ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্স এর 5টি কাজ শিখে হাজার হাজার ডলার ইনকাম করুন

ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্স

অনলাইনে ইনকাম করার হাজারো রকমের কোর্স রয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্স। আপনি যদি সঠিক ভাবে ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্স শিখতে পারেন তাহলে অনলাইন থেকে হাজার হাজার ডলার ইনকাম করতে পারবেন। বর্তমান যুগ ডিজিটাল যুগ। ডিজিটালের ছোয়ায় দিন দিন বদলে যাচ্ছে গোটা বিশ্ব। ডিজিটাল প্রযুক্তির ছোয়ায় আমরা উন্নত থেকে উন্নততরে পৌছে যাচ্ছি। ডিজিটাল যুগে আপনি যদি ডিজিটাল মার্কেটিং সম্পর্কে ধারনা না রাখেন তাহলে পিছিয়ে পড়বেন। তাই আপনাকে ডিজিটাল মার্কেটিং সম্পর্কে ধারনা রাখতে হবে। ডিজিটাল মার্কেটিং কিভাবে শিখবেন সে সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরার চেষ্টা করবো। ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের বিভিন্ন ধরনের কাজ রয়েছে। তার মধ্যে থেকে গুরুত্বপূর্ন সহজ 5টি কাজ আপনাদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করবো। আশা করি এই 5টি কাজের মধ্যে থেকে একটি কাজও যদি আপনি সঠিক ভাবে শিখতে পারেন তাহলে আপনার ইনকাম হবেই ইনশাল্লাহ।

ডিজিটাল মার্কেটিং কি :

ডিজিটাল মার্কেটি কি এ সম্পর্কে আমার আগের একটি আর্টিকেলে লিখেছি। এখানে সংক্ষিপ্ত ধারনা দেওয়ার জন্য লিখছি। ডিজিটাল মার্কেটিং হচ্ছে অনলাইনে প্রচার প্রচারনা চালানোকে ডিজিটাল মার্কেটিং বলা হয়ে থাকে। আগে মানুষ ব্যবসার প্রচার প্রচারনা চালাতো পেপার, পোস্টার, লিফলেট, ব্যানার ইত্যাদির মাধ্যমে। এখন মানুষ ব্যবসার প্রচার প্রচারনা চালায় অনলাইনে। কম্পিউটার, ল্যাপটপ, মোবাইলে ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে প্রচার প্রচারনা চালায়। এই অনলাইনে প্রচার প্রচারনা চালনোকেই ডিজিটাল মার্কেটিং বলা হয়ে থাকে। অনলাইনের মাধ্যমে আপনার নিজের প্রোডাক্ট বা ক্লাইন্টের প্রোডাক্ট মার্কেটিং করে ব্যবসা পরিচালনা করাই হচ্ছে ডিজিটাল মার্কেটিং। বর্তমানে অনেকে ডিজিটাল মার্কেটিং করে ব্যবসা পরিচালনা করে হাজার হাজার ডলার ইনকাম করছে। আপনিও চাইলে অনলাইনের মাধ্যমে ব্যবসা পরিচালনা করে ইনকাম করতে পারেন।

ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্স এর সহজ 5টি কাজ :

অনলাইন ব্যবসার ক্ষেত্রে ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলছে। ডিজিটাল মার্কেটিং হচ্ছে ব্যবসার আধুনিক রুপ। আপনার ব্যবসার প্রোডাক্টের গুনাগুন মানুষের কাছে হাতের মুঠোয় সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করাই ডিজিটাল মার্কেটিং। ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে বিভিন্ন ধরনের কাজ রয়েছে। যেমন : ফেসবুক মার্কেটিং, সোসাল মিডিয়া মার্কেটিং, কন্টেন্ট মার্কেটিং, ভিডিও মার্কেটিং, ইমেইল মার্কেটিং, ইউটিউব মার্কেটিং ইত্যাদি। এ গুলোর মধ্যে থেকে সহজ 5টি কাজ সম্পর্কে আপনাদের সামনে তুলে ধরবো। যা শিখে সহজে ইনকাম করতে পারবেন।

