ব্লগ (Blog ) কি এবং ব্লগসাইটে ট্রাফিক বা ভিজিটর বাড়ানোর কৌশল সমূহ কি

Blog

ব্লগ (Blog) হচ্ছে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের দৈনন্দিন জীবন যাত্রার প্রতিচ্ছবি। একজন ব্যক্তির চিন্তাধারা বা ভাবাবেগ প্রকাশ করার অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে ব্লগ। ব্লগ বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। যেমন: ব্যক্তিকেন্দ্রিক, প্রাতিষ্ঠানিক, বিষয়ভিত্তিক ইত্যাদি। এ গুলোর মাধ্যমে তাদের চিন্তাচেতনা প্রকাশিত করা হয়ে থাকে। যা অনলাইন ভিত্তিক। সহজ কথায় অনলাইনের মাধ্যমে আমাদের দৈনন্দিন জীবনের যে ঘটনা প্রবাহ লিপিবদ্ধ করা হয়ে থাকে তা হচ্ছে ব্লগ। ব্লগসাইটের প্রান হলো ট্রাফিক বা ভিজিটর। ব্লগসাইটকে প্রানবন্ত করতে হলে সাইটে প্রয়োজন ভিজিটর। আর ভিজিটর পেতে হলে ব্লগের জন্য প্রয়োজন ইউনিক কন্টেন্ট। তাই ব্লগকে প্রানবন্ত করতে হলে ভালো ভালো কন্টেন্ট লিখতে হবে। আজকে আমরা আলোচনা করবো ব্লগ (Blog) কি এবং ব্লগসাইটে ট্রাফিক বা ভিজিটর বাড়ানোর কৌশল সমূহ কি নিয়ে।

ব্লগ (Blog ) কি :

ব্লগ (Blog) ইংরেজী শব্দ। ইহার বাংলা প্রতিশব্দ হচ্ছে দিনলিপি বা ব্যক্তিগত ডায়েরী। যা অনলাইন ভিত্তিক লেখালেখির মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয়। নিজের ভাবাবেগ এবং চিন্তাধারা অনলাইনের মাধ্যমে বিশ্বের কাছে ধারাবাহিক ভাবে তুলে ধরাই হচ্ছে ব্লগ। আর যারা এ কাজ করেন তাদেরকে বলা হয় ব্লগার। ব্লগাররা প্রতিনিয়ত তাদের ওয়েবসাইটে কন্টেন্ট যুক্ত করে থাকেন। আর ব্যবহারকারীরা তাদের মন্তব্য করতে পারেন। এছাড়া সাম্প্রতিক কালে ব্লগ ফ্রিল্যান্সিং সাংবাদিকতার একটি মাধ্যম হয়ে উঠেছে। সাম্প্রতিক ঘটনা সমূহ নিয়ে এক বা একাধিক ব্লগাররা তাদের ব্লগে লেখালেখি করে থাকেন। তবে বেশির ভাগ ব্লগই কোন একটি নির্দিষ্ট বিষয় সম্পর্কিত ধারা বিবরনী বা খবরা খবর প্রদান করে থাকেন। কিছু সংখ্যক ব্লগ অনলাইনে ব্যক্তিগত দিনলিপি লেখালেখি করে থাকেন। মোটকথা ব্লগ হচ্ছে ব্যক্তির ভাবাবেগ বা চিন্তাধারা অনলাইন কেন্দ্রিক প্রকাশ করার মাধ্যম। যাকে দিনলিপি বা ব্যক্তিগত ডায়েরী বলা হয়ে থাকে।

ব্লগের প্রকারভেদ :

ব্লগ বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। নিচে কয়েকটি ব্লগের প্রকারভেদ তুলে ধরার চেষ্ট করছি।

১. ব্যক্তিগত ব্লগ (Blog) :

নিজের ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে লেখা বা নিজের ব্যক্তিগত মতামত তুলে ধরার জন্য যে ব্লগ তৈরি করা হয় তাকে ব্যক্তিগত ব্লগ বলা হয়ে থাকে। এখানে ব্যক্তির চিন্তাধার, ভাবাবেগ প্রকাশিত হয়ে থাকে।

