Backlink (ব্যাকলিংক) কি এবং কিভাবে ব্যাকলিংক তৈরি করা যায়

Backlink

ওয়েবসাইট বা ব্লগসাইটের রেংকিংয়ের ক্ষেত্রে ব্যাকলিংকের (Backlink) গুরুত্ব অপরিসীম। ব্যাকলিংক ছাড়া কোন সাইটকে রেঙ্কিংয়ে নিয়ে আসা কঠিন। সাইটকে গুগুলের প্রথম পেজে আনতে হলে ব্যাকলিংক করা আবশ্যক।সঠিক ব্যাকলিংক তথা অফপেজ এস ই ও পারে কোন সাইটকে গুগুলের প্রথম পেজে নিয়ে আসতে। তাই আমরা প্রোপার ওয়েতে ব্যাকলিংক তৈরি করবো। ব্যাকলিংক হচ্ছে অফপেজ এস ই ও এর অংশ। সঠিক ভাবে অফপেজ এস ই ও এবং ব্যাকলিংক তৈরি করতে পারলে সাইটে ভিজিটর বৃদ্ধি পাবে এবং সাইট রেংঙ্কিয়ে এগিয়ে যাবে। আজকে আমরা জানবো কিভাবে ব্যাকলিংক তৈরি করা যায়। প্রশ্ন হচ্ছে ব্যাকলিংক (Backlink) কি এবং কিভাবে ব্যাকলিংক তৈরি করা যায়।

ব্যাকলিংক (Backlink) কি :

ব্যাকলিংক (Backlink) হচ্ছে নিজের সাইটের লিংক অন্য কোন সাইটে প্রোপার ওয়েতে বসিয়ে দেওয়াই হলো ব্যাকলিংক। ব্যাকলিংক হচ্ছে এক্সটারনাল লিংক যা অন্য কোন সাইট থেকে পাওয়া যায়। একটা সাইটের যত বেশি ব্যাকলিংক থাকবে সার্চ ইন্জিনের কাছে তত বেশি বিশ্বস্থতা বাড়বে। তবে ব্যাকলিংক হতে হবে ইরিলেভেন্ট ব্যাকলিংক।অর্থাৎ সমজাতীয় সাইটে ব্যাকলিংক হতে হবে। একটু বুঝিয়ে বলছি ধরুন, আপনার সাইট প্রযুক্তি বিষয়ক। তাহলে আপনাকে প্রযুক্তি বিষয়ক সাইটেই ব্যাকলিংক দিতে হবে। এখন আপনি যদি প্রযুক্তি বিষয়ক সাইট থেকে খেলাধুলা বিষয়ক সাইটে ব্যাকলিংক দেন তাহলে ইরিলেভেন্ট বা ইফেক্টিভ ব্যাকলিংক হবে না। তাই আপনার সাইট যে বিষয়ক সেই বিষয়ক সাইটে ব্যাকলিংক দিতে হবে তবেই ফলপ্রসূ ব্যাকলিংক হবে।সহজ ভাবে বলা যায় সামঞ্জস্যপূর্ন সাইটের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ন সাইটের লিংক বিল্ডিং করাই হচ্ছে ইরিলেভেন্ট ব্যাকলিংক। সাইটের শ্রেনিভেদে বিভিন্ন পদ্ধতিতে ব্যাকলিংক দিতে হয়। যেমন: ব্লগ কমেন্টিং, ফোরাম পোস্টিং, গেস্ট পোস্টিং, প্রোফাইল ব্যাকলিংক ইত্যাদি। তবে সাধারন ভাবে বলা যায় ব্যাকলিংক হচ্ছে কোন সাইটে গিয়ে সেই সাইট সম্পর্কে সঠিক মন্তব্য করে তাকে ধন্যবাদ দিয়ে নিচে আপানার সাইটের লিংক বসিয়ে দেওয়াই হচ্ছে ব্যাকলিংক

ব্যাকলিংকের প্রয়োজনীয়তা বা ব্যাকলিংক কেন করবেন :