1. ফেসবুক মার্কেটিং করা :

ফেসবুক সম্পর্কে শুনেন নাই বা জানেন না এমন মানুষ পাওয়া খুবই কঠিন। আবাল বৃদ্ধ বনিতা সবার কাছে ফেসবুক পরিচিত। ফেসবুক একটি সোসাল মিডিয়া মার্কেটিং সাইট। এই ফেসবুকে আমারা দিনের অধিকাংশ সময় কাটিয়ে থাকি। এই ফেসবুকের মাধ্যমে আমরা বন্ধু-বান্ধবের সাথে চ্যাট করে থাকি, একে অপরের সাথে কথা বার্তা আদান প্রদান করে থাকি, ভিডিও দেখে থাকি। আবার এই ফেসবুকের মাধ্যমে আমরা ব্যবসা পরিচালনা করে থাকি। কিন্তু আপনি জানেন কি এই ফেসবুকের মাধ্যমে ব্যবসা পরিচালনা করে ইনকাম করা যায়। হ্যা আপনি ঠিকই শুনেছেন এই ফেসবুকের মাধ্যমে ব্যবসা পরিচালনা করে ইনকাম করা যায়। সেটা কিভাবে ? তার জন্য ফেসবুকের কিছু টুলস সম্পর্কে আপনার জানা থাকতে হবে। ফেসবুকের কিছু ফ্যাংশন সম্পর্কে আপনার জানা থাকতে হবে। আসুন জেনে নেই।

ফেসবুক আইডি :

প্রথমে আপনার নিজের নামে একটি ফেজবুক আইডি খুলতে হবে। আপনার নাম, ঠিকানা, ইমেল, পাসওয়ার্ড দিয়ে একটি সুন্দর আইডি খুলবেন। আপনার আইডিতে বন্ধু-বান্ধবের সংখ্যা বৃদ্ধি করতে হবে। যত বন্ধু-বান্ধব হবে ততো আপনার পরিচিতি বাড়বে। আপনার আইডিতে বিভিন্ন পোস্ট দিতে থাকুন। লাইক, কমেন্ট, ফ্যান, ফলোয়ার বৃদ্ধি করুন। যত বেশি পরিচিত হতে পারবেন ততো আপনার ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে সুবিধা হবে।

ফেসবুক বিজনেস পেজ :

ব্যবসা পরিচালনা করতে হলে ফেসবুকে একটি ফেসবুক ফ্যান পেজ বা ফেসবুক বিজনেস পেজ থাকতে হবে। ফেসবুক আইডির আন্ডারে ফেসবুক বিজনেস পেজ খুলতে হবে। আপনার ব্যবসার নাম, ক্যাটাগরি অনুযায়ী একটি বিজনেস পেজ খুলতে হবে। বিজনেস পেজে আপনার ব্যবসার প্রোডাক্ট সম্পর্কে সুন্দর সুন্দর পোস্ট দিতে হবে। পেজে লাইক, ফলোয়ার বৃদ্ধি করতে হবে। বিজনেস পেজে লোগো সেট করতে হবে, ব্যানার সেট করতে হবে এবং সুন্দর ভাবে অপটিমাইজ করতে হবে।

পড়ুন :

কিভাবে ফেসবুক মার্কেটিং ও বিজনেস পেজ খুলবেন

ফেসবুক গ্রুপ :

বিজনেস রিলেটেড ফেসবুক গ্রুপ খুলতে হবে। গ্রুপে প্রোডাক্টের পোস্ট শেয়ার করতে হবে। গ্রুপের সদস্য সংখা বাড়াতে হবে। মনে রাখবেন গ্রুপে যত সদস্য বৃদ্ধি পাবে ততো আপনার প্রোডাক্ট সেল হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে। গ্রুপে লোগো ও ব্যানার সেট করতে হবে। ব্যানার যেন সবাইকে আকর্ষন করে এমন ব্যানার সেট করতে হবে। তাতে আপনার সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে।