২. বিষয়ভিত্তিক ব্লগ (Blog) :

বিষয় ভিত্তিক ব্লগ হচ্ছে কোন একটি নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর যে ব্লগে লেখালেখি করা হয় তাকে বিষয় ভিত্তিক ব্লগ বলা হয়ে থাকে। যেমন : প্রযুক্তি বিষয়ক ব্লগ, আর্ট ব্লগ, ফটো ব্লগ ইত্যাদি।

৩. প্রাতিষ্ঠানিক ব্লগ (Blog) :

প্রাতিষ্ঠানিক ব্লগ হচ্ছে কোন কোম্পানী বা প্রতিষ্ঠনের নিজের যাবতীয় তথ্য তুলে ধরে যে ব্লগে লেখালেখি করা হয় তাকে প্রাতিষ্ঠানিক ব্লগ বলা হয়ে থাকে। যেমন : কোন কোম্পানীর ধারা বিবরনী বা প্রোডাক্ট সম্পর্কে প্রতিনিয়ত লেখালেখি প্রকাশ করা হয়ে থাকে।

৪. সামাজিক ব্লগ (Blog) :

সামাজিক ব্লগ হচ্ছে যেখানে সমাজের মানুষের আচার আচরন, উন্নয়ন, কর্মকান্ড নিয়ে ধারবাহিক ভাবে প্রতিনিয়ত লেখালেখি কর হয় যে ব্লগে তখন তাকে সামজিক ব্লগ বলা হয়ে থাকে। এখানে সমাজের প্রতিচ্ছবি তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়ে থকে।

ব্লগসাইটে (Blog Site) ট্রাফিক বা ভিজিটর বাড়ানোর কৌশল :

ভিজটর হলো একটি ব্লগ সাইটের প্রান। সবাই চায় তার সাইটে ভিজিটর বৃদ্ধি হোক। কিন্তু ভিজিটর আপনার সাইটে কিভাবে আসবে যদি না তারা আপনার সাইট সম্পর্কে জানে। আপনার সাইটে কি আছে তা ভিজিটরদের সামনে তুলে ধরতে হবে তবেই তো তারা আপনার সাইটে আসবে তাই না। আসুন জেনে নেয়া যাক কি উপায়ে নিজের ব্লগ সাইটে ভিজিটর বাড়ানো যায়।

১. সোসাল মিডিয়ায় প্রকাশ :

সোসাল মিডিয়া হচ্ছে ফেসবুক, টুইটার, লিংদিন, পিন্টারিস্ট ইত্যাদি অসংখ্য সাইট। আপনার ব্লগ সাইট এই সোসাল মিডিয়া সাইট গুলোতে প্রকাশ করুন। সোসাল মিডিয়া সম্পর্কে সবারই কম বেশি ধারনা রয়েছে। শতকরা ৯০ ভাগ মানুষই সোসাল মিডিয়ায় বিচরন করে থাকে। এই মিডিয়া গুলোতে কোন না কোন কাজে মানুষের বিচরন ঘটে। এখানে ব্লগসাইট প্রকাশ করা হলে তাদের চোখে পড়বে। তখন তারা আপনার ব্লগ সাইটে আসবে। আপনার ব্লগসাইটে তাদের কাঙ্খিত তথ্য খুজে পেলে বার বার আসবে এবং তাদের বন্ধু-বান্ধবকে আসার জন্য উদ্বুদ্ধ করবে। তখন আপনার সাইটে ভিজিটর বৃদ্ধি পাবে।

পড়ুন :

ফেসবুক মার্কেটিং করতে চাইলে লিংকে ক্লিক করুন : https://www.ictcorner.com/facebook-marketing/

২. ইউজার ফ্রেন্ডলী থিম ব্যবহার :

