কন্টেন্টের গুরুত্বপূর্ন ফ্যাক্টর। এই কিওয়ার্ড দিয়ে গুগুলে সার্চ করলে যেন আপনার কনটেন্ট সবার উপরে আসে সে জন্য কিওয়ার্ডকে হাইলাইট করা প্রয়োজন। তাই এই কন্টেন্টের ফাস্ট প্যারা ও লাস্ট প্যারাতে ফোকাস কিওয়ার্ড রাখা হয়েছে।

১২. কনটেন্ট লেনথ :

কনটেন্ট লেনথ একটি কনটেন্টের জন্য গুরুত্বপূর্ন ফ্যাক্টর। একটি কনটেন্টের লেনথ কতটি শব্দের হতে হবে। তা নিয়ে সবারই প্রশ্ন রয়েছে। কনটেন্ট লেনথ গুগুলের মতে ৩০০ শব্দের হলেই হবে। তবে আমার মতে একটি কনটেন্টে লেনথ নুন্যতম ৫০০ শব্দের হওয়া উচিত। উপরে যত হয় ততো ভালো। মোট কথা একটি কন্টেন্টকে ফুটিয়ে তুলতে বা সঠিক ভাবে উপস্থাপন করতে যত শব্দের প্রয়োজন সে অনুযায়ী লেখা উচিত।

পড়ুন :

কিভাবে ফ্রি ব্লগসাইট তৈরি করবেন

কিভাবে ওয়েবসাইটে ভিজিটর বাড়াবেন

পরিশেষে কথা হচ্ছে কনটেন্ট রাইটিং (Content Writing) একটি ব্লগসাইট বা ওয়েবসাইটের জন্য অপরিহার্য্য। কনটেন্ট ছাড়া একটি ওয়েবসাইট প্রানহীন। তাই বর্তমানে একজন কন্টেন্ট রাইটারে কদর অনেক বেশি। এই কনটেন্ট লেখাকে আপনি পেশা হিসাবেও গ্রহন করতে পারেন। যা থেকে প্রচুর পরিমানে আয় করা সম্ভব। ফাইবার, আপওয়ার্ক, ফ্রিলান্সার, গুরু সহ বিভিন্ন সাইটে কনটেন্ট রাইটিংয়ের কাজ পাওয়া যায়। আপনিও চেষ্টা করলে এই কাজ করে আয় করতে পারেন। কনটেন্ট রাইটিং করতে হলে আপনাকে ভাষা জ্ঞান সম্পর্কে যথেস্ট ধারনা থাকতে হবে। সর্বপরি কথা হচ্ছে কনটেন্টকে গুগুলে র‌্যান্ক করতে হলে এস ই ও ফ্রেন্ডলি কনটেন্ট রাইটিং (Content Writing) করতে হবে। যা উপরের নিয়ম গুলো ফলো করে করা সম্ভাব। আজ এই পর্যন্ত, লেখাটি ভালো লেগে থাকলে অন্যদের সাথে শেয়ার করতে ভূলবেন না। আর কোনো কিছু জানার থাকলে কমেন্ট করে জানাবেন। উত্তর দেয়ার চেষ্টা করবো ইনশাল্লাহ। ধন্যবাদ।

Related posts

Leave a Comment