ফেসবুক এডস ক্যাম্পেইন :

ফেসবুক এডস ক্যাম্পেইন একটি পেইড মার্কেটিং। ফেসবুক এডস ক্যাম্পেইন পরিচালনা করলে প্রোডাক্ট সেল হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। ফেসবুক এডস ক্যাম্পেইন পরিচালানা করার কিছু নিয়ম কানুন রয়েছে। সে গুলোকে সঠিক ভাবে আপনাকে শিখতে হবে। যেমন: এডস ক্যাম্পেইনের নাম দিতে হবে, কোন এলাকায় প্রোডাক্ট সেল করতে চান তার নাম সেট করে দিতে হবে। ছেলে না মেয়ে কাদের কাছে প্রোডাক্ট বিক্রি করতে চান সেটা সেট করে দিতে হবে, বয়স সেট করে দিতে হবে। প্রোডাক্টে ইমেজ সেট করে দিতে হবে ইত্যাদি কার্যাদি আপনাকে সুন্দর সম্পূন্ন করতে হবে। তারপর আপনাকে ক্যাম্পেইন পরিচালনা খরচ বাবদ পে করতে হবে। এর জন্য আপনার বা আপনার ক্লাইন্টের পেপাল বা পেইনিয়র কার্ড অথবা মাস্টার কার্ড থাকতে হবে।

ফেসবুক পিক্সেল :

ফেসবুক পিক্সেল সেটাপ করতে হবে। ফেসবুক পিক্সেল হচ্ছে গুগুল এনালাইটিকসের মতো। গুগুল এনালাইটিকস যেমন একটি ওয়েবসাইটের সকল তথ্য উপস্থাপন করে থাকে তেমনি ফেসবুক পিক্সেল ফেসবুকের সকল তথ্য উপস্থাপন করে থাকে। ফেসবুক পিক্সেল সেটাপ করার উদ্দেশ্য হচ্ছে ব্যবসার সেল বৃদ্ধি হওয়া। ফেসবুক পিক্সেল সেটাপ করার কিছু নিয়ম কানুন রয়েছে। এটা এডভান্স লেভেলের সেটাপ। আপনি নিজেও করতে পারেন বা কোন অভিজ্ঞ ব্যক্তি দ্বারা সেটাপ করে নিতে পারেন।

নোট : ফেসবুকের মাধ্যমে ইনকাম করতে চাইলে আপনাকে ফেসবুক আইডি খুলতে হবে, ফেসবুক বিজনেস পেজ খুলতে হবে, ফেসবুক গ্রুপ খুলতে হবে। এছাড়া ফেসবুক বুস্ট করার জন্য ক্যাম্পেইন পরিচালনা করতে হবে। ফেসবুক পিক্সেলের মাধ্যমে আপনার মার্কেটিংয়ের সকল তথ্য অবজারভ করতে হবে। এই কাজ গুলো সঠিক ভাবে করতে পারলে আপনি ফেসবুক থেকে ইনকাম করতে পারবেন।

পড়ুন :

কিভাবে ফেসবুক পিক্সেল সেটাপ করবেন

2. ইউটিউব মার্কেটিং করা :