থিম হচ্ছে আপনার সাইট উপস্থাপন করার মাধ্যম। একটি ব্লগসাইট বা ওয়েবসাইট কেমন হবে বা বাহ্যিক আকার কেমন হবে তা থিমের মাধ্যমে প্রকাশ পায়। তাই এই থিম ইউজার ফ্রেন্ডলী হওয়া উচিত। যা ভিজিটরদের আকর্ষন করবে এবং দ্রুত লোডে সহয়তা করবে। থিম ফ্রি পাওয়া যায়। আবার পেইড থিমও পাওয়া যায়। পেইড থিমে সুবিধা বেশি পাওয়া যায়। টাকা থাকলে পেইড থিম ব্যবহার করা ভালো। অনেক সুবিধা পাওয়া যায় এবং স্বাধীন ভাবে কাজ করতে পারবেন। এছাড়া ফ্রি থিমও ব্যবহার করতে পারেন। কোন সমস্যা নাই। ওয়ার্ডপ্রেস সাইটে অসংখ্য ফ্রি থিম পাওয়া যায়। এই থিম গুলো থেকে সঠিক থিম চয়েস করে সঠিক ভাবে কাস্টমাইজ করুন। যাতে ভিজিটরদের আকর্ষন করে এবং আপনার সাইটে আসে।

৩. সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন :

আপনার সাইটকে ইউজারদের সামনে উপস্থাপন করতে হলে এস ই ও বা সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন করতে হবে। সঠিক ভাবে সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন করলে আপনার সাইট গুগুল টপে আসবে। তখন ভিজিটররা গুগুলে সার্চ দিলে দেখতে পাবে। তখন তারা আপনার সাইটে আসবে। এভাবে ট্রাফিক বা ভিজটর বৃদ্ধি পাবে। ভিজিটর পাওয়ার উত্তম পথ হচ্ছে সাইটকে সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন করা। এর কোন বিকল্প নেই। আপনার সাইটকে ওয়েব মাস্টার টুলের সাহায্যে গুগুলে ইন্ডেক্স করতে হবে এবং সাইট ম্যাপ তৈরি করতে হবে। সঠিক ভাবে সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজ করতে পারলে আপনার সাইটে ভিজিটর বৃদ্ধি পাবে।

৪. ইউনিক কন্টেন্ট পোষ্ট করা :

কন্টেন্ট হচ্ছে লেখা, ছবি, অডিও,ভিডিও, ইত্যাদি। অর্থাৎ আপনার ব্লগ সাইটে যা কিছু উপস্থাপন করেন তাই হচ্ছে কন্টেন্ট। আপনার সাইটের কন্টেন্ট হতে হবে ইউনিক। কোন প্রকার কপি পেস্ট করা যাবে না। যা লিখবেন নিজের থেকে লিখবেন। খেয়াল রাখবেন ভাষা যাতে সহজ সরল সাবলীল হয়। ভিজিটর যাতে সহজে বুঝতে পারে। তাই ব্লগ সাইটে বেশি বেশি ভিজিটর পেতে হলে ভালো ভালো কন্টেন্ট পোস্ট করতে হবে।

৫. ওয়েবসাইট বা ব্লগসাইট দ্রুত লোড হওয়া :

সাইটে ভিজিটর পেতে হলে ওয়েবসাইট বা ব্লগসাইট দ্রুত লোড হওয়া উচিত। কারন আপনার সাইট লোড হতে সময় বেশি নিলে ভিজিটর হারানো ভয় থাকে। গুগুলের এক জরিপে জানা যায় সাইট লোডের সময় বেশি নিলে ৭৫% কাস্টমার সাইট থেকে চলে যায়। তাই সাইট লোড দ্রুত হলে কাস্টমার সাইটে সহজে পাওয়া যায়। মনে রাখবেন ভিজিটর পেতে হলে দ্রুততম সময়ে সাইট লোড হওয়া উচিত।

৬. কন্টেন্টের সাথে আকর্ষনীয় ছবি যুক্ত করা :

কন্টেন্টের সাথে আকর্ষনীয় ছবি ব্যবহার করতে হবে। কারন ছবি মানুষকে আকর্ষন করে থাকে। তাই কন্টেন্টের সাথে সামন্জস্যপূর্ন ছবি ব্যবহার করতে হবে। এই ছবির আকর্ষনে ভিজিটর বাড়তে পারে। মানুষ সৌন্দর্য প্রিয়। সবাই সুন্দরকে ভালোবাসে। আমরা সুন্দরের পূজারী। তাই কন্টেন্টের সাথে আকর্ষনীও এবং মানানসই ছবি ব্যবহার করবেন। মনে রাখবেন কোন উদ্ভুট ছবি ব্যবহার করবেন না। যা কন্টেন্টের সাথে যুক্তিযুক্ত নয়।