ব্যাকলিংকের (Backlink) প্রয়োজনীয়তা অনেক। সঠিক ভবে, সঠিক পথে, সঠিক ওয়েতে ব্যাকলিংক করতে পারলে একটি সাইটে ভিজিটর বাড়বে এবং পেজ রেংক বাড়বে। ইউজাররা আপনার সাইটকে সহজে খোজে পাবে। ব্যাকলিংকের প্রয়োজনীয়তাকে আমরা তিন ভাগে ভাগ করতে পারি।

১. সাইটের অথিরিটি বাড়বে : কোন সাইটের অথরিটি বলতে সাইটের ডোমেন অথরিটি বা সাইটের ভেলু কত। আপনার সাইটের ভেলু তখনই বাড়বে যখন আপনার সাইটে ভালো কোন কন্টেন্ট বা ভালো রিভিউ থাকবে। ইউজার তা থেকে কোন উপকার লাভ করবে বা তার কোন কাজে আসবে। ধরুন আপনার বন্ধু আপনার কোন ভাল গুন সম্পর্কে কোন ভাল মন্তব্য করল তখন কিন্তু আপনার ভেলু বাড়লো। তেমনি কোন সাইটে যত ভালো কন্টেন্ট থাকবে এবং তার ব্যাকলিংক বেশি থাকবে তখন তার অথরিটি বাড়বে।

২. সার্চ ইন্জিনে সাইট র‌্যাংক বাড়বে : একটি সাইটের ব্যাকলিংক যত বেশি থাকবে তার র‌্যান্ক তত বেশি বাড়বে। আপনার সাইট বিভিন্ন সাইট থেকে ব্যাকলিংক পেলে সার্চ ইন্জিনের কাছে আপনার সাইটের গুরুত্ব বেশি পাবে। তখন আপনার সাইট র‌্যান্কিয়ে এগিয়ে যাবে। তাই ব্যাকলিংকের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

৩. সাইটে ভিজিটর বাড়বে : একটি সাইটে ব্যাকলিংক যত বেশি হবে তত রেংকিংয়ে এগিয়ে যাবে এবং এক সময় গুগুলের প্রথম পেজে চলে আসবে। গুগুলের প্রথম পেজে আসলে স্বভাবত ইউজাররা সহজে আপনার সাইটকে দেখতে পাবে। তখন আপনার সাইটের ভিজিটর বৃদ্ধি পাবে। ভিজিটর হলো সাইটের প্রান।ভিজিটর বৃদ্ধি মানে আপনার সাইট হিট।তাই বেশি বেশি ব্যাকলিংকের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

ব্যাকলিংকের শ্রেনিভেদ :

সাধারনত: কার্যকারিতার দিক থেকে ব্যাকলিংক দুই ধরনের হয়ে থাকে। যথা : ১. নো ফলো ও ২. ডু ফলো।

১. নো ফলো ( No Follow ) :

নো ফলো লিংক হচ্ছে যে লিংক কোন জুস পাছ করে না। জুস হচ্ছে একটি লিংকের পাওয়ার, যার মাধ্যমে লিংকে থাকা পেজটি ভেলু পেয়ে থাকে। নো ফলো লিংক সার্চ ইন্জিনের কাছে ভেলু পায় না। সার্চ ইন্জিন বট ঐ লিংকে ফলো করে না। বরং লিংকটি যাতে ক্রল না করা হয় তা নির্দেশ করে। নো ফলো লিংক চেনার উপায় হলো যে লিংকের উপর কার্চর নিয়ে গেলে হাতের মতো চিহ্ন না দেখায় সেটা হচ্ছে নো ফলো লিংক। তাই নো ফলো লিংক না দেওয়ার চেষ্টা করবো। তারপরও বলবো একেবারে বৃথা যাবে না। নো ফলো ব্যাকলিংক রেংকিংয়ে সাহায্য না করলেও ভিজিটর বাড়াতে সাহায্য করে থাকে।

২. ডু ফলো ( Do Follow ) :