ইউটিউব মার্কেটিংপ্লেস একটি শক্তিশালী প্লাটফর্ম। ইউটিউবে ভিডিও আপলোড করা হয়। গুগুলের পরই ইউটিউবের স্থান। ইউটিউবে ভিডিও আপলোড করে হাজার হাজার ইউটিবাররা ইনকাম করছে। আপনার যদি ভিডিও বানানো বা তৈরি করার অভ্যাস থেকে থাকে তাহলে একটি ইউটিউব চ্যানেল খুলে ইনকাম করতে পারেন। ইউটিউব থেকে ইনকাম করতে হলে আপনাকে ইউটিউব চ্যানেল খুলতে হবে। ইউটিউবে লোগো এবং একটি সুন্দর চ্যানেল আর্ট সেটাপ করুন। চ্যানেলকে এস ই ও করতে হবে। ইউটিবের জন্য ভিডিও তৈরি করে আপলোড করতে হবে। ভিডিওর জন্য থামনিল তৈরি করতে হবে। তারপর আপনার চ্যানেলে প্রতি নিয়ত ভিডিও আপলোড করতে থাকুন। আপনার চ্যানেলে যখন 1000 সাবস্ক্রাইবার এবং 4000 হাজার ঘন্টা ওয়াচ টাইম হবে তখন মনিটাজেশনের জন্য আবেদন করতে পারবেন। আপনার চ্যানেল মনিটাইজেশন পেলে আপনার চ্যানেলে বিজ্ঞাপন শো হতে থাকবে। আপনার বিজ্ঞাপনে ক্লিক পড়তে থাকলে আপনার ইনকাম হতে থাকবে। ইউটিউব একটি গুরুত্বপূর্ন প্লাটফর্ম। এই প্লাটফর্মে কাজ করতে পারলে প্রচুর টাকা ইনকাম করতে পারবেন। এখানে কাজ হচ্ছে প্রথমে চ্যানেল তৈরি করতে হবে। চ্যানেলকে এস ই ও করতে হবে। ভিডিও তৈরি করতে এবং ভিডিও এডিট করে আপলোড করতে হবে। আর ভিডিও কন্টেন্টের জন্য সুন্দর থামনিল তৈরি করতে হবে। এই কাজ গুলো সঠিক ভাবে করতে পারলে আপনি ইনকাম করতে পারবেন।

3. এস ই ও করা :

এস ই ও এর এভরিভিশন হচ্ছে সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন করা। আপনার যদি কোন ওয়েবসাইট থেকে থাকে বা আপনার ক্লাইন্টের কোন ওয়েবসাইট থেকে থাকে তাহলে এস ই ও করে ইনকাম করতে পারেন। এস ই ও করতে হলে আপনাকে অনপেজ অপটিমাইজ, অফপেজ অপটিমাইজ এবং টেকনিক্যাল অপটিমাইজ সম্পর্কে জানা থাকতে হবে। অনপেজ অপটিমাইজ হচ্ছে ওয়েব সাইটে ভিতরে যে অপটিমাইজ করা হয় তাকে অনপেজ অপটিমাইজ করা বলে। অফপেজ অপটিমাইজ হচ্ছে ওয়েব সাইটের বাহিরে যে অটিমাইজ করা হয় তাকে অফপেজ অপটিমাইজ করা বলে। আর টেকনিক্যাল এস ই ও হচ্ছে ওয়েব সাইটে বাহ্যিক বা টেকনিক্যালি কাজ গুলো করাকে টেকনিক্যাল এস ই ও করা বলে। একটি ওয়েবসাইটকে সঠিক ভাবে অপটিমাইজেশন করতে পারলে ওয়েবসাইটকে গুগুলের ফাস্ট পেজে দেখা যাবে। তখন সবাই সহজে আপনার ওয়েবসাইট দেখতে পাবে। তখন সহজে আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিটর বৃদ্ধি পাবে এবং ইনকাম করার পথ সুগম হবে। সঠিক ভাবে এস ই ও কাজ শিখতে পারলে হাজার হাজার ডলার ইনকাম করতে পারবেন। এস ই ও কাজ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে হলে নিচের লিংক গুলো ফলো করুন।

পড়ুন :

কিভাবে অনপেজ এস ই ও করবেন

কিভাবে অফপেজ এস ই ও করবেন

কিভাবে টেকনিক্যাল এস ই ও করবেন

4. ডাটা এন্ট্রি করা :