৭. ডাটা এনালাইসিস করা :

ভিজিটর পেতে হলে ডাটা এনালাইসিস করতে হবে। আপনার ব্লগে যে ডাটা বা তথ্য যুক্ত করেছেন তা মাঝে মাঝে পর্যবেক্ষন করতে হবে। কোন কন্টেন্ট থেকে ভিজিটর আসছে, কোন দেশ থেকে আসছে। কোন কন্টেন্ট থেকে আসছে না। তা বিচার বিশ্লেষন করতে হবে। এর জন্য আপনাকে কি করতে হবে। গুগুল সার্চ কন্সোলের সাহায্য নিতে হবে। এছাড়া গুগুল এনালাইটিকস (Analytics) ব্যবহার করতে পারেন। গুগুল এনালাইটিকের মাধমে সকল তথ্য পেতে পারেন।

৮. ইন্টারনাল লিংক সংযোজন করা :

ইন্টরনাল লিংক হচ্ছে আপনার কন্টেন্টের মধ্যে অন্য কোন নিজের কন্টেন্টের লিংক সংযোজন করা। এই ইন্টারনাল লিংক সংযোজনের ফলে আপনার ভিজিটর এক আর্টিকেল থেকে আরেক আর্টিকেলে যাতায়াত করবে। তাতে ভিজিটর আপনার সাইটে বেশিক্ষন থাকবে এবং আপনার সাইটের বাউন্স রেট কমবে। এতে ভিজিটর পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

৯. ভিডিও মার্কেটিং করা :

ভিডিও আমরা সবাই কম বেশি দেখে থাকি। ভিডিও দেখতে আমরা সবাই ভালবাসি। তাই গুগুলের পরই ইউটিউব চ্যানেলের স্থান। সবাই ভিডিও দেখার আকর্ষনে ইউটিউব চ্যানেল দেখে থাকি। তাই আপনার কন্টেন্টে কোন ভিডিও যুক্ত করুন। আর সেই ভিডিও বিভিন্ন সাইটে আপলোড দিন। যেমন: ইউটিউব, ভেমো রিভার ইত্যাদি। এই সাইট গুলোতে ভিডিও মার্কেটিং করুন। তাতে আপনার সাইটে ভিজিটর বাড়বে।

১০. ব্লগ (Blog) পোষ্টে কমেন্ট করা :

ব্লগসাইটে ভিজিটর বৃদ্ধি করতে হলে অনপেজ এস ই ও এবং অফপেজ এস ই ও করতে হয়। আর ব্লগ কমেন্ট হচ্ছে অফপেজ এস ই ও এর অংশ। তাই আমরা বিভিন্ন ব্লগ সাইটে কমেন্ট করবো। এই কমেন্টের ফলে ঐ ব্লগ সাইট থেকে আপনার সাইটে ভিজিটর আসবে এবং আপনার সাইট গুগুলে রেংকে এগিয়ে যাবে। ব্লগ কমেন্ট একটি সাইটে ভিজিটর পাওয়ার উল্লেখযোগ্য পন্থা। তাই আমরা বেশি বেশি ব্লগ কমেন্ট করবো।

১১. বাউন্স রেট চেক করা :

বাউন্স রেট বেশি যে কোনো সাইটকে ডাউন করে দেয়। যা যে কোন সাইটের জন্য খারাপ লক্ষন। তাই বাউন্স রেট যাতে বেশি না হয় সে দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে বাউন্স রেট যাতে ৬০ এর উপরে না যায়। বাউন্স রেট বেশি হলে কোন সাইট র‌্যাংকিংয়ে উপরে উঠতে পারবে না। তাতে যে কোন সাইটের ভিজিটর কমে যেতে পারে। তাই বাউন্স রেট কম রাখার জন্য সব সময় চেষ্টা করতে হবে।

১২. সঠিক কিওয়ার্ড নির্বচন করা :