ডু ফলো লিংক হচ্ছে যে লিংক আপনার সাইটের জুস পাছ করে। ডু ফলো লিংক সার্চ ইন্জিন বটকে আপনার সাইট এবং পেজেকে ক্রল করতে নির্দেশ দেয়। যা রেংকিংয়ে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করে থাকে। আমরা সবসময় ডু ফলো লিংক বিল্ডিং করার চেষ্টা করবো। ডু ফলো লিংক চেনার উপায় যে লিংকের উপর কার্চর নিয়ে গেলে কার্চর হাতের মতো চিহ্ন হয়ে যায়।সুতরা আমরা ডু ফলো সাইটে বেশি বেশি ব্যাকলিংক তৈরি করবো।

কিভাবে ব্যাকলিংক (Backlink) তৈরি করা যায় :

ব্যাকলিংক হচ্ছে অফপেজ এস ই ও এর একটি পার্ট। ব্যাকলিংক তৈরি করতে গেলে তিনটি কাজ করতে হয়। প্রথমত: যে সাইটে ব্যাকলিংক দিবেন সে সাইটে রেজিষ্ট্রেশন বা একাউন্ট তৈরি করতে হবে। দ্বিতীয়ত: পোস্ট বা কমেন্ট তৈরি করতে হবে। তৃতীয়ত: আপনার সাইটের লিংক বসিয়ে দিতে হবে। নিচে যে সাইট গুলোতে ব্যাকলিংক দিবেন তা তুলে ধরা হলো।

১. ব্লগ কমেন্টিং করা

২. ফোরাম পোস্টিং করা

৩. র্আটিকেল সাইটে পোস্টিং করা

৪. Question & Answer সাইট

৫. ইনবাউন্ট লিংক এবং আউটবাউন্ড লিংক

৬. Press Release সাইট

৭. গেস্ট পোস্টিং করা

৮. PBN লিংক বিল্ডিং করা

৯. প্রোফাইল লিংক বিল্ডিং করা

১০. সোসাল সাইটে লিংক বিল্ডিং করা

১. ব্লগ কমেন্টিং করা :

ব্লগ কমেন্টিং করার মাধ্যমে ব্যাকলিংক দেওয়া যায়। যে সাইটে ব্যাকলিংক করবেন সে সাইটে প্রথমে রেজিস্ট্রেশন করে নিতে হবে।তারপর সে সাইট কি সম্পর্কে সে বিষয়ে মন্তব্য করে তাকে ধন্যবাদ জানাবেন।তারপর তার সাথে মিল রেখে আপনার সাইটের লিংক বসিয়ে দিবেন। লিংক সরাসরিও দিতে পারেন বা এ্যাংকর টেক্সট হিসাবেও দিতে পারেন। এ্যান্কর টেক্সট হিসাবে দিতে হলে যে ভবে লিখবেন। তা হলো- <a href=”https://www.ictcorner.com/”>Click me</a> . এখানে ইনভাইটেট কমার মধ্যে আপনার সাইটের নাম বসিয়ে দিবেন।

২. ফোরাম পোস্টিং করা :

ফোরাম পোস্টিং করা হলো অনলাইনে অনেক ফোরাম সাইট রয়েছে। সে গুলোতে পোস্টিং করা। তবে প্রথমে আপনার নিস রিলেটেড ফোরাম সাইটের সদস্য হতে হবে। নিস রিলেটেড বলতে আপনার সাইট যদি টিকনোলজি বিষয়ক সাইট হয় তবে টিকনোলজি বিষয়ক ফোরাম সাইটের সদস্য হতে হবে। তাদের সাথে কথোপকথন করতে হবে।আপনার সমস্যা নিয়ে প্রশ্ন করতে পারেন। আবার কারো সমস্যার সমাধন দিতে পারেন পাশাপাশি আপনার সাইটের লিংক বসিয়ে ব্যাকলিংক দিতে পারেন।

৩. র্আটিকেল সাবমিশন সাইটে পোস্টিং :