ডাটা এন্ট্রি শব্দের অর্থ হচ্ছে ডাটা অর্থ তথ্য আর এন্ট্রি অর্থ লিপিবদ্ধ বা সংগ্রহ করা। বিশেষ কোন তথ্যকে সংগ্রহ করে লিপিবদ্ধ করাকে ডাটা এন্ট্রি করা বলে। ডাটা এন্ট্রি কাজ দুই ভাবেই হয়ে থাকে। এক, অনলাইনে, দুই, অফলাইনে। আমরা সাধারনত অনলাইনে কম্পিউটারের মাধ্যমে কোন তথ্যকে সংগ্রহ করে সঠিক ভাবে লিপিবদ্ধ করাকে ডাটা এন্ট্রি করা বুঝে থাকি। আর অনলাইনে হাজার হাজার ডাটা এন্ট্রির কাজ পাওয়া যায়। যা সহজে করে দিয়ে আপনি অনলাইন থেকে ইনকাম করতে পারেন। ডাটা এন্ট্রির কাজ তুলনামুলক ভাবে সহজ। তাই নতুনরা ডাটা এন্ট্রির কাজে বেশি আগ্রহী হয়ে থাকে। ডাটা এন্ট্রির কাজ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে হলে এই লিংকটি ফলো করুন। লিংকটি হলো https://www.ictcorner.com/technical-seo/ . এই লিংকে ক্লিক করে পড়ুন ডাটা এন্ট্রি সম্পর্কে ইনকাম করার সকল তথ্য পেয়ে যাবেন।

5. ব্যাকলিংক তৈরি করা :

ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্স এর একটি গুরুত্বপূন পার্ট হচ্ছে ব্যাকলিংক করা। ব্যাকলিংক হচ্ছে কোন সাইটে কমেন্টস করে আপনার নিজের সাইটের লিংক বসিয়ে দেওয়াই হচ্ছে ব্যাকলিংক করা। ব্যাকলিংক করা বা লিংক বিল্ডিং করা একই কথা। আপনি বিভিন্ন সাইটে ব্যাকলিংক করতে পারেন। যেমন : ব্লগসাইট, ফোরাম সাইট, সোসাল সাইট, কোরা ইত্যাদি সাইটে ব্যাকলিংক তৈরি করতে পারেন। ব্যাকলিংক করলে আপনার সাইটের র‌্যান্ক বৃদিধ পাবে। এই ব্যাকলিংক করে আপনি ইনকাম করতে পারবেন। আপনার কোন ক্লাইন্ট বা বায়ারে ওয়েব সাইটে ব্যাকলিংক ক্রেয়েট করে দিয়ে ইনকাম করতে পারেন। ব্যাকলিংক সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে নিচের নীল কালারের লেখা লিংক ফলো করুন। ব্যাকলিংক কি এবং কিভাবে ব্যাকলিংক তৈরি করবেন

পরিশেষে কথা হচ্ছে ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্স এর বিভিন্ন রকমের কাজ রয়েছ। তার মধ্যে থেকে আমি অত্যন্ত গুরুত্বপূন 5টি বিষয় আপনারদের সামনে তুলে ধরলাম। এই 5টি কাজের মধ্যে থেকে একটি কাজও যদি ভালো ভাবে শিখতে পারেন এবং সঠিক ভাবে ইউটিলাইজ করতে পারেন তাহলে অবশ্য আপনি ফ্রিল্যান্সিং করে ইনকাম করতে পারবেন। বিশেষ করে ফেসবুক মার্কেটিং ও ইউটিউব মার্কেটিং একটি বিশাল সেক্টর। এই সেক্টর গুলোতে অসংখ্য কাজ রয়েছে। বিভিন্ন মার্কেটপ্লেস গুলোতে অসংখ্য কাজ পাওয়া যায়। যেখানে কাজ করে হ্যান্ডসাম ইনকাম করতে পারবেন। ধন্যবাদ।

Related posts

Leave a Comment