কিওয়ার্ড হচ্ছে আমরা যা লিখে সার্চ করি তাই হচ্ছে কিওয়ার্ড। কিওয়ার্ড একটি সাইটকে র‌্যাংকিংয়ে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে। তাই সাইটে ভিজিটর বৃদ্ধি এবং র‌্যাংকিংয়ে উপরে উঠতে চাইলে সঠিক কিওয়ার্ড নির্বাচন করতে হবে। কিওয়ার্ডের কম্পিটিশন যত কম হবে তত উপরে উঠতে সহজ হবে। সঠিক কিওয়ার্ড নির্বচন সাইটে ভিজিটর বাড়াতে সহায়তা করতে পারে।

১৩. নিয়মিত আর্টিকেল পাবলিশ করা :

কন্টেন্ট বা আর্টিকেল কে সাইটের রাজা বলা হয়ে থাকে। সাইটে ভিজিটর পেতে হলে নিয়মিত আর্টিকেল পাবলিশ করতে হবে। যাতে আপনার ভিজিটর আপনার সাইটে এসে ঘুরে না যায়। সেটা হতে পারে একদিন পর পর বা তিনদিন পরপর বা এক সপ্তাহ পরপর। যে কোন নির্দিষ্ট সময় পরপর আর্টিকেল পাবলিশ করুন। তাতে ভিজিটর বাড়ার সম্ভাবনা থাকে। মনে রাখবেন সপ্তাহে কমপক্ষে একটি আর্টিকেল প্রকাশ করুন। তাতে বাউন্স রেট কমবে এবং আপনার সাইটে ভিজিটর বৃদ্ধি পাবে।

১৪. প্রশ্ন-উত্তর পর্ব সাইট :

আপনার সাইটে প্রশ্ন-উত্তর পর্ব সাইট যুক্ত করুন। তাতে প্রশ্ন করুন এবং সেই সব প্রশ্নে উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করুন। এতে করে আপনার ভিজিটর বাড়বে। ভিজিটর কাংখিত প্রশ্নের সমাধান পেলে বার বার সাইটে আসার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। তাই ভিজিটর বৃদ্ধি করতে চাইলে প্রশ্ন-উত্তর পর্ব সাইটে যুক্ত করুন।

১৫. বুকমার্ক করা :

বুকমার্ক করা একটি সাইটের জন্য কার্যকরি ব্যাকলিংক। সাইটে সঠিক ভাবে বুকমার্ক করতে পারলে সাইটের র‌্যাংক বৃদ্ধি পাবে এবং ভিজিটর বৃদ্ধি পাবে। একটি সাইটকে সোসাল বুকমার্ক করা হলে বুকমার্ক সাইট গুলো তা বিভিন্ন সোসাল মিডিয়া সাইট গুলোতে পৌঁছে দেয়। তাতে অধিক সংখ্যক ভিজিটরের কাছে পৌঁছা সম্ভব হয়। তাই ট্রাফিক বা ভিজিটর পাওয়ার জন্য বুকমার্ক করা একটি কার্যকরি পন্থা।

পড়ুন :

ঘরে বসে আয় করতে চান :

https://www.ictcorner.com/online-income/

এডসেন্স পেতে চান তাহলে লিংকে ক্লিক করুন : https://www.ictcorner.com/adsense/

পরিশেষে কথা হচ্ছে একটি ব্লগ সাইটে ট্রাফিক বা ভিজিটর পেতে উপরোক্ত কৌশল গুলো যথাযথ ভাবে অনুসর করতে পারলে সাইটে ভিজিটর বাড়বে। পাশাপশি সাইট গুগুল র‌্যাংকিংয়ে উপরে উঠবে। যে কোন ব্লগ সাইট বা ওয়েব সাইটকে গুগুলের ফাস্ট পেজে আনতে হলে সঠিক ভাবে এস ই ও করতে হয়। যথাযথ ভাবে এস ই ও করতে পারলে সাইটের র‌্যাংক বাড়বে এবং ভিজিটর বৃদ্ধি হবে।

Related posts

One Thought to “ব্লগ (Blog ) কি এবং ব্লগসাইটে ট্রাফিক বা ভিজিটর বাড়ানোর কৌশল সমূহ কি”

  1. Friend,
    Your blog site design very nice and article good. To be lot of improve. Many many thanks. Know more – Click Me

Leave a Comment