র্আটিকেল সাবমিশন সাইট হচ্ছে বিশেষজ্ঞ পর্যায়ের লেখা যে সাইটে সাবমিশন করা হয়। সাধারন র্আটিকেল ব্লগসাইটে লেখা হয়ে থাকে আর গবেষনা মূলক র্আটিকেল গুলো র্আটিকেল সাবমিশন সাইটে পোস্ট করা হয়ে থাকে। এই র্আটিকেল সাবমিশন সাইট গুলোতে পোস্ট লিখে তার মধ্যে আপনার সাইটের লিংক বসিয়ে দিন।যা ইফেক্টিভ ব্যাকলিংক হিসাবে কার্যকরি ভূমিকা পালন করবে।

৪. Question & Answer সাইট :

অনলাইন জগতে অনেক Question & Answer সাইট রয়েছে। যেমন : কোরা, ইয়াহু ডট কম. এ্যানসার ডট কম ইত্যাদি। এই সাইট গুলোতে আপনি নিবন্ধন করে সদস্য হতে হবে। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবেন। প্রশ্ন গুলোর উত্তরের সাথে মিল রেখে আপনার সাইটের লিংক বসিয়ে দিন।এতে আপনার সাইটে ভিজিটর বৃদ্ধি পাবে।

৫. ইনবাউন্ড লিংক এবং আউটবাউন্ট লিংক :

আপনার কন্টেন্টের মধ্যে ইনবাউন্ট লিংক ও আউটবাউন্ট লিংক দিন। আপনি যখন আপনার ব্লগের মধ্যে কোন পোস্ট করবেন তখন সেই পোস্টে আপনার পূর্বে প্রকাশিত পোস্ট গুলোর লিংক দিয়ে দিন। এটাই হলো ইন্টারনাল লিংক বা ইনবাউন্ড লিংক। সঠিক ভাবে ইনবাউন্ড লিংক করতে পারলে আপনার ভিজিটর এক পেজ থেকে আরেক পেজে যাবে। এতে আপনার সাইটের বাউন্স রেট কমবে এবং আপানরার পেজের ভিউ বাড়বে। একই ভাবে আপনার পোস্টে অন্য কোন সাইটের লিংক বসিয়ে দিলে সেটা হবে এক্সটারনাল লিংক বা আউটবাউন্ট লিংক।

৬. Press Release সাইট :

প্রেস রিলিজ হচ্ছে আন্তর্জাতিক ঘটনা, তথ্য বা খবরা খবরের প্রবাহ মাধ্যম। যার মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের খবরা খবর জানতে পারা যায়। বিশেষ করে সাংবাদিকরা এর মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে থাকে। এ সাইট গুলোতে আপনি ব্যাকলিংক দিতে পারেন। তথ্য বা খবর দেয়া সময় যে পোস্টিং করতে হয় তার মধ্যে আপনার সাইটের লিংক বসিয়ে ব্যাকলিংক দিতে পারেন।

৭. গেস্ট পোস্টিং করা :

গেস্ট পোস্টিং করার মাধ্যমে ব্যাকলিংক দেওয়া একটি শক্তিশালী ব্যাকলিংক তৈরি করা। গেস্ট পোস্টিং হচ্ছে অন্য কোন সাইটে র্আটিকেল লেখে পোস্ট করা। আপনি ঐ সাইটের একজন গেস্ট। অনেক গেস্ট পোস্টিং সাইট রয়েছে সেখানে লিংক বিল্ডিং করতে পারেন। তবে গেস্ট পোস্টিং সাইট গুলোতে র্আটিকেল পোস্ট করতে হলে সাইটের এডমিন থেকে অনুমতি নিতে হয়। আপনি র্আটিকেল পোস্টের মধ্যে আপনার সাইটের লিংক বসিয়ে ব্যাকলিংক তৈরি করতে পারেন।

৮. PBN লিংক বিল্ডিং করা :

PBN লিংক বিল্ডিং হচ্ছে Privet Blog Network. প্রাইভেট ব্লগ নেটওয়ার্ক বলতে পরিচিত কয়েক জনের ব্লগসাইট বা ওয়েবসাইট থেকে একজনের ব্লগসাইটের লিংক আপনার সাইটে দিন। আপনার সাইটের লিংক আরেকজনের সাইটে দিন। এ ভাবে একজনের সাইটের লিংক আরেক জনের সাইটে লিংক দিন। এ ভাবে ইফেক্টিভ ব্যাকলিংক তৈরি করা যায়। যা গুগুলের কাছে পছন্দনীয় ও গ্রহন যোগ্যতা রয়েছে।

৯. প্রোফাইল লিংক বিল্ডিং করা :

বিভিন্ন প্রোফাইল সাইট রয়েছে। সে গুলোতে রেজিষ্ট্রেশন করে তার প্রোফাইলের মধ্যে আপনার সকল তথ্য দিয়ে দিন। তারপর আপনার সাইটের লিংক বসিয়ে দিন। এটি একটি সহজ মাধ্যম যাতে সহজে আপনার একটা ব্যাকলিংক তৈরি হয়।আপনাকে বিভিন্ন প্রোফাইল সাইট খোজে বের করতে হবে। প্রোফাইল সাইট গুলো একেকটা একেক রকমের হয়। আপনাকে খোজে বের করতে হবে কোথায় ব্যাকলিংক দেওয়া যায়।প্রোফাইল খোজে পাওয়া একটু কষ্টকর। খোজে পেলে সহজে ব্যাকলিংক দেয়া যায়।

১০. সোসাল সাইটে লিংক বিল্ডিং করা :

সোসাল সাইটে লিংক বিল্ডিং হলো শক্তিশালী Backlink । সোসাল সাইট গুলোতে প্রোফাইল তৈরি করুন। প্রতিটি সোসাল সাইটে ব্যাকলিংক দেওয়া জায়গা থাকে।সেখানে পোস্ট করে বা কমেন্ট করে আপনার সাইটের লিংক বসিয়ে দিন। সোসাল সাইট গুলো হচ্ছে ফেসবুক, টুইটার, ইনিষ্টাগ্রাম, লিংকদিন, পিন্টারিস্ট ইত্যাদি সাইট রয়েছে। এ গুলোতে আপনার সাইটের লিংক বসিয়ে ব্যাকলিংক দিন।

অনপেজ এস ই ও সম্পর্কে জানতে হলে লিংকে ক্লিক করুন : https://www.ictcorner.com/on-page-seo/

পরিষেশে কথা হলো ব্যাকলিংক (Backlink) হচ্ছে কোন সাইটে পোস্ট ও কমেন্ট করে ব্লগসাইট বা ওয়েবসাইটের লিংক বসিয়ে দেওয়ায় হলো লিংক বিল্ডিং বা ব্যাকলিংক তৈরি করা। এস ই ও তে ব্যাকলিংক এর ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ন। এটি সার্চ ইন্জিনের কাছে বড় একটা র‌্যান্কিং ফ্যাক্টর।যে সাইট গুলোতে ব্যাকলিংক বেশি সে সাইট গুলো রেংকিং ভূমিকা বেশি পালন করে। যে সাইট গুলোতে ব্যাকলিংক রেখে আসতে চান সে সাইট গুলি সম্পর্কে আগে জেনে নিতে হবে তাদের DA এবং PA কেমন। ভালো মানের DA এবং PA সাইট দেথে ব্যাকলিংক দিতে হবে। তবেই আপনার সাইট রেংকিংয়ে এগিয়ে যাবে এবং ভিজিটর বৃদ্ধি পাবে।

Related posts

4 Thoughts to “Backlink (ব্যাকলিংক) কি এবং কিভাবে ব্যাকলিংক তৈরি করা যায়”

  1. আপনার লেখাটি অনেক ভালো হয়েছে । এতে অনেকে উপকৃত হবে । আশা করছি আগামিতে আপনি আরও অনেক সুন্দর সুন্দর লেখা উপহার দিবেন । আমার একটি নিউজ রিলেটেড ব্লগ সাইট আছে । https://roadtohelp787.com এই সাইটে ঘুরে দেখার জন্য নিমন্ত্রন রইল । ধন্যবাদ ।।

  2. ধন্যবাদ এত সুন্দর একটা রিসোর্স আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।

    এসইও লিঙ্কবিল্ডিং স্ট্রিক্স নিয়ে একটি পোস্ট বানালে অনেক উপকৃত হতাম

    https://seo-optimizers.com

Leave a